আদমদীঘি তিন ফসল ধান চাষে ঝুঁকছে কৃষক

প্রকাশিত:বুধবার, ০১ জুলা ২০২০ ১১:০৭

আদমদীঘি তিন ফসল ধান চাষে ঝুঁকছে কৃষক

আদমদীঘি (বগুড়া) :
রোপা আমন ও ইরি ধানের বাম্পার ফলন ও বাজারে ধানের দাম বেশী পাবার পর চলতি বর্ষা মৌসুমে কাংখিত সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাদ্য শষ্যের ভান্ডার বলে খ্যাত পশ্চিম বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কৃষকরা এবার আউশ ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। একই জমিতে তিন ফসল হওয়ায় এবং কম খরচে আউশ ধানের আবাদেও বাম্পার ফলনের আশায় লাভ জনক এই আউশ ধান চাষে বেশী আগ্রহি বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান।
কুষি অফিস সূত্রে জানাযায়, অত্র উপজেলার একটি পৌর সভা ও ৬টি ইউনিয়ন মিলে মোট ১২ হাজার ৭শত হেক্টর আবাদী জমি রয়েছে। প্রায় জমিতে রোপা আমন, ইরিবোরো ও আউশ ধান এই তিনটি ফসলের আবাদ হয়। এছাড়া প্রায় এলাকা উচু জমিতে আলু, সরিষা, পিয়াজ. রসুন. আদা. গম, মরিচের পাশাপাশি বিপুল পরিমান সাক-সবজির চাষ করেন কৃষকরা। রোপা আমন মৌসুমে ১২ হাজার ৭শত হেক্টর জমিতে ও ইরি মৌসুমে ১২ হাজার ৪শত হেক্টর জমিতে ইরিবোরো ধান চাষ করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কৃষকরা রোপা আমন ও ইরিবোরো ধানের বাম্পার ফলন পান। এবার ধানের বাম্পার ফলন ও বাজারে ধানের বেশি দাম পাওয়ায় কৃষকরা চলতি বর্ষা মৌসুমে আউশ ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছে।
সরকারী হিসাবমতে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ৫ হাজার ৪০হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হলেও স্থানীয় কৃষকদের তথ্যানুসারে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ করা হচ্ছে। উপযুক্ত সময়ে আকাশের বৃষ্ঠিপাত হওয়ায় ইতিমধ্যে জমিতে চারা রোপরে ব্যস্ত হয়েছেন কৃষককুল। আউশ ধান চাষী কৃষক নাছির মন্ডল, জাহাঙ্গীর আলমসহ অনেকেই জানান, যেহেতু বর্ষা মেীসুমে আউশ ধান চাষের সময় পানি সেচের দাম দিতে হয়না রাসায়নিক সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরনও কম লাগে তাই এই আবাদটি অধিক লাভজনক হওয়াই জমিতে আউশ ধান রোপন করা হয়েছে। এই আউশ ধানের আবাদ তুলে আবার একই জমিতে সহজে রোপা আমন ধানের চাষ করা যায়। এতে আমন আবাদের উপড় কোন প্রভাব পড়ে না।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •