ধর্ম

কোন দেশে কত ঘণ্টা রোজা

কোন দেশে কত ঘণ্টা রোজা

ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বব্যাপি পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। কিন্তু সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের মধ্যে ব্যবধানের কারণে বিভিন্ন দেশে রোজা পালনে সময়ের তারতম্য রয়েছে। সারাবিশ্বে কোন দেশ কত ঘণ্টা রোজা পালন করছে তার একটি চিত্র তুলে ধরেছে আরব আমিরাতের জাতীয় দৈনিক খালিজ টাইমস। এতে বলা হয়েছে, সবচেয়ে দীর্ঘসময় রোজা পালন করতে হচ্ছে সুইডেন ও ডেনমার্কের মুসলিমদেরকে। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম সময় রোজা পালন করছেন আজেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়ার মুসিলমরা। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক; কোন দেশের মুসলিমরা কত ঘণ্টা রোজা পালন করছেন... ডেনমার্ক : এই দেশের মুসলিমরা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে রোজা পালন করছেন। সেহরি খাওয়ার পর থেকে ইফতার পর্যন্ত মোট ২১ ঘণ্টা রোজা পালন করছেন দেশটিতে থাকা মুসলিমরা। আইসল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়ে : এই তিন দেশের মুসলিমদেরকে ২০ রোজা পালন করতে হচ্ছে। নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়াম : এই দুই দেশে সাড়ে ১৮ ঘণ্টা র
জেনে নিন যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

জেনে নিন যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

ধর্ম
►    যদি এমন অসুস্থ হয়ে পড়ে যে রোজা রাখার শক্তি নেই বা রোজা রাখার দ্বারা অসুস্থতা বেড়ে যাবে, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে হ্যাঁ, যখনই সুস্থ হয়ে যাবে, তখনই তার ওপর রোজা কাজা করে নেওয়া ওয়াজিব। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০২) ►     যে ব্যক্তি এমন দুর্বল হয়ে যায় যে রোজা রাখার শক্তি নেই। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০৩) ►    এমন ক্ষুধা বা পিপাসা লাগে যে প্রাণ চলে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭) ►     গর্ভধারিণী বা স্তন্যদানকারিণী মহিলা যদি নিজের অথবা নিজের বাচ্চার প্রাণপাতের আশঙ্কা করেন, তাহলে তাঁর জন্য রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ আছে। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭) ►     রোজা থাকার কারণে যদি জীবনযাপনের সামগ্রী উপার্জন করতে দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে তার জন্য রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি রয়েছে। তবে তা পরে কাজা করে নিতে হবে। তা-ও সম্ভব না হলে ফিদিয়া আদায় করবে এবং প্রতি র
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

ধর্ম
ডেস্ক রিপোর্ট : ‘চাঁদ দেখে রোজা রাখ; চাঁদ দেখে রোজা খোল’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদিসের আলোকে রোজা রাখা মানে হলো ভোর রাতে সেহরি খাওয়া এবং খোলা মানে হলো সুর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে সেহরি ও ইফতার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
তারাবিহ নামাজ : যেভাবে পড়বেন

তারাবিহ নামাজ : যেভাবে পড়বেন

ধর্ম
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহা অনুগ্রহের মাস। এ মাসের মর্যাদা অন্য মাসের তুলনায় অধিক। এ মাসের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত হলো তারাবিহ নামাজ। রমজান মাসে বিভিন্ন মসজিদে মহল্লায় তারাবিহ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরিলক্ষিত হয় যে, যে মসজিদে তারাবিহ নামাজ তাড়াতাড়ি হয়, অনেক মুসল্লি সে মসজিদ খুঁজে বের করে সেখানে গিয়েই নামাজ আদায় করে। অথচ তারাবিহ নামাজ ধীর স্থিরভাবে আদায় করাই নিয়ম। প্রতিযোগিতা করে তারাবিহ নামাজ আদায় করা সুন্নাতি নিয়মের পরিপন্থী। তাই আসুন, তারাবিহ নামাজ তাড়াতাড়ি না ধীরস্থির হবে তা জেনে নিই- তারাবিহ তারাবিহ শব্দের অর্থ বিশ্রাম করা। প্রতি চার রাকাআত নামাজ শেষ করে যাতে একটু বিশ্রাম গ্রহণ করা যায় তাই একে তারাবিহ বলা হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তারাবিহ ছিল অতি দীর্ঘ। এমনকি কিয়াম, রুকু, সিজদা সবাই ছিল খুব লম্বা ও ধীরস্থির। হাদিসে এসেছে- হজরত সাঈর ইবনে ইয়াযিদ রাদি
আজ সোমবার হতে, সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

আজ সোমবার হতে, সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট :  সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রমজান মাস শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। রোববার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে পবিত্র রমজানের রোজা শুরু হয়। আগামীকাল সোমবারই দেশের চাঁদদেখা কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক থেকেই রমজান মাসের শুরুর দিন তারিখ ঘোষণা করা হবে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে নিচের টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্
সোমবার চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার রোজা

সোমবার চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার রোজা

ধর্ম
রমজানের রোজা কবে থেকে শুরু হবে তা নিশ্চিত হবে আগামীকাল। বাংলাদেশের আকাশ সীমার কোথাও আগামীকাল (সোমবার) চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার থেকে যথাযোগ্য মর্যাদার মাধ্যমে পবিত্র রমজানের রোজা শুরু হবে। এবং সোমবার রাত থেকে তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে। এ উপলক্ষে আগামী কাল সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররামে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চাঁদ দেখা পর্যালোচনা বৈঠক বসবে। আগামীকাল (সোমবার) চাঁদ দেখা না গেলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। পরদিন বুধবার পবিত্র রমজানের রোজা শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে আর চাঁদ দেখার আবশ্যকীয়তা থাকবে না। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের জন্য আবশ্যকীয় হলো- আগামীকাল থেকেই পবিত্র রমজানকে বরণ করে নিতে এবং তারাবিহ নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র রমজানের রোজা, তারাবিহ, ইবাদাত-বন্দেগি যথাযথ পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
যে পাহাড়ের পাথর দিয়ে বাইতুল্লাহ নির্মিত

যে পাহাড়ের পাথর দিয়ে বাইতুল্লাহ নির্মিত

ধর্ম
সমগ্র মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের স্পন্দন, নিরাপদ ও শান্তির সম্মিলনস্থল বাইতুল্লাহ নির্মাণ করে হজরত ইবরাহিম ও হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম। কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, একটি মেঘখণ্ড বাইতুল্লাহ`র স্থানে ছায়া ফেলে; হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম সে ছায়ার পরিমাপ মোতাবেক কা`বা নির্মাণ করেন। এ কা`বা নির্মাণে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম কোন কোন পাহাড়ের পাথর ব্যবহার করেছেন, তার একটি বর্ণনা তুলে হলো- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ বলেন, ‌হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম পাঁচটি পাহাড়ের পাথর দিয়ে বাইতুল্লাহ নির্মাণ করেছেন- ১. তুরে সাইনা; যে পাহাড়ে আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে কথা বলেন। ২. তুরে যীতা; ৩. লুবনান (সিরিয়ার একটি পাহাড়); ৪. জুদী (এটি আরব উপদ্বীপের একটি পাহাড়) এবং ৫. হিরা পাহাড়ের পাথর দিয়ে ভিত্তি স্থাপন করেন। হিরা মক্কার একটি পাহাড়। আল্লাহ তাআলা মর্যাদাপূর্ণ পাঁচটি পাহাড়ের পাথর দিয়েই মুস
মহানবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত, আমরা ঘুমালে আমাদের আত্মা কী করে ?

মহানবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত, আমরা ঘুমালে আমাদের আত্মা কী করে ?

জীবনের প্রয়োজনে, ধর্ম
রাসুল সা: এর জলিলুল কদর সাহবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা: বলেছেন, মানুষ যখন ঘুমায়, তখন তার আত্মা ঊর্ধ্ব আকাশে চলে যায়। অতঃপর তাকে মাহান আল্লাহর আরশের কাছে সিজদা করার নির্দেশ দেয়া হয়। যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার আত্মা আল্লাহর আরশের কাছেই সিজদা করে। আর যে ব্যক্তি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমায়, তার আত্মা আরশ থেকে দূরে সিজদা করে। (বায়হাকী, হাদিসটিিইমাম বুখারী তাঁর আত- তারীখুল কাবীর’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন)। মহানবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় ঘুমায় তার মাথার কাছে একজনফেরেশতা রাতযাপন করে এবং ঐ ব্যক্তি জাগ্রত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। ফেরেশতা বলতে থাকে, “হে আল্লাহ! তুমি তোমার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দাও। কেননা সে পবিত্র অবস্থায় রাতযাপন করছে। (তাবরানী ও বায়হাকী।) 
কেয়ামতের আগে যে ৩টি ঘটনা ঘটবে !

কেয়ামতের আগে যে ৩টি ঘটনা ঘটবে !

ভূমিধস অর্থ হচ্ছে যমিনের কোন অংশ নিচে চলে গিয়ে বিলীন হয়ে যাওয়া। যেমন আল্লাহ বলেন, فَخَسَفْنَا بِهِ وَبِدَارِهِ الْأَرْضَ অতঃপর আমি কারূনকে ও তার প্রাসাদকে ভূগর্ভে প্রোথিত করলামমুমিন। (সূরা কাসাস : ৮১) কিয়ামতের পূর্বে তিনটি স্থানে বিশাল আকারের ভূমিধস হবে। এগুলো হবে কিয়ামতের বড় আলামতের অন্তর্ভূক্ত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, لَنْ تَقُومَ حَتَّى تَرَوْنَ قَبْلَهَا عَشْرَ آيَاتٍ فَذَكَرَمِنْهَا وَثَلَاثَةَ خُسُوفٍ: خَسْفٌ بِالْمَشْرِقِ وَخَسْفٌ بِالْمَغْرِبِ وَخَسْفٌ بِجَزِيرَةِ الْعَرَبِ “দশটি আলামত প্রকাশ হওয়ার পূর্বে কিয়ামত সংঘটিত হবেনা। তার মধ্যে থেকে তিনটি ভূমি ধসের কথা উল্লেখ করলেন। একটি হবে পূর্বাঞ্চলে, একটি হবে পশ্চিমাঞ্চলে এবং আরেকটি হবে আরব উপদ্বীপে। [মুসলিম, অধ্যায় : কিতাবুল ফিতান] উম্মে সালামা [রা.] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়