এবার বেবিচক চেয়ারম্যানের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ১০:৫১, ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

এবার বেবিচক চেয়ারম্যানের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক

newsup
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
এবার বেবিচক চেয়ারম্যানের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক

নিউজ ডেস্ক: বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। আজ সোমবার বেবিচকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আকাশপথের নিরাপত্তা, ঢাকা–নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন পিটার হাস। ওই বৈঠকে পিটার হাসের সঙ্গে বোয়িং কোম্পানির একজন ভাইস প্রেডিডেন্ট ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, আজ বেবিচক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা–নিউইয়র্ক রুট চালুর বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চান বেবিচক চেয়ারম্যান।

ফ্লাইট চালুতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বিমানের কাছে বোয়িং কোম্পানির ড্রিমলাইনারের নতুন সংস্করণ ৭৮৭-১০ বিক্রির বিষয়ে প্রস্তাব দেন পিটার হাস। এ ছাড়া আকাশপথের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা ও বেবিচকের ক্যাটাগরি ১–এ উন্নীতকরণে নেওয়া উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

বৈঠক প্রসঙ্গে এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানান, বৈঠকে বিমানের নিউইয়র্ক রুট ও নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি যেহেতু বেবিচকের আওতায় নয়, তাই বোয়িংয়ের প্রস্তাবের বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়নি।’

প্রসঙ্গত, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) ২০০৯ সালে দ্বিতীয় ক্যাটাগরির নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করে মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অথোরিটি (এফএএ)। মূলত ফ্লাইট নিরাপত্তায় দুর্বলতার কারণ দেখিয়ে এটি করে এফএএ। এফএএর ক্যাটাগরি–১ ছাড়পত্র না থাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা–নিউইয়র্ক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বোয়িংয়ের পক্ষ থেকে ড্রিমলাইনারের নতুন মডেলের ৭৮৭–১০ এয়ারক্রাফট কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ বিমানের বহরে বর্তমানে বোয়িং কোম্পানির ১৬টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এসব বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও স্পেয়ার পার্টস সংক্রান্ত আলোচনাও হয় ওই বৈঠকে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।