• ২১ জানুয়ারি, ২০২২ , ৭ মাঘ, ১৪২৮ , ১৭ জমাদিউস সানি, ১৪৪৩

আহমদ আরবারি হত্যা মামলায় ৩ শ্বেতাঙ্গ দোষী সাব্যস্ত

newsup
প্রকাশিত নভেম্বর ২৮, ২০২১
আহমদ আরবারি হত্যা মামলায় ৩ শ্বেতাঙ্গ দোষী সাব্যস্ত

নিউজ ডেস্কঃ গত বছরের আলোচিত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ যুবক আহমদ আরবারি হত্যাকাণ্ডে তিন শ্বেতাঙ্গ পুরুষকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন ১২ সদস্যের এক মার্কিন জুরি বোর্ড। জুরিদের এমন রায় আরও একবার যুক্তরাষ্ট্রকে বর্ণগত সংখ্যালঘু এক নাগরিকের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা স্বীকার করতে বাধ্য করল।

৬৫ বছর বয়সী গ্রেগরি ম্যাকমাইকেল, তার ছেলে ট্রাভিস ম্যাকমাইকেল এবং প্রতিবেশী উইলিয়াম রোডি ব্রায়ানকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্রাউন্সউইকে আহমদ আরবারি নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে ধাওয়া করে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ বিচারপর্বে জুরিরা বিবাদীপক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন।

প্রধান কৌঁসুলি লিন্ডা দুনিকস্কি বলেন, তারা (দোষী তিন ব্যক্তি) আহমদ আরবারিকে তাদের ড্রাইভওয়েতে হামলার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ আহমদ ছিলেন একজন কৃষ্ণাঙ্গ এবং তিনি রাস্তায় দৌড়াচ্ছিলেন।

ঘণ্টাব্যাপী যুক্তিখণ্ডনে দুনিকস্কি আসামিপক্ষের বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। আসামিপক্ষের দাবি— ২৫ বছর বয়সি আরবারিকে তাদের বিপজ্জনক মনে হয়েছিল।লিন্ডা দুনিকস্কি বলেন, তাদের (আসামিপক্ষ) জন্য আহমদ হুমকি হতে পারে বলে তারা তাকে হত্যা করেননি। কারণ আহমদের সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিল না। তিনি কারও জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করেননি। এমনকি সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকার উপায়ও তার ছিল না। আরবারি প্রাণে বাঁচতে প্রায় পাঁচ মিনিটের মতো ছুটেছেন।

হত্যা ও প্রচণ্ড আক্রমণ ছাড়াও অপহরণের চেষ্টা এবং আরবারিকে বর্ণগতভাবে চিহ্নিত করার মতো রাষ্ট্রীয় ঘৃণাজনিত অপরাধে তিন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিপক্ষের হয়ে একমাত্র ট্রাভিস ম্যাকমাইকেল সাক্ষ্য দিতে আদালতে দাঁড়ান। তিনি আদালতকে জানান, আত্মরক্ষায় অত্যন্ত কাছ থেকে তিনি শটগান দিয়ে গুলি ছোড়েন।

আরবারির হত্যার ভিডিওটি ফাঁস হওয়া এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও ভাইরাল হয়ে যাওয়ার দুই মাসের বেশি সময় পরেও পুলিশ সন্দেহভাজনদের অভিযুক্ত না করায় গত বছর গোটা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দেয়।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •