ধর্ম

ঈদুল ফিতর : সর্বজনীন জাতীয় উৎসব

ঈদুল ফিতর : সর্বজনীন জাতীয় উৎসব

ঈদ শব্দের অর্থ ফিরে আসা, আনন্দ, খুশি, উৎসব প্রভৃতি। যে খুশির দিনটি মানুষের মাঝে বার বার ফিরে আসে তাই ঈদ। এবারের ঈদুল ফিতর দেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মানবতার বিপর্যস্ত মুহুর্তে শান্তি ও কল্যাণের ¯্রােতে একাতœ হবার আহ্বানে ফিরে এসেছে। ঈদুল ফিতর ডাক দেয় ঘুরে দাঁড়াবার, সত্য ও সুন্দরের পক্ষে গণজাগরণের বার্তা নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল ফিতর। পুরো একটি মাসের সংযম পালন, ইন্দ্রিয়বৃত্তি নিয়ন্ত্রণ, কলুষ, অন্যায়, মিথ্যা, অবিচার থেকে পরিশুদ্ধ হৃদয়বৃত্তির পথে প্রত্যাবর্তনের সাধনার পর এসেছে ঈদ। আজকাল একশ্রেণির নামি মুসলমান বিশ্ব মানবতার পরিশুদ্ধ নিদর্শন মাহে ‘রমজান’ নিয়েও প্রতারণা করে থাকে। কখনো নিজের সাথে, প্রতিবেশি বা পরিচিতের সাথে কিংবা ক্ষদ্রাতি ক্ষদ্র স্বার্থে দেশ বা জাতির সাথেও। ওই শ্রেণির মুসলমানরা ‘রোজা’ রাখার নামে দিনভর ‘উপোষ’ করে। সুযোগ বুঝে পানাহার করে, সংযমের বদলে ইন্দ্রিয়বৃত্তির চর্চা করে, প্রত
জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি!

জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন নবীজি!

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট :সালাতুল তাসবিহ নামায পড়লে পূর্বের গুনাহ বা পাপ মোচন হয় এবং অসীম সওয়াব পাওয়া যাবে। রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামায পড়লে আল্লাহ আপনার আউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন। তিনি বলেন, চাচা জান ! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামায পড়বেন। যদি দৈনিক না পারেন, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন। যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারা জীবনে একবার হলেও এই নামায পড়বেন। সালাতুল তাসবিহ নামাজের নিয়মঃ চার রকাত। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, যে কোন সূরা পড়তে পারেন। তবে এই নামাযে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে, চার রকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহ পড়তে হবে। তাসবীহঃ سُبْحاَنَ الله وَال
আজ পবিত্র জুমআতুল বিদা

আজ পবিত্র জুমআতুল বিদা

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমআ আদায়ের মাধ্যমে আমরা রমজান মাসকে বিদায় জানানো দ্বার প্রান্তে। এ রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত বরকত মাগফিরাত ও নাজাত তথা সিয়াম, কিয়াম ও তাকওয়ার উপহার নিয়ে এসেছিল। এখন ভেবে দেখার বিষয় যে, রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা আমরা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি। এ মাসে আমরা তিনটি জুমআ অতিবাহিত করে আজ রমজানের সর্বশেষ জুমআকে বিদায় জানানোর দ্বার প্রান্তে। জুমআতুল বিদার শিক্ষা হোক কুরআন নাজিলের মাসে কুরআনকে হৃদয়ে ধারণ করে আমলি জিন্দেগি গঠনের। যেহেতু রমজান এবং জুমআ উভয়টিই গুরুত্বপূর্ণ, তাই যথাযথ মর্যাদায় তা পালন করা জরুরি। জুমাআতুল বিদা জুমাআতুল বিদা বলা হয় পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমআকে। এমনিতেই জুমআ`র দিনটি সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে অধিক ফজিলতের দিন। তারপর আবার রমজানের শেষ দশকের মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যাধিক। তাই রমজানের শেষ জুমআর ফজিলত বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। তাছা
২ জুলাই দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর

২ জুলাই দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী ২ জুলাই শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর। এই রাত হাজার রাতের চেয়েও পূণ্যময় রাত। শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে পবিত্র শবে কদর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়। পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে শনিবার দুপুর দুইটায় (বাদ জোহর) ‘পবিত্র শবেকদরের গুরুত্ব ও তাত্পর্য’ শিরোনামে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ করবেন ঢাকার মদীনাতুল উলুম কালিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক। এছাড়া একই দিনে তারাবীহ নামাজের পর রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ‘পবিত্র শবেকদরের ফজিলত ও করণীয়’ শিরোনামে ওয়াজ, মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।-বাসস।
মাগফিরাতের প্রথম দিনে এই দোয়াটি পাঠ করলে জাহান্নামের শাস্তি হারাম হয়ে যায়

মাগফিরাতের প্রথম দিনে এই দোয়াটি পাঠ করলে জাহান্নামের শাস্তি হারাম হয়ে যায়

ধর্ম
আজ পবিত্র রমজান মাসের দ্বিতীয় দশক তথা মাগফিরাতের প্রথম দিন। গতকালই ছিল রমজানের প্রথম দশক তথা রহমতের শেষ দিন। বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই ১০ দিনে মহান আল্লাহর কাছে রহমত চেয়েছেন। আর আজ থেকে মাগফিরাত চাইবেন তারা। জাহান্নামের কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে পানা চাইবেন তারা। ১১তম রমজানের দোয়া: اَللّـهُمَّ حَبِّبْ اِلَيَّ فيهِ الاِْحْسانَ، وَكَرِّهْ اِلَيَّ فيهِ الْفُسُوقَ وَالْعِصْيانَ، وَحَرِّمْ عَلَيَّ فيهِ السَّخَطَ وَالنّيرانَ بِعَوْنِكَ يا غِياثَ الْمُسْتَغيثينَ . অর্থ: হে আল্লাহ! এ দিনে সৎ কাজকে আমার কাছে প্রিয় করে দাও আর অন্যায় ও নাফরমানীকে অপছন্দনীয় কর। তোমার অনুগ্রহের উসিলায় আমার জন্য তোমার ক্রোধ ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হারাম করে দাও। হে আবেদনকারীদের আবেদন শ্রবণকারী। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। এই রমজানে বিশ্বের সকল
গৃহিণীদের কাজে সহযোগিতা করাও ইবাদত

গৃহিণীদের কাজে সহযোগিতা করাও ইবাদত

ধর্ম
পরিবারের নারীদেরকে এই সামান্য সহযোগিতাও ইবাদত। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা একটি স্বতন্ত্র ও অনেক বড় নেক আমল। আর মাহে রমজানে তো যে কোনো নেক আমলের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অন্য মাসের চেয়ে বেশি। এই মর্মে কোরআন বলছে, “তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে। গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করবে না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহর শাস্তি খুবই কঠিন।”(সূরা মায়েদা, আয়াত ২) রমজানে দুপুরের সময়টা খুবই ক্লান্তির সময়। এসময় বড় ধরনের কাজ না থাকলে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা একটু আরাম করে থাকেন। নিয়মিত যাদের অফিস করতে হয় তাদের কথা ভিন্ন। কিন্তু এসময়টাতেই নারীদের সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা। ইফতারির আয়োজন থেকে নিয়ে ঘরবাড়ি পরিস্কার করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ গৃহিণীকেই দেখতে হয়। রোজার দীর্ঘ উপবাসের কারণে শারীরিক অবসাদ ও ক্লান্তিবোধ পুরুষের যেমন হয় নারীদেরও হয়। এসময় নারীরা অন্যের একটু সাহায্য-সহযোগিতা ও
আজ ইরানে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কুরআন উন্মোচন হবে

আজ ইরানে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কুরআন উন্মোচন হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর হাসান রুহানি আজ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্পে তৈরি পবিত্র কুরআনের সংস্করণটি উন্মোচন করবেন। আগামীকাল সোমবার তেহরানে ২৪ তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রদর্শনীতে এই কুরআন প্রদর্শন করা হবে। এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা মেহেরদাদ জান ফাজা জানিয়েছেন, ইরানি শিল্পীদের আকর্ষণীয় ক্যালিগ্রাফি বা শৈল্পিক লিপি ও নক্সা থাকার কারণেই এই কুরআন বিশ্ব ইতিহাসে কুরআনের এক অনন্য ও সবচেয়ে ব্যয়বহুল সংস্করণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি জানান, কুরআনের কপি তৈরির এই প্রকল্প সম্পন্ন করতে ১৮ বছর লেগেছে এবং এতে খরচ হয়েছে ৬০ বিলিয়ন রিয়াল বা ১৭ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের অর্থ (সাড়ে ১৩ কোটি টাকা)। কুরআনের এই অমূল্য সংস্করণটি তৈরির খরচ যুগিয়ে জানা-ফাজা’র পরিবার। এই কুরআনের প্রদর্শনীর আয় থেকে অর্জিত অর্থ দাতব্য খাতে এবং ইস্পাহানের একটি ইয়াতিমখানা নির্মাণের কাজে ব্যয় কর
সেহেরি ও ইফতারের ফজিলত

সেহেরি ও ইফতারের ফজিলত

হালাল দ্রব্য দ্বারা নির্দিষ্ট সময়মতো ইফতার করা মহা সওয়াবের কাজ। এ সময় মহান মাবুদের দরবারে রোজাদার ব্যক্তির দোয়া-ফরিয়াদ কবুল হয়। নিজে একাকী ইফতার করায় যেমন সওয়াব রয়েছে তেমনি অন্যদের ইফতার করানোতে আরো বেশি ফজিলত ও পুণ্য রয়েছে। রোজা শব্দটি ফার্সি ও উর্দু ভাষায় ব্যবহার হয়। রোজার আরবী পরিভাষা হলো সাওম। সাওম শব্দের অর্থ বিরত থাকা বা বিরত রাখা। মাহে রমজানুল মোবারকের সঙ্গে যে দুটো বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত তার একটি হলো সেহেরি, দ্বিতীয়টি হলো ইফতার। এখানে এ দুই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো। সেহেরি : সেহেরি আরবি শব্দ। অর্থ শেষ রাত, দিবসের পূর্ব মুহূর্তে, দিনের প্রথমাংশসহ ইত্যাদি। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় মাহে রমজানের রোজা রাখার নিয়তে শেষ রাত বা সুবেহ সাদিকের পূর্ব মুহূর্তের পানাহারকে সেহেরি বলে। সেহেরি খাওয়া সুন্নাত এবং উত্তম কাজ। মহানবী হজরত (সা.) বলেন, ‘হে আমার উম্মতগণ! তোমরা সেহেরি খাবে। কে
কোন দেশে কত ঘণ্টা রোজা

কোন দেশে কত ঘণ্টা রোজা

ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বব্যাপি পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। কিন্তু সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের মধ্যে ব্যবধানের কারণে বিভিন্ন দেশে রোজা পালনে সময়ের তারতম্য রয়েছে। সারাবিশ্বে কোন দেশ কত ঘণ্টা রোজা পালন করছে তার একটি চিত্র তুলে ধরেছে আরব আমিরাতের জাতীয় দৈনিক খালিজ টাইমস। এতে বলা হয়েছে, সবচেয়ে দীর্ঘসময় রোজা পালন করতে হচ্ছে সুইডেন ও ডেনমার্কের মুসলিমদেরকে। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম সময় রোজা পালন করছেন আজেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়ার মুসিলমরা। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক; কোন দেশের মুসলিমরা কত ঘণ্টা রোজা পালন করছেন... ডেনমার্ক : এই দেশের মুসলিমরা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে রোজা পালন করছেন। সেহরি খাওয়ার পর থেকে ইফতার পর্যন্ত মোট ২১ ঘণ্টা রোজা পালন করছেন দেশটিতে থাকা মুসলিমরা। আইসল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়ে : এই তিন দেশের মুসলিমদেরকে ২০ রোজা পালন করতে হচ্ছে। নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়াম : এই দুই দেশে সাড়ে ১৮ ঘণ্টা র
জেনে নিন যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

জেনে নিন যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

ধর্ম
►    যদি এমন অসুস্থ হয়ে পড়ে যে রোজা রাখার শক্তি নেই বা রোজা রাখার দ্বারা অসুস্থতা বেড়ে যাবে, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে হ্যাঁ, যখনই সুস্থ হয়ে যাবে, তখনই তার ওপর রোজা কাজা করে নেওয়া ওয়াজিব। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০২) ►     যে ব্যক্তি এমন দুর্বল হয়ে যায় যে রোজা রাখার শক্তি নেই। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০৩) ►    এমন ক্ষুধা বা পিপাসা লাগে যে প্রাণ চলে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭) ►     গর্ভধারিণী বা স্তন্যদানকারিণী মহিলা যদি নিজের অথবা নিজের বাচ্চার প্রাণপাতের আশঙ্কা করেন, তাহলে তাঁর জন্য রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ আছে। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭) ►     রোজা থাকার কারণে যদি জীবনযাপনের সামগ্রী উপার্জন করতে দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে তার জন্য রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি রয়েছে। তবে তা পরে কাজা করে নিতে হবে। তা-ও সম্ভব না হলে ফিদিয়া আদায় করবে এবং প্রতি র