ধর্ম

2০৭০ সাল নাগাদ ইসলাম হবে বৃহত্তম ধর্ম

2০৭০ সাল নাগাদ ইসলাম হবে বৃহত্তম ধর্ম

ধর্ম
জনসংখ্যার দিক থেকে ২০৭০ সাল নাগাদ বিশ্বের বৃহত্তম ধর্ম হবে ইসলাম। ইসলাম বর্তমানে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। প্রথম অবস্থানে আছে খ্রিষ্টধর্ম। কিন্তু ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে ২০৫০ সাল নাগাদ খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীর সংখ্যার কাছাকাছি চলে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইন সংস্করণের এক ভিডিও ক্লিপে এ-বিষয়ক গবেষণার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও ক্লিপে বলা হয়েছে, যেকোনো ধর্মের চেয়ে ইসলামের পরিসর দ্রুত বাড়ছে। অর্থাৎ ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০৭০ সাল নাগাদ খ্রিষ্টধর্মকে ছাড়িয়ে যাবে ইসলাম। ২০১০ সালে একক দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা ছিল। কিন্তু ২০৫০ সালে ভারত হবে সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। পিউ রিসার্চ সেন্টার আরো জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ১০ শতা

নামাজ আদায়ে পিঠের ব্যথা কমে

ধর্ম
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পিঠের ব্যথা কমাতে এবং সন্ধির নমনীয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিউইয়র্কের বিংহ্যামপ্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষায় এ তথ্য ওঠে এসেছে। পিঠের নিচের দিকের ব্যথার ক্ষেত্রে নামাজের প্রভাব যাচাই করতে এ সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষার প্রয়োজনে কম্পিউটার সৃষ্ট মানব মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। এ জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ভারতীয়, এশিয় এবং আমেরিকার সুস্থ মানুষের মডেল। গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, পিঠের ব্যথা যাদের আছে তারা যদি নামাজের সময়ে সঠিক দেহভঙ্গিতে রুকু এবং সেজদা আদায় করেন তা হলে পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন। মনে ওপর নামাজের কতোটা সুফল পড়ে তা নিয়ে অনেক সমীক্ষা হলেও এই প্রথম শরীরের ওপর তার সুফল নিয়ে গবেষণা হলো। সূত্র : ওয়েবসাইট

ফেরাউনের দেশে ইসলাম

ধর্ম
গোলাম মাওলা রনি ::: মিসর ভ্রমণের আগে সাহাবি হজরত ওকবা ইবনে আমের রা: সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। একইভাবে মিসরের গ্র্যান্ড ইমাম বা শায়খ-উল আজহার সম্পর্কে যেমন কোনো ধারণা ছিল না, তেমনি দুনিয়ার প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কেও জ্ঞান ছিল একেবারেই অসম্পূর্ণ। সাহাবি আমর ইবনুল আস রা:-এর মিসর জয় এবং পুরনো কায়রো নগরীর পত্তন যেমন সেই দেশের অধিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অপর সাহাবি ওকবা ইবনে আমের রা:-এর ইসলামের প্রচার, প্রসার ও কুরআন তেলাওয়াতের নবতর নান্দনিকতাপূর্ণ সূর সৃষ্টি তামাম মুসলিম জাহানের কাছে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় ঘটনা বলে স্বীকৃত। পুরনো কায়রো নগরীর একটি জরাজীর্ণ বস্তি এলাকায় ইমাম শাফেঈ রহ:-এর মাজারের পাশেই রয়েছে তার ভুবনবিখ্যাত ওস্তাদ সৈয়দ নাফিসা বিনতে আল হাসানের কবর। উভয়ের মাজার জিয়ারত করতে গিয়ে একজন মহান শিক্ষয়িত্রী এবং তার বিখ্যাত ছাত্র সম্

ইসলামের দৃষ্টিতে শুকরিয়া

ধর্ম
প্রতিনিয়ত আমরা কারো না কারো কাছ থেকে উপকৃত হয়ে থাকি। কেউ আমাদের উপকার করেছে, সেই উপকার সম্পর্কে যে আমরা সচেতন তা ওই ব্যক্তিকে অবহিত করার এবং তাতে আনন্দ প্রকাশ করার একটি উপায় হলো শুকরিয়া আদায় বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। উপকারের কৃতজ্ঞতা বা প্রকাশের জন্য আমরা আমাদের ভাষায় ‘ধন্যবাদ’ বলে থাকি। যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো সময় নিজ নিজ ভাষায় উপকারী লোককে ধন্যবাদ বলেন। ইসলামে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আমরা যদি আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি তাহলে তিনি আমাদের প্রতি তাঁর কল্যাণ বৃদ্ধি করে দেন। আল্লাহ্ বলেন : ‘যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো তবে তোমাদেরকে আরো দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’ [সূরা ইব্রাহিম ১৪:৭] আল্লাহ্ আমাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, পক্ষান্তরে তাঁর কৃতজ্ঞ হলে আমাদেরই কল্যাণ। আল্লাহ্ তাআলা বলেন, ‘আমি লোকমান

পৃথিবীর বিখ্যাত মানুষ যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন

ধর্ম
ইসলাম পাশ্চাত্যে দ্রুত বর্ধনশীল একটি বাস্তবতা। আমেরিকাতে ১৯০০ সালে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০,০০০ যা ১৯৯১সালে এসে দ্বারায় ৩ মিলিয়ন বা তারও বেশি। প্রিথীবিতে গড়ে প্রতি বছর প্রায় ২৮৮৩,0১১ জন অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে। তার মধ্যে অগনিত সংখ্যক বিখ্যাত মানুষ আছেন যারা তাদের কর্মের দ্বারা সুপরিচিত। তাদেরই কয়েকজন হলেন: ক্রিয়াবিদঃ ১। মোহাম্মাদ আলি (জন্মঃ জানুয়ারি ১৭, ১৯৪২) মুহাম্মদ আলীএকজন সাবেক মার্কিন মুষ্ঠিযোদ্ধা, ৩ বারের ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাপিয়ন এবং ওলিম্পিক লাইট-হেভিওয়েট স্বর্ণপদক বিজেতা। ১৯৯৯ সালে মুহাম্মদ আলীর নাম বিবিসি শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ঘোষণা করে। আলী জন্মগ্রহণ করেছিলেন লুইসভিলা, কেন্টাকি তে। তার নাম তার বাবা ক্যাসিয়াস মারকেলাস ক্লে সিনিয়র এর নাম অনুসারেই রাখা হয়েছিল, যার নামকরণ করা হয়েছিল একজন দাসপ্রথা বিরোধী রাজনীতিবিদ ক্যাসিয়াস ক্লে এর নামা
দেওবন্দকে চিঠি তাবলিগ আমিরের

দেওবন্দকে চিঠি তাবলিগ আমিরের

ধর্ম
ড. আজমত উল্লাহ খান সম্পাদিত সিয়াসি তাকদির নামে ভারত থেকে প্রকাশিত পত্রিকার রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিরানার তাবলিগ জামাতের জিম্মাদার সাথী হাফেজ মোহাম্মদ রেদোয়ান আনসারী সাহেব তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সা’আদ সাহেব কান্ধলভির তরফ থেকে দারুল উলুম দেওবন্দের মোহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানী সাহেবের কাছে পাঠানো চিঠি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। চিঠিতে তিনি সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন যে, তার তরফ থেকে সাইয়্যাদেনা মুসা আ.-এর বিষয়ে বয়ানকৃত যে সমস্ত বিষয়ে আপত্তি আছে তা থেকে তিনি সম্পূর্ণ রুহু হচ্ছেন বা প্রত্যাবর্তন করছেন। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এর উপর আমল করবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, মাওলানা সা’আদ সাহেবসহ তাবলিগের জিম্মাদার অনেকেই শামিলী জেলার কসবা কান্দালার অভিবাসী। হাফেজ মোহাম্মদ রেদওয়ান আনসারী সাহেব সংবাদ মাধ্যমে চিঠির ফটোকপি দিয়ে একথাও বলেন যে, দারুল উলুম দেওবন্দ এবং তাবলিগি মার্কাজ উভয়ই আমাদের সম্মানিত দ্

বিয়ের আগে কাবিন নয়

ধর্ম
নাগরিক আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে সব সম্প্রদায়ের বিয়ের নিবন্ধন প্রয়োজন। মুসলিম নারী ও পুরুষের বিয়ের নিবন্ধন আবশ্যক। কাজি বা রেজিস্ট্রারকে দিয়ে নিবন্ধন করতে হয়। বিয়ের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে বিবাহ রেজিস্ট্রার বা কাজি ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে বিবাহ নিবন্ধন বই পূরণ করবেন। পূরণ করার পর বর ও কনে বিবাহ নিবন্ধন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন। বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের ফলে বিয়ের সব তথ্য সরকারের তথ্যভাণ্ডারে নথিভুক্ত হয় বলে এর সত্যতা অস্বীকার করা যায় না। বিবাহে দুই পক্ষই; বিশেষ করে নারীরা আইনে প্রদত্ত সব সুরক্ষাসহ তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে। স্ত্রী স্বামীর প্রতারণার শিকার হলে এই রেজিস্ট্রেশনের সনদ রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। স্বামীর মৃত্যু-পরবর্তীকালে স্বামীর সম্পত্তির বৈধ অংশসহ অন্যান্য দাবি আদায়ে এই দলিলটি অত্যাবশ্যক। এমনকি তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদের সময়ও বিবাহের রেজিস্ট্রেশন একটি অত্যাবশ্যকীয় দলিল। বিয়ের এই
কোরআনের সুরের বিশ্ব সম্মেলন

কোরআনের সুরের বিশ্ব সম্মেলন

জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম চত্বর। জুমার পর থেকেই মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। এ ছিল আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন। মাগরিবের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশী কারিদের তিলাওয়াত চলে। ততক্ষণে চত্বরের পুরোটুকু ভরে ওঠে। মাগরিবের পর মানুষের আর তর সয় না। কখন আসবেন কারি! কখন আসবেন কারি! হৃদয়ে বাজতে থাকে কোরআনের সুর! তিলাওয়াত নিয়ে আসেন মালেশিয়ার ড. কারি আনওয়ার বিন হাসীন। প্রেমিকদের হইচই থেমে যায়। তিলাওয়াত শুরু হতেই শ্রোতারা বলে উঠছেন, আল্লাহু আকবার। মাশাআল্লাহ। ভাবছেন ইনিই বোধহয় আজকের সেরা কারি। এ রকম মধুর তেলাওয়াত হয়তো অন্যরা করতে পারবেন না। এক সময় কারি তিলাওয়াত শেষ করেন। সামনে এগিয়ে আসেন আরব আমিরাতের রাজকীয় পরিবাবের ইমাম মরক্কোর ড. কারি আবদুল ফাত্তাহ আল ফুরাইসি। ইনি যেন সুরের জাদুকর। ইনিই বোধহয় আজকের সেরা কারি। দেখা যাক শেষতক কী হয়! এবার এলেন ভারতের বীজনূর অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক কারি তৈয়ব জামাল। চিকন লিকল
যা কিছু প্রয়োজন, আল্লাহকেই বলুন

যা কিছু প্রয়োজন, আল্লাহকেই বলুন

‘আর হে নবী! আমার বান্দা যদি তোমার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তাহলে তাদেরকে বলে দাও, আমি তাদের কাছেই আছি। যে আমাকে ডাকে আমি তার ডাক শুনি এবং জবাব দেই, কাজেই তাদের আমার আহ্বানে সাড়া দেয়া এবং আমার ওপর ঈমান আনা উচিত, এ কথা তুমি তাদের শুনিয়ে দাও, হয়তো সত্য-সরল পথের সন্ধান পাবে।’(সূরা বাকারা : ১৮৬) ‘পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলে যা-ই আছে সবাই তাঁর কাছে নিজের প্রয়োজন প্রার্থনা করছে। প্রতি মুহূর্তে তিনি নতুন নতুন কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত।’(সূরা আর রাহমান:২৯) মহাবিশ্বের এ কর্মক্ষেত্রে প্রতি মুহূর্তে তাঁরই কর্মতৎপরতার এক সীমাহীন ধারাবাহিকতা চলছে। কাউকে তিনি মারছেন আবার কাউকে জীবন দান করছেন। কারো উত্থান ঘটাচ্ছেন আবার কারো পতন ঘটাচ্ছেন, কাউকে আরোগ্য দান করছেন আবার কাউকে রোগাক্রান্ত করেছেন, কাউকে ডুবন্ত অবস্থা থেকে রক্ষা করেছেন আবার সাঁতার কেটে চলা কাউকে নিমজ্জিত করেছেন। সীমা সংখ্যাহীন সৃষ্টিকে নানাভাবে রিজিক দা
হরিপুরে এক কাতার গায়েবি মসজিদ

হরিপুরে এক কাতার গায়েবি মসজিদ

ধর্ম
  মো. আব্দুল লতিফ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মেদিনীসাগর গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন এক কাতারের গায়েবি মসজিদ। মসজিদটির অবস্থান হরিপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিঃমিঃ দূরে মেদিনীসাগর গ্রামে। এলাকার প্রবীণদের মতে, মসজিদটি সুলতানি আমলেরও আগে নির্মিত। এটি প্রায় ১৫০০ থেকে ১৬০০ শতকে নির্মাণ হতে পারে। অনেকের মতে দিল্লীর সুলতান ফিরোজ শাহ’র শাসন আমলে তার কমান্ডার খান গাজী ও হযরত শাহ জালালসহ ৩৬০ জন আউলিয়া সিলেটের শাসক গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করে সিলেট জয় করে। পরে পুত্র হযরত শাহ জালাল (রহঃ) সিলেট থেকে ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন ও ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করে। ঐ সময়েও নির্মাণ হতে পারে এই মসজিদটি। এ মসজিদ নিয়ে রয়েছে নানা রূপকথা ও অলৌকিক কাহিনি। এলাকার সবার কাছে এটি গায়েবি ও এক কাতার মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটির আকর্ষণ হচ্ছে বিশেষ ডিজা