ধর্ম

বন্যা দুর্গতদের মাঝে জাতীয় ইমাম সমাজের ত্রাণ বিতরণ

বন্যা দুর্গতদের মাঝে জাতীয় ইমাম সমাজের ত্রাণ বিতরণ

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশ জামালপুর জেলায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। বুধবার জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়-দুস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রত্যেককে ৫ কেজি চালসহ,ডাল,লবন,পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট,গ্যাস লাইট,খাওয়ার স্যালাইন,শুকনো খাবার ও বিস্কুট দেয়া হয়। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মুফতি রহমতউল্লাহ ইসলামিক নিউজ’কে জানান,প্রায় ১২০০ দুস্থ লোককে এই সব ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার চেয়ারম্যান,টিএনও,দেওয়ানগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ,জাতীয় ইমাম সমাজের আমির মাওলানা আবুল হোসেন,মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাসলিম আহমদসহ ওলামায়ে কেরামগণ। সংগঠনের মহাসচিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন বলেন,মঙ্গলবার রাত ১১টার সময় ঢাকার চকবাজার থেকে ট্রাকভর্তি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে জামালপুর জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হই এবং সেখানে ভোরে গিয়ে পৌঁছাই।
রোগী দেখতে যাওয়া একটি উত্তম নফল ইবাদত

রোগী দেখতে যাওয়া একটি উত্তম নফল ইবাদত

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখা-শোনার বিষয়টি ইসলামি শরিয়ত অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে যাবে এবং জানাযার অনুসরণ করবে (কাফন-দাফনে অংশগ্রহণ করবে) তাহলে তা তোমাকে আখেরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।’ -আল আদাবুল মুফরাদ একজন মুসলমানের প্রতি অপর মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য (হক) সম্পর্কে যে কয়েকটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর প্রত্যেকটিতে ‘রোগীর পরিচর্যা’র বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।  এ ছাড়াও কিয়ামতের ময়দানে রুগ্ন ব্যক্তির পক্ষে মহান আল্লাহ নিজেই ফরিয়াদি হয়ে আদম সন্তানকে জিজ্ঞেস করবেন, ‘হে আদম সন্তান! আমি রুগ্ন ছিলাম তুমি পরিচর্যা করোনি।’ -মুসলিম অসুস্থ কোনো মুসলমান ভাইয়ের সেবায় নিয়োজিত হতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় মনে করতে হবে। রুগ্ন ব্যক্তির সেবার মাধ্যমে প্রভুর নৈকট্য লাভ করা সহজ। রোগী পরিচর্যার ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছ
চীন থেকে সাইকেল চালিয়ে হজে

চীন থেকে সাইকেল চালিয়ে হজে

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সাইকেল চালিয়ে সৌদি আরবের তায়েফ পৌঁছেছেন এক চীনা মুসলিম। চীনের জিংজিয়াংয়ের অধিবাসী এই মুসলমানের নাম মুহাম্মদ। চীন থেকে সাইকেল চালিয়ে সৌদি পৌঁছতে তাকে ৮ হাজার ১৫০ কিলোমিটার ভ্রমণ করতে হয়েছে। খবর গালফ নিউজের। মুহাম্মদের এ অসাধ্য সাধনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তার সতীর্থরা। তায়েফে পৌঁছার পর সেখানকার স্থানীয় সাইক্লিং ক্লাব তাকে স্বাগত জানায়। মুহাম্মদ বলেন, হজ করার ইচ্ছা ছিলো ছোটবেলা থেকেই। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করা ও রওজায় পৌঁছে রাসূলকে সালাম করার শখ থাকলেও আমার আর্থিক সঙ্গতি নেই। সেজন্য বাইসাইকেলে হজ করার সিদ্ধান্ত নিই। অবশেষে আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে সফল হয়েছি। এজন্য তার দরবারে অসংখ্য শুকরিয়া জানাই। ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও হজ পালনের জন্য সাইকেল চালিয়ে মুহাম্মদ চীন থেকে রওনা দিয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান ও ইরাক হয়ে সৌদি আরব

হজ্ব: মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম

ধর্ম
॥ আতিকুর রহমান নগরী ॥ হাদিস শরিফে সমস্ত মুসলিম উম্মাহকে একটি দেহের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কারণ এই জাতি সব বিবাধ ভুলে গিয়ে দলমত-জাতিবর্ণ নির্বিশেষে মহান প্রভুর কুদরতি পায়ে মাথা অবনত করে সেজদায় ইবাদতে মগ্ন হয়। প্রত্যেক ধর্মেরই কিছু নির্দ্দিষ্ট আচার-অনুষ্টান আছে যার দ্বারা সেই ধর্মের অনুসারিগণ এক স্থানে সমবেত হন। একে অন্যের সাথে সাক্ষাত হয়। কিন্তু পৃথিবীর সব ধর্মের চেয়ে ইসলাম ধর্ম তার অনুসারিদের একত্রিকরনের জন্য রেখেছে ব্যতিক্রম ব্যবস্থা। হজ্ব হচ্ছে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা আর্থিক ও শারিরিক ইবাদতও বটে। হজ্বের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ইচ্ছা করা, সংকল্প করা। শরিয়তের পরিভাষায় হজ্বের মাস সমূহে বিশেষ কিছু কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে নির্দ্দিষ্ট কিছু স্থানের যিয়ারত করাকে হজ্ব বলে। হজ্বের মাসসমূহ:- শাওয়াল, যিলক্বাদাহ ও যিলহাজ্জার দশ দিন। বিশুদ্ধ বর্ণনা মতে হজ্ব যখন ওয়াজিব হয় তখনই পালন করা এবং এক
স্বকীয়তা রক্ষা করে কওমি সনদের স্বীকৃতি দাবি

স্বকীয়তা রক্ষা করে কওমি সনদের স্বীকৃতি দাবি

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : ইসলামের আলোকে শিক্ষানীতি সংশোধন ও অনতিবিলম্বে কওমি শিক্ষাসনদের স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন কওমি শিক্ষাসনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক মুফতি আবুল কাসেম। বুধবার দুপুরে রাজধানীর চৌধুরীপাড়ায় আলেমদের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ও জাতীয় শিক্ষা আইন ২০১৬ (খসড়া) এর সব অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা অসঙ্গতিপূর্ণ শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। এ বিষয়ে সবাইকে আন্দোলনের মাধ্যমে সব অসঙ্গতি দূর করতে সরকারকে বাধ্য করতে হবে। বিদ্যমান পাঠ্যপুস্তকে অসঙ্গতি কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যৎ আদর্শ মানুষ গঠনে পাঠক্রমের এসব অসঙ্গতি দূর করা জরুরি।  সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। ‘স্বীকৃতি আর শিক্ষানীতি এক জিনিস নয়’ দাবি করে মুফতি আবুল কাসেম বলেন, ‘আমরা শিক্ষাসনদের মান নিতে চাই। শতভাগ স্বকীয়তা বজায় রেখেই
জামাতে রাকাত ছুটে গেলে

জামাতে রাকাত ছুটে গেলে

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : জামাতে বা একাকি নামাজ আদায়ে আমাদের প্রায়ই ভুল হয়। নামাজের শুরুতেই অংশগ্রহণ করতে না পারলে রুকু, সেজদা বা তাশাহহুদে এসে হাজির হয়ে বিব্র্র্র্রতকর অবস্থায় পড়তে দেখা যায় অনেককে। ছোট্ট কিছু নিয়ম জানলে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচা খুব সহজ। নামাজের শুরুতে ইমামের সঙ্গে ছিল না, এক বা একাধিক রাকাত আদায়ের পর এসে সম্পৃক্ত হয়েছে এমন মুসল্লিকে ‘মাসবুক’ বলে। জামাত শুরু হয়ে ঈমাম কেরাত পড়া শুরু করেছেন এ সময় আগত মুসল্লি নিয়ত করে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে জামাতে শরিক হবেন। ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের ক্ষেত্রে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন। জোহর ও আসরের নামাজের ক্ষেত্রে কেবল ‘সানা’ (সুবহানাকাল্লাহুম্মা...) পড়বেন এবং ইমামের আনুগত্য করবেন। ইমাম রুকুতে থাকাকালীন আগত মুসল্লি সোজা দাঁড়িয়ে নিয়ত করে আল্লাহু আকবর বলে নামাজে সম্পৃক্ত হবেন এবং আরেকটি তাকবির (আল্লাহু আকবর) বলে দ্রুত রুকুতে চলে যাবেন। তবে রুকুতে যেত
মাসাঈলে হজ্ব

মাসাঈলে হজ্ব

ধর্ম
॥ আতিকুর রহমান নগরী ॥ হজ্ব ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা আর্থিক ও শারিরিক ইবাদতও বটে। হজ্বের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ইচ্ছা করা, সংকল্প করা। শরিয়তের পরিভাষায় হজ্বের মাস সমূহে বিশেষ কিছু কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে নির্দ্দিষ্ট কিছু স্থানের যিয়ারত করাকে হজ্ব বলে। হজ্বের মাসসমূহঃ- শাওয়াল, যিলক্বাদাহ ও যিলহাজ্জার দশ দিন। বিশুদ্ধ বর্ণনা মতে হজ্ব যখন ওয়াজিব হয় তখনই পালন করা এবং একবারই পালন করা ফরয। হজ্ব ফরয হওয়ার শর্ত আটটিঃ (১) মুসলমান হওয়া (২) জ্ঞান সম্পন্ন হওয়া (৩) বালেগ হওয়া (৪) স্বাধিন হওয়া (৫) হজ্বের সময় হওয়া (৬) মধ্যম ধরনের ব্যয় হিসেবে সফরের ব্যয় বহনের সামর্থ থাকা, যদি হজ্ব পালনকারি মআ শরিফে অবস্থান করে তবুও (৭) যারা মক্কা শরিফের বাহিরে থাকেন তাদের জন্য হজ্ব পালনের শর্ত হল মালিকানা বা ভাড়া সূত্রে স্বতন্ত্রভাবে একটি বাহন বা অন্যকিছু ব্যবহারের সামর্থ থাকা যেমনঃ আমাদের দেশের হাজ্বিগণ বিমান ব্য
নবীর কদম মোবারকের স্পর্শে ধন্য মদিনার মাটিতে রয়েছে অজস্র বরকত

নবীর কদম মোবারকের স্পর্শে ধন্য মদিনার মাটিতে রয়েছে অজস্র বরকত

ধর্ম
ইসলাম ডেস্ক : আল্লাহতায়ালা বিপুল অনন্যতায় উদ্ভাসিত করেছেন মক্কা-মদিনাকে। তাই সেখানকার মাটি প্রতি মূহুর্ত মুমিন-মুসলমানকে আকর্ষণ করে। যে ব্যক্তি নিজ চোখে দেখেছে প্রাণের শহর মক্কা-মদিনা, সে বড়ই সৌভাগ্যবান। কারণ, আল্লাহর ঘর এবং তার প্রিয় রাসূলের রওজা দর্শনের চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি হতে পারে না মুমিনের জীবনে। এ ছাড়াও সেখানে রয়েছে আল্লাহর কুদরতের বহু নিদর্শন। প্রতি মূহুর্তে তথায় বর্ষিত হয় রহমত, বরকতের ফল্গুধারা। পাপের বিশাল বোঝা নিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিও সেখান থেকে ফিরে আসে গোনাহমুক্ত নিষ্পাপ জীবন নিয়ে। তাই সর্বযুগের মানুষের কাছে মক্কা-মদিনা সম্মানিত এবং ভালোবাসার প্রাণকেন্দ্র। মক্কার মসজিদুল হারাম বিশ্বের তাবৎ মসজিদ থেকে শ্রেষ্ঠতম। সেখানে এক ওয়াক্ত নামাজ সওয়াবের দিক থেকে এক লক্ষ নামাজের সমতুল্য। এ মসজিদের পাশেই রয়েছে জমজম কূপ। যার পানি এক জীবন্ত মোজেজা। এ পানি সম্পর্কে প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ কর
পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক  ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।

পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।

ধর্ম
বিশ্বজিৎ সাহা, নরসিংদী ঃ আজ ১৫ আগস্ট, পবিত্র কোর-আন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের ১০৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। খ্যাতিমান এই ব্যক্তিটি জন্মেছিলেন নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামে। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের শেষ স্মৃতি চিহ্নটিও ধংস হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছিল। অবশেষে বিখ্যাত এই ব্যাক্তির স্মৃতি রক্ষায় এগিয়ে এসেছে ভারত সরকার। জেলা প্রশাসন ও ঐতিহ্য অন্বেষণ যৌথ উদ্যেগে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়িটি সংরক্ষণের পাশাপাশি জাদুঘর হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে। চলছে শেষ মুহুর্ত্তের কাজ। জানা যায়, মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের প্রথম সার্থক বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেন। ইংরেজি ১৮৩৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে নরসিংদীর সদর উপজেলার পাঁচদোনা গ্রামে তিনি জন্ম নেন। ১৯১০ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকায় তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন একজন সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ। ব্রাক্ষ ধর্ম প্রচারক হিসেবে ‘ভাই’ খেতাবে ভূষি
আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ.)’র কর্মময় জীবন সবার জন্য অনুস্মরণীয়

আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ.)’র কর্মময় জীবন সবার জন্য অনুস্মরণীয়

ডেস্ক নিউজ:নগরীর রায়নগর দর্জিপাড়াস্থ শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ায় বাংলাদেশের প্রবীণ আলেম, মাসিক মদীনা সম্পাদক আল্লামা মুহি উদ্দিন খান (রাহ)’র স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন বাংলাদেশ সহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সংশোধনে জন্য তার লিখনী খিদমাত ছিল প্রশংসনীয়। মাওলানা মুহি উদ্দিন খান সমাজের সর্বস্থরের মানুষকে সকল মতবেদ ভুলিয়ে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আমরণ সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন কলমের। তাঁর জীবনী সমাজের সকল মানুষের জন্য অনুকরণীয়। শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসিমির সভাপতিত্বে ও মাওলানা ফয়েজ উদ্দিনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহি উদ্দিন খানের বড় ছেলে, সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানের সম্পাদক মোস্তফা মঈন উদ্দীন খান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসিক মদীনা সম্পাদক ড. আহমদ বদর উদ্দিন খান, মতুর্জা বশির উদ্দিন খান, মাওলানা মুহি উদ্