আরও ভয়ংকর ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা আছে ভবিষ্যতে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২৭ মে ২০২১ ০৭:০৫

আরও ভয়ংকর ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা আছে ভবিষ্যতে

নিউজ ডেস্কঃ ভবিষ্যতে আম্পান কিংবা ইয়াসের চেয়েও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা যত বাড়বে, ততই বাড়বে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা। ঘূর্ণিঝড়গুলো বর্তমানে আগের চেয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে উপকূলের দিকে আসছে। ফলে ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যার খুব বেশি পরিবর্তন না হলেও শক্তি বাড়বে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ের ঘূর্ণিঝড়গুলোর উচ্চ গতিবেগ, রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিপাত, চলার পথের মন্থর গতিবেগ, স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জলোচ্ছ্বাস, উপকূলের কাছে এসে হঠাৎ মন্থর হয়ে যাওয়া ও হঠাৎ শক্তিশালী হয়ে ওঠার পেছনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে। এ অবস্থায় উপকূলে সুন্দরবন রক্ষা, টেকসই বেড়িবাঁধ, দুর্যোগ সহনীয় বাড়িঘর ও পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরকে আরও আধুনিকায়ন করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আঘাত থেকে এ যাত্রায় বাংলাদেশের উপকূল রক্ষা পেলেও জলোচ্ছ্বাসে ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ভারতের ওডিশা রাজ্যের উত্তরের উপকূল লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে দুর্বল হয়ে পড়েছে ইয়াস। আরও শক্তিক্ষয়ের পর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এ ঘূর্ণিঝড়।

ইয়াসের প্রভাবে আজ বৃহস্পতিবারও দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর এবং সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশে আঘাত না হানলেও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়ে উপকূলীয় নয়টি জেলার ২৭টি উপজেলায় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

ভবিষ্যতে ঘূর্ণিঝড় শক্তিশালী হয়ে ওঠার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই গবেষক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হতে হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা যদি ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের চেয়ে বেশি হয়, তবে পানির স্তরের গভীরতা যত বেশি হবে, ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য তত বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চয় হতে থাকবে বলে গণ্য করা হয়।

এই সংবাদটি 1,230 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •