Fri. Aug 23rd, 2019

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

Rohingyas tell Myanmar they refuse to return without recognition

2 min read

Rohingya refugees in Bangladesh refuse to return to Myanmar unless they are recognised as an ethnic group in their home country, leaders told visiting Myanmar officials on Sunday as fresh repatriation talks started.

 

A campaign by Myanmar’s military in response to insurgent attacks in 2017 drove 730,000 Rohingya Muslims to flee to Bangladesh’s southeastern border district of Cox’s Bazar, where they live in squalid camps, fearing further persecution if they return.

 

UN investigators have said Myanmar’s operation included mass killings, gang rapes and arson and was executed with “genocidal intent”. Myanmar denies the charge.

 

This is the second time Myanmar officials have visited the camps in Cox’s Bazar in an effort to convince Rohingya refugees to kick-start the repatriation process. In October, Rohingya rejected an offer to go back to their homeland when a Myanmar delegation held talks with leaders of the group.

 

The Myanmar delegation, led by permanent foreign secretary Myint Thu, held talks with 35 Rohingya leaders in Cox’s Bazar on Saturday and Sunday amid tightened security in the camps.

 

Rohingya leaders said they wanted Myanmar to recognise them as an ethnic group with the right to Myanmar citizenship before they return.

 

“We told them we won’t return unless we are recognised as Rohingya in Myanmar,” Dil Mohammed, one of the Rohingya leaders who joined the talks, told Reuters by telephone.

 

He also said they will not return to Myanmar unless demands for justice, international protection and the ability to go back to their original villages and lands are met.

 

“We want citizenship, we want all our rights. We don’t trust them. We will return only if international protection is in place,” he said.

 

“We will return to our own land … (we) don’t want to end up living in camps.”

 

In November, a formal move to start the repatriation process stalled as no Rohingya agreed to return to Myanmar.

 

The UN refugee agency and aid groups are also doubtful about the plan as they fear for the safety of Rohingya in Myanmar.

 

“We are ready to begin the repatriation anytime. It is up to Myanmar to create a conducive environment to allow the Rohingya to return to their homeland,” said Abul Kalam, Bangladesh’s refugee relief and repatriation commissioner.

 

With the repatriation plan largely stalled, Bangladesh has been considering relocating Rohingya refugees to an island in the Bay of Bengal, but some have expressed concern this could lead to a new crisis given the island is vulnerable to cyclones.

 

Myanmar has made “minimal” preparations for the return of Rohingya sheltering in Bangladesh, an Australian think-tank said.

আজকের খবর

1 min read

জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর সংক্রান্ত কোর গ্রুপ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন। এতে কাশ্মীরের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে পাকিস্তানের আরও প্রচেষ্টার আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরইশি, আইন ও বিচারমন্ত্রী ফারোগ নাসিম, কাশ্মীরের সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তথ্য ও সম্প্রচার ড. ফিরদাউস আশিক আওয়ান এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অব পাকিস্তান উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, আইনি এবং মিডিয়া প্রচেষ্টাকে আরও যুক্ত করার পদক্ষেপে একমত হয়েছেন। এর আগে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি হওয়ায় এ অঞ্চলটি মানবিক সংকটের অপেক্ষায় রয়েছে, যা জনগণের বিশেষত প্রবীণ, মহিলা ও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে। ভারতীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপত্যকায় নৃশংস উপায়ে বিদ্রোহ দমন করে আসছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল মোতায়েনকৃত সেনা হিসেবে অতিরিক্ত সেনা এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। এতে কারফিউ আরোপ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই যোগাযোগের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে; শীর্ষস্থানীয় কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জিয়ো টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি), মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কাশ্মীরিদের ওপর দেয়া কারফিউ ও কাশ্মীরি জনগণের ভোগান্তি নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যও আহ্বান করা হয়েছে। কাশ্মীর কোর গ্রুপও অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী জনগণকে তাদের নিজস্ব অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং উপত্যকায় আটকেপড়া লোকদের পাকিস্তানের সহায়তার কথা উত্থাপন করা হয়।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Developed By by Positive it USA.

Developed By Positive itUSA