ইসলামের আলোকে মহামারি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রি ২০২১ ০৬:০৪

ইসলামের আলোকে মহামারি

ডেস্ক নিউজ, ঢাকা: 

কোরআন-হাদিসে মহামারি ও বালা-মুছিবতকে মানুষের গুনাহের ফসল বলা হয়েছে। সে হিসেবে করোনা ভাইরাসও আমাদের গুনাহ ও অন্যায়ের ফসল।বান্দা যখন বেপরোয়াভাবে গুনাহ করে আল্লাহতায়ালা তাকে সতর্ক করতে বিভিন্ন পরীক্ষায় ফেলেন। যেন সে গুনাহ থেকে নিবৃত্ত হয়।

মহামারির কারণ: মানুষ পাপ করতে করতে যখন পাপের সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখনই আল্লাহর শাস্তি নাজিল হয়। পাপিষ্ঠ ফেরাউনকে আল্লাহ তায়ালা তখনই ধরেছেন, যখন সে নিজেকে আল্লাহ বলে দাবি করেছে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন: ‘হে মুসা! তুমি ফেরাউনের কাছে যাও, সে অত্যন্ত উদ্ধত হয়ে গেছে। ’ (সূরা: ত্বাহা, আয়াত ২৪)।

নমরুদকে আল্লাহ তায়ালা তখনই শাস্তি দিয়েছেন, যখন সে নিজেকে প্রভু বলে দাবি করেছে। অনুরূপভাবে আদ, সামুদ প্রভৃতি জাতিকে তাদের সীমাহীন পাপাচারের কারণে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

এভাবে পবিত্র কোরআনে যে ৬টি জাতির ধ্বংসের কথা উল্লেখ আছে তা হলো- মাদইয়ান সম্প্রদায়, হুদ (আ.)-এর আদ জাতি, লুত (আ.)-এর জাতি, সালেহ (আ.)-এর সামুদ সম্প্রদায়, নুহ (আ.)-এর জাতি ও মুসা (আ.)-এর জাতি।

আগের নবীদের এসব কাহিনী পবিত্র কোরআনে আলোচনা করে আল্লাহ তায়ালা এটিই বোঝাতে চেয়েছেন যে, যদি উম্মতে মুহাম্মদী (সা.)ও তাদের মতো পাপাচারে লিপ্ত হয়, তবে তাদের পরিণতিও অনুরূপ হবে এবং একই ভাগ্য বরণ করতে হবে।

এই সংবাদটি 1,234 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •