ধর্ম

নবীর কদম মোবারকের স্পর্শে ধন্য মদিনার মাটিতে রয়েছে অজস্র বরকত

নবীর কদম মোবারকের স্পর্শে ধন্য মদিনার মাটিতে রয়েছে অজস্র বরকত

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : আল্লাহতায়ালা বিপুল অনন্যতায় উদ্ভাসিত করেছেন মক্কা-মদিনাকে। তাই সেখানকার মাটি প্রতি মূহুর্ত মুমিন-মুসলমানকে আকর্ষণ করে। যে ব্যক্তি নিজ চোখে দেখেছে প্রাণের শহর মক্কা-মদিনা, সে বড়ই সৌভাগ্যবান। কারণ, আল্লাহর ঘর এবং তার প্রিয় রাসূলের রওজা দর্শনের চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি হতে পারে না মুমিনের জীবনে। এ ছাড়াও সেখানে রয়েছে আল্লাহর কুদরতের বহু নিদর্শন। প্রতি মূহুর্তে তথায় বর্ষিত হয় রহমত, বরকতের ফল্গুধারা। পাপের বিশাল বোঝা নিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিও সেখান থেকে ফিরে আসে গোনাহমুক্ত নিষ্পাপ জীবন নিয়ে। তাই সর্বযুগের মানুষের কাছে মক্কা-মদিনা সম্মানিত এবং ভালোবাসার প্রাণকেন্দ্র। মক্কার মসজিদুল হারাম বিশ্বের তাবৎ মসজিদ থেকে শ্রেষ্ঠতম। সেখানে এক ওয়াক্ত নামাজ সওয়াবের দিক থেকে এক লক্ষ নামাজের সমতুল্য। এ মসজিদের পাশেই রয়েছে জমজম কূপ। যার পানি এক জীবন্ত মোজেজা। এ পানি সম্পর্কে প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ কর
পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক  ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।

পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।

ধর্ম
বিশ্বজিৎ সাহা, নরসিংদী ঃ আজ ১৫ আগস্ট, পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। খ্যাতিমান এই ব্যক্তিটি জন্মেছিলেন নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামে। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের শেষ স্মৃতি চিহ্নটিও ধংস হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছিল। অবশেষে বিখ্যাত এই ব্যাক্তির স্মৃতি রক্ষায় এগিয়ে এসেছে ভারত সরকার। জেলা প্রশাসন ও ঐতিহ্য অন্বেষণ যৌথ উদ্যেগে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়িটি সংরক্ষণের পাশাপাশি জাদুঘর হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে। চলছে শেষ মুহুর্ত্তের কাজ। জানা যায়, মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের প্রথম সার্থক বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেন। ইংরেজি ১৮৩৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে নরসিংদীর সদর উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামে তিনি জন্ম নেন। ১৯১০ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকায় তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন একজন সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ। ব্রাক্ষ ধর্ম প্রচারক হিসেবে ‘ভাই’ খেতাবে ভূষি
আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ.)’র কর্মময় জীবন সবার জন্য অনুস্মরণীয়

আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ.)’র কর্মময় জীবন সবার জন্য অনুস্মরণীয়

ডেস্ক নিউজ:নগরীর রায়নগর দর্জিপাড়াস্থ শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ায় বাংলাদেশের প্রবীণ আলেম, মাসিক মদীনা সম্পাদক আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ)’র স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন বাংলাদেশ সহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সংশোধনে জন্য তার লিখনী খিদমাত ছিল প্রশংসনীয়। মাওলানা মুহি উদ্দিন খান সমাজের সর্বস্থরের মানুষকে সকল মতবেদ ভুলিয়ে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আমরণ সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন কলমের। তাঁর জীবনী সমাজের সকল মানুষের জন্য অনুকরণীয়। শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসিমির সভাপতিত্বে ও মাওলানা ফয়েজ উদ্দিনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহি উদ্দিন খানের বড় ছেলে, সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানের সম্পাদক মোস্তফা মঈন উদ্দীন খান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসিক মদীনা সম্পাদক ড. আহমদ বদর উদ্দিন খান, মতুর্জা বশির উদ্দিন খান, মাওলানা মুহি উদ্
নুরে আলম হামিদী হিজবে তাহরীরের সাথে সম্পৃক্ত নন

নুরে আলম হামিদী হিজবে তাহরীরের সাথে সম্পৃক্ত নন

ধর্ম
  মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বরুনা মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষকদের উদ্দোগে মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা রশিদ হামিদীর সভাপতিত্বে গতকাল সকাল ১১ ঘটিকায় মাদরাসার অফিসে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাও: হাফিজ শফিউল আলম, মাওলানা মুফতী জহির উদ্দিন কাসিমী, মাওলানা আব্দুল হাই, মাও: শামসুল হক, মাও: রশিদ আহমদ, হিলাল আহমদ, মুফতী হিফজুর রহমান ফুয়াদ, মাও: আব্দুর রহমান, মাও: আদনান হামিদী, মাও: আদিল হামিদী, মাও: হাফিজ নাজমুল হক, হাফিজ আহমদ বিন কাসিম, হাফিজ উবায়দুল হক, হাফিজ মিসবাহ উদ্দিন যুবায়ের, হাফিজ হাফিজুর রহমান আখন্দ, হাফিজ আব্দুল বাসিত, মাও মাহফুজ, মাও মোশাহিদ, হাফিজ শামসুল হক, হাফিজ আব্দুল হাই, মাও: আনহার,মাও: আব্দুল গফুর, মাও: আব্দুস সামাদ, মাও সাইদুর রহমান, মাও: নিয়ামতুল্লাহ, মাও: জালাল উদ্দিনপ্রমুখ। সভায় মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ নুরে আলম হামিদীকে কত
মানুষ হত্যা নয়: ইসলাম শান্তির ধর্ম

মানুষ হত্যা নয়: ইসলাম শান্তির ধর্ম

ধর্ম
  মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ: মানুষ খুন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম ইসলাম ধর্মে এর স্থান নেই। ইসলাম শান্তির ধর্ম, সাম্যের ধর্ম। যারা মানুষ হত্যা করে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকে ইসলাম তাদেরকে ধিক্কার জানায়। শান্তি ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে জাতি ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষের সহবস্থান জানমাল ও ইজ্জত আবরুর নিরাপত্তা নিয়ে বসবাস করুক এটা কোরআন-হাদীসের ঘোষণা। এ কথা দিবালোকের ন্যায় সত্য যে, ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি—, শৃঙ্খলা এবং মানুষের জান-মালের স্থায়ী নিরাপত্তার জন্যে কুরআন-হাদীসের আলোকে জীবনাদর্শের বাস্তবায়ন ও অনুকরণের বিকল্প নেই। কোরআন-হাদীসের বাস্তব প্রতিচ্ছবি হচ্ছেন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। তাই মহানবীর (সাঃ) এর দেখানো মহান আদর্শ অনুস্বরণ করলে এ সমাজে খুন-সন্ত্রাসী চিনতাই কোন অবস্থায় সৃষ্টি হবেনা। কুরআন-হাদিস থেকে দূরে অবস্থান করার কারণে আজকের অশান্তিও পরিস
শাওয়াল মাসের ৬ রোজার ফজিলত

শাওয়াল মাসের ৬ রোজার ফজিলত

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : মাহে রমজানের পর আমাদের মাঝে হাজির হয় শাওয়াল মাস। শাওয়াল গুনাহ থেকে মুক্তির মাস। মাহে রমজানে যার রোজা কবুল হয়েছে, শাওয়াল মাস থেকে সে গুনাহর ভারমুক্ত হয়েছে। রমজান মাসের বরকত যারা হাসিল করেছেন তারা মানসিকভাবে স্বস্তিতে থাকেন এ মাসে। যারা রমজানে যথাযথ ইবাদত বন্দেগি করতে পারেননি তাদের উচিত এখনই তওবা ইস্তেগফার করে আল্লাহতায়ালার রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়া এবং নেক আমলের দিকে ফিরে আসা। রমজানে মাসব্যাপী যারা সিয়াম সাধনা করেছেন তাদের জন্য শাওয়াল মাসে শুভ সংবাদ রয়েছে। তা হলো শাওয়াল মাসের ছয় রোজা। হজরত আবু আইউব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখল এবং এ রোজার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল’ [মুসলিম]। হজরত উবাইদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসুল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ইয়া রসুলুল্লাহ আমি কি সারা
বায়তুল মোকাররম মসজিদে নিরাপত্তা জোরদার

বায়তুল মোকাররম মসজিদে নিরাপত্তা জোরদার

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বৃষ্টি হলে ঈদের প্রধান জামাত এখানে অনুষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি এতে শরিক হবেন- এই কারণে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদেরকে নিরাপত্তায় নিয়োজিত করা হয়েছে। মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) তারেক বিন রশিদ বলেন, ‘বৃষ্টি হলে রাষ্ট্রপতি এখানে নামাজ আদায় করবেন। এ কারণে পিজিআর সদস্যরা সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। উল্লেখ্য, ঈদের প্রধান জামাত হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে বৃষ্টি হলে বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এলো খুশির ঈদ

এলো খুশির ঈদ

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ/তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানি  তাগিদ/তোর সোনা দানা বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ/দে যাকাত, মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ।’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই গানে ঠোঁট মিলিয়ে বছর ঘুরে আবার এলো পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। রাত পোহালেই ঈদের আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবে দেশ। কবি ভাষায় ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। হিংসা-বিদ্বেষ ভেদাভেদ ভুলে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মিলিত হই ঈদের এই সীমাহিন আনন্দ উৎসবে। ঈদ সবার জীবনেই কম-বেশি আনন্দের উপলক্ষ এনে দেয়। আগের দিন সন্ধ্যাকাশে শাওয়াল মাসের এক ফালি চাঁদ দেখা যায়নি, কিন্তু তাতে কি হয়েছে? চাঁদ দেখা যাক আর নাই যাক বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতর বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। দিনটি মুসলমানদের জন্য বরকতময়ও। হিজরী দ্বিতী
ঈদুল ফিতর : সর্বজনীন জাতীয় উৎসব

ঈদুল ফিতর : সর্বজনীন জাতীয় উৎসব

ঈদ শব্দের অর্থ ফিরে আসা, আনন্দ, খুশি, উৎসব প্রভৃতি। যে খুশির দিনটি মানুষের মাঝে বার বার ফিরে আসে তাই ঈদ। এবারের ঈদুল ফিতর দেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মানবতার বিপর্যস্ত মুহুর্তে শান্তি ও কল্যাণের ¯্রােতে একাতœ হবার আহ্বানে ফিরে এসেছে। ঈদুল ফিতর ডাক দেয় ঘুরে দাঁড়াবার, সত্য ও সুন্দরের পক্ষে গণজাগরণের বার্তা নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল ফিতর। পুরো একটি মাসের সংযম পালন, ইন্দ্রিয়বৃত্তি নিয়ন্ত্রণ, কলুষ, অন্যায়, মিথ্যা, অবিচার থেকে পরিশুদ্ধ হৃদয়বৃত্তির পথে প্রত্যাবর্তনের সাধনার পর এসেছে ঈদ। আজকাল একশ্রেণির নামি মুসলমান বিশ্ব মানবতার পরিশুদ্ধ নিদর্শন মাহে ‘রমজান’ নিয়েও প্রতারণা করে থাকে। কখনো নিজের সাথে, প্রতিবেশি বা পরিচিতের সাথে কিংবা ক্ষদ্রাতি ক্ষদ্র স্বার্থে দেশ বা জাতির সাথেও। ওই শ্রেণির মুসলমানরা ‘রোজা’ রাখার নামে দিনভর ‘উপোষ’ করে। সুযোগ বুঝে পানাহার করে, সংযমের বদলে ইন্দ্রিয়বৃত্তির চর্চা করে, প্রত
জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি!

জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি!

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :সালাতুল তাসবিহ নামায পড়লে পূর্বের গুনাহ বা পাপ মোচন হয় এবং অসীম সওয়াব পাওয়া যাবে। রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামায পড়লে আল্লাহ আপনার আউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন। তিনি বলেন, চাচা জান ! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামায পড়বেন। যদি দৈনিক না পারেন, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন। যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারা জীবনে একবার হলেও এই নামায পড়বেন। সালাতুল তাসবিহ নামাজের নিয়মঃ চার রকাত। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, যে কোন সূরা পড়তে পারেন। তবে এই নামাযে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে, চার রকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহ পড়তে হবে। তাসবীহঃ سُبْحاَنَ الله وَال