ধর্ম

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বা তার নামে কোরবানি করা যাবে কিনা?

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বা তার নামে কোরবানি করা যাবে কিনা?

ধর্ম
মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী, মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী করা জায়েয। মৃত ব্যক্তি যদি ওসিয়ত না করে থাকে তবে সেটি নফল কুরবানী হিসেবে গণ্য হবে। কুরবানীর স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে এবং আত্মীয়-স্বজনকেও দিতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কুরবানীর ওসিয়ত করে গিয়ে থাকে তবে এর গোশত নিজেরা খেতে পারবে না। গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে। [মুসনাদে আহমদ ১/১০৭, হাদীস ৮৪৫, ইলাউস সুনান ১৭/২৬৮, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৬, কাযীখান ৩/৩৫২] মাসআলা : জীবিত ব্যক্তির নামে কুরবানী, যেমনিভাবে মৃতের পক্ষ থেকে ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে কুরবানী করা জায়েয তদ্রূপ জীবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তার ইসালে সওয়াবের জন্য নফল কুরবানী করা জায়েয। এ কুরবানীর গোশত দাতা ও তার পরিবারও খেতে পারবে। . লিখেছেন : মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : মাওলানা মিরাজ রহমান সৌজন্যে : মাসিক আল কাউসার
কোরআনের প্রায় প্রতিটি সুরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ নাজিল হয়েছে যে কারণে!

কোরআনের প্রায় প্রতিটি সুরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ নাজিল হয়েছে যে কারণে!

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ -এর অর্থ পরম করুণাময় অতিশয় দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। সুরা তাওবা ব্যতীত পবিত্র কোরআনে অবতীর্ণ সকল সূরা শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ রয়েছে। কিন্তু কেনো সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম অবতীর্ণ করা হয়েছে- এর কারণ সম্পর্কে হযরত ইমাম আবু হানীফা [রহ] এবং মদিনার অন্যান্য ফোকাহায়ে কেরাম বলেছেন, মূলত ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ সূরায়ে ফাতিহা কিংবা অপর কোনো সূরার অংশ বিশেষ নয় বরং বরকত লাভের উদ্দেশ্যে অথবা দুটি সূরার মাঝে পার্থক্য নির্ণয়ের লক্ষ্যে প্রতিটি সূরা বিসমিল্লাহ দ্বারা শুরু করা হয়েছে। ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’-এর শানে নুজুল বা নাজিলের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস [রা] বলেছেন, রাসুল [সা] ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ অবতীর্ণ হওয়া পর্যন্ত দুটি সূরার মাঝে পার্থক্য বিধান করতে পারতেন না তথা সূরার শুরু-শেষ বুঝ

ঈদুল আযহা-ক্বোরবানি ও আমাদের করণীয় ॥ আতিকুর রহমান নগরী ॥

ধর্ম
ঈদুল আযহা ও ক্বোরবানি এ দুটি ব্যাপার আল্লাহ প্রদত্ত বান্দার জন্য এক স্পেশাল নেয়ামত। আর তা যিলহজ্ব মাসেই পালন করা হয়। তাই প্রথমে সংক্ষিপ্তাকারে এ মাসের ফযিলত দিয়ে আলোচনা শুরু করছি। হাদিসের আলোকে যিলহজ্ব মাসের ফযিলতঃ (১) হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত রাসুলে আকরাম (সা.) বলেছেন, “ইবাদত-বন্দেগির জন্য যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশদিন ব্যতিত আল্লাহর নিকট উত্তম দিন আর নেই”। (২) হযরত যাবের (রা.) হতে বর্ণিত নবিয়ে করিম (সা.) ইরশাদ করেন, “ইবাদতের জন্য আল্লাহর নিকট যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশদিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর নেই”। (৩) অন্য এক হাদিসে আছে রাসুলে মক্ববুল (সা.) বলেন, “আরাফার দিনের রোযা দুইশত বছর রোযা রাখার সমতুল্য আর আশুরার দিনের রোযা এক বছর রোযা রাখার সমতুল্য”। (৪) হযরত ইবনে মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত- আল্লাহপাক দিন সমূহের মধ্যে চারটি, মাসসমূহের মধ্যে চারটি, নারিদের মধ্যে চারজন, সর্বপ্রথমে যারা জান্নাতে প
কোরবানি করার জন্য কেমন পশু উত্তম?

কোরবানি করার জন্য কেমন পশু উত্তম?

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : যদি কেউ গরু, মহিষ বা উট একা কুরবানী দেওয়ার নিয়তে কিনে আর সে ধনী হয় তাহলে ইচ্ছা করলে অন্যকে শরীক করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে একা কুরবানী করাই শ্রেয়। শরীক করলে সে টাকা সদকা করে দেওয়া উত্তম। আর যদি ওই ব্যক্তি এমন গরীব হয়, যার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়, তাহলে সে অন্যকে শরীক করতে পারবে না। মাসআলা : ২২. কুরবানীর উত্তম পশু, কুরবানীর পশু হৃষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম। [মুসনাদে আহমদ ৬/১৩৬, আলমগীরী ৫/৩০০, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৩] মাসআলা : যদি কেউ গরু, মহিষ বা উট একা কুরবানী দেওয়ার নিয়তে কিনে আর সে ধনী হয় তাহলে ইচ্ছা করলে অন্যকে শরীক করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে একা কুরবানী করাই শ্রেয়। শরীক করলে সে টাকা সদকা করে দেওয়া উত্তম। আর যদি ওই ব্যক্তি এমন গরীব হয়, যার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়, তাহলে সে অন্যকে শরীক করতে পারবে না। এমন গরীব ব্যক্তি যদি কাউকে শরীক
গর্ভবতী, খোড়া, রুগ্ন বা বিভিন্ন ক্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কোরবানি করা যাবে কিনা?

গর্ভবতী, খোড়া, রুগ্ন বা বিভিন্ন ক্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কোরবানি করা যাবে কিনা?

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক :  যে পশুর শিং ভেঙ্গে বা ফেটে গেছে , যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে পশুর কুরবানী জায়েয নয়। পক্ষান্তরে যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙ্গে গেছে বা শিং একেবারে উঠেইনি সে পশু কুরবানী করা জায়েয। [জামে তিরমিযী ১/২৭৬, সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১৬, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৪, আলমগীরী ৫/২৯৭] মাসআলা : খোড়া পশুর কুরবানী, যে পশু তিন পায়ে চলে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা ভর করতে পারে না এমন পশুর কুরবানী জায়েয নয়। [জামে তিরমিযী ১/২৭৫, সুনানে আবু দাউদ ৩৮৭, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১৪, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৩, আলমগীরী ৫/২৯৭] মাসআলা : রুগ্ন ও দুর্বল পশুর কুরবানী, এমন শুকনো দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না তা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়। [জামে তিরমিযী ১/২৭৫, আলমগীরী ৫

ঈদুল আযহা ও কুরবানী

ধর্ম
মাও: কাজী মন্জুর আহমদ মীরপুরী : ইসলামের স্থম্ভের মধ্যে ইবাদতে “মালী” যাকাত ও কুরবানী আর ইবাদতে বদনি নামাজ ; এবং হজ্ব হলো বদন বা মাল অর্থাৎ জিছমানী ও মালী বন্দেগী :-দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সপ্তাহে শুক্রবার বারোমাসে বছরে দুই ঈদ এ হলো ২য় স্থম্ভ নামাজের হিসাব আল¬াহর মকবুল বান্দাগণ এর চেয়েও অধিক নফল বন্দেগী হিসেবে “ তাহাজ্জুদ,ইশরাক,চাশত্ আওয়াবীন সহ আরো অনেক নফল নামাজ পড়ে থাকেন। উপরোক্ত নামাজ গুলির মধ্যে দুই ঈদের নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্বাদায়ে ওয়াজিব হিসেবে গন্য। বৎসরে এ দুই ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশেষ রহমত বারাকাত ,সওগাত ও মাগফিরাত নিয়ে আসে বিশেষ করে ঐক্য গঠনের মহা মিলন কেন্দ্র হলো ঈদগাহ :-প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই,একতার এ বন্ধন যেন চুটে না যায় তাই রোজ ৫ বার মুমিনের স্বাক্ষাৎকার আল¬াহর গৃহে তথা মসজিদে গিয়ে আদায় করতে হবে।তার পর সপ্তাহিক ঈদ হিসেবে শুক্রবার আর বৎসরে ২টি মহা জনসমুদ্রের একতার নজির পৃথ
ধর্মবিশ্বাস নিয়ে আশঙ্কায় ফরাসি মুসলিমরা

ধর্মবিশ্বাস নিয়ে আশঙ্কায় ফরাসি মুসলিমরা

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : প্যারিসের অনেক মসজিদের সামনেই এখন পুলিশের কড়া পাহারা। এমনকি যেসব পুরুষ মহিলা সেখানে নামাজ পড়তে আসেন, তাদেরকেও রাখা হচ্ছে নজরদারিতে। তাছাড়া এখন এসব মসজিদে বা নামাজ আদায়ের কক্ষগুলোর ব্যাপারে আরো স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। এই আহবান উঠেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভেতর থেকেই। ফরাসি মুসলিম ধর্ম বিষয়ক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আনওয়া কিবিবেশ বলছেন, এখন ফ্রান্সের মুসলিমরা গভীর পর্যবেক্ষণের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। এসব মসজিদের তহবিল ব্যবস্থাপনা আর ইমাম নিয়োগের বিষয়টি তদারকির জন্য আলাদা একটি ফাউন্ডেশন স্থাপনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তিনি বলছেন, নতুন ফাউন্ডেশন ইমামদের যোগ্যতা আর অতীত যাচাই করে দেখবে, বিশেষ করে তারা কোন মতাদর্শের অনুসারী সেটি যাচাই করবে। তাদের জন্য একটি চার্টার নির্ধারণ করে দেবে, যা একটি খোলামেলা ইসলাম, সহনশীল ইসলাম, এমন ইসলামের জন্য কাজ করবে, যা ফরাসি মূল্যবোধকে সম্মান করতে পা

কোরবানি: ফাযাঈল ও মাসাঈল

ধর্ম
আতিকুর রহমান নগরী কোরবানি মহান পালনকর্তার তরফ থেকে বান্দার জন্য একটি স্পেশাল নেয়ামত। নবী হযরত ইবরাহিম খলিলুল্লাহ আ.’র ত্যাগের মহিমা মাখা উজ্জল নিদর্শন। প্রভুর হুকুম তামিলে প্রিয়পাত্র হিসেবে নিজপুত্র হযরত ইসমাঈল আ.’র গলায় ছুড়ি চালিয়ে বিশ্ববাসিকে তাক লাগিয়ে প্রভু প্রেমের অভুতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় পুত্র ইসমাঈল যাবিহুল্লাহ খেতাবে ভুষিত হলেন। তারই ধারাবাহিকতায় মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর দশ যিলহাজ্ব তারিখে প্রভুর নৈকট্য লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকেন। কোরবানির দিনের ফজিলত ঃ (১) এ দিনের একটি নাম হল ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজ্বের দিন। যে দিনে হাজ্বীগণ তাদের পশু জবেহ করে হজ্বকে পূর্ণ করেন। হাদিসে এসেছে ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল−াহ সা. কোরবানির দিন জিজ্ঞেস করলেন এটা কোন দিন? সাহাবীগণ উত্তর দিলেন এটা ইয়াওমুন নাহার বা কোরবানির দিন। রাসূলে কারীম সা. বললেন, এটা ইয়াওমুল হাজ্জিল
হজে সেলফি: আলেমরা যা বলেন

হজে সেলফি: আলেমরা যা বলেন

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : সেলফি জ্বর এখন সর্বত্রই। এই জ্বরে আক্রান্ত খোদ হজযাত্রীরাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ভরে ওঠে হজযাত্রীদের সেলফিতে। হজের প্রায় প্রত্যেকটি পর্যায়ে তারা সেলফি তুলছেন। এমনকি পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ ও কালো পাথরে চুমু খাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়েও তাদেরকে সেলফি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। হজযাত্রীদের এ ধরনের আচরণকে ভালো চোখে দেখছেন না দেশি-বিদেশি আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদরা।  এ ব্যাপারে আরব নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হজের মতো পুণ্যযাত্রায়ও সেলফি তোলার হার ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কিন্তু আত্মত্যাগ, অহমিকা বর্জন, বিনয় ও নম্রতা শিক্ষা দেয়ার যে হজ সেখানে এ ধরনের কার্যক্রম কতোটুকু গ্রহণযোগ্য তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। ‘হজে সেলফিকে না বলুন’ শীর্ষক এক কলামে হাজিদের এ ধরনের ছবি তোলার কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে বেশ কিছু সৌদি ইসলামি চিন্তাবিদ বলেন, "এ
বন্যা দুর্গতদের মাঝে জাতীয় ইমাম সমাজের ত্রাণ বিতরণ

বন্যা দুর্গতদের মাঝে জাতীয় ইমাম সমাজের ত্রাণ বিতরণ

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশ জামালপুর জেলায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। বুধবার জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়-দুস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রত্যেককে ৫ কেজি চালসহ,ডাল,লবন,পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট,গ্যাস লাইট,খাওয়ার স্যালাইন,শুকনো খাবার ও বিস্কুট দেয়া হয়। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মুফতি রহমতউল্লাহ ইসলামিক নিউজ’কে জানান,প্রায় ১২০০ দুস্থ লোককে এই সব ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার চেয়ারম্যান,টিএনও,দেওয়ানগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ,জাতীয় ইমাম সমাজের আমির মাওলানা আবুল হোসেন,মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাসলিম আহমদসহ ওলামায়ে কেরামগণ। সংগঠনের মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন বলেন,মঙ্গলবার রাত ১১টার সময় ঢাকার চকবাজার থেকে ট্রাকভর্তি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে জামালপুর জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হই এবং সেখানে ভোরে গিয়ে পৌঁছাই।