করোনাকালে পাঁচ শিক্ষার্থীর মানবতার গল্প

প্রকাশিত:সোমবার, ১৯ অক্টো ২০২০ ০৮:১০

করোনাকালে পাঁচ শিক্ষার্থীর মানবতার গল্প

আমরা চাই আশেপাশের দুঃখী, অসহায় মানুষকে সাহায্য করতে। তবে ব্যাপারটা কিন্তু এত সহজও নয়। সহজ নয় কথাটি এ জন্য বলা যে, মানুষের সদিচ্ছার অভাব আজকাল। আবার অনেককেই পাওয়া যায়, লোক দেখানো সহযোগিতা করতে। ফেসবুক-ইউটিউবের এ যুগে দুস্থ ও অসহায় মানুষকে দান করা এবং তাদের পাশে সহযোগিতার জন্য দাঁড়ানোর ঘটনা- এসব মাধ্যমে প্রচার করে খুব সহজেই দানবীর ও মানবতার কাণ্ডারি উপাধি পাওয়া যায়! তবে করোনার এ সংকটকালে এরকম মৌসুমী মানবতার কাণ্ডারিদের দেখা মিলছে না।

 

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দান আর সহযোগিতার সেলফি তোলার সাহস এরকম মানবতার কাণ্ডারিদের নেই। তবে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ তরুণের মাঝে। তারা হলেন- ১২তম ব্যাচের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কনিক স্বপ্নীল, ১৩তম ব্যাচের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মোহন আলী, ১৪তম ব্যাচের ব্যবস্থাপনা বিভাগের রাফসান রাজু, ১৪তম ব্যাচের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ফারহান আহমেদ রাফি ও ১৫তম ব্যাচের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান। করোনার প্রাদুর্ভাবে বিশ্ববাসীর মতো আমাদের দেশের মানুষও স্বাস্থ্য-অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে রয়েছে। বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছে। বিপদে পড়েছে মেসে থাকা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এসব শিক্ষার্থীদের অনেকেই টিউশনি করে মেসের ভাড়াসহ নিজের পড়াশোনার খরচ চালাত। একদিকে কোভিড-১৯ আর অন্যদিকে টিউশনি বন্ধ থাকায় এসব শিক্ষার্থীর দুর্ভোগের শেষ নেই। মেসের বকেয়া নিয়ে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে বিচ্ছিন্নভাবে। এ অবস্থায় এসব শিক্ষার্থীর বইপত্রসহ অন্যান্য মালামাল বাড়িতে নিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। তার ওপর চলছিল লকডাউন। বিপদ আর আতঙ্কে দূরপাল্লার যাতায়াতে অতি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়ারও সংশয় ছিল। আবাসিক হল না থাকায় এ সমস্যা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যেন একটু বেশিই।

এই সংবাদটি 1,231 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ