কুষ্টিয়ায় পেঁয়াজের ঝাঁঝ বাড়লেও কমেছে মরিচের - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ১০:৪৩, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

কুষ্টিয়ায় পেঁয়াজের ঝাঁঝ বাড়লেও কমেছে মরিচের

newsup
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১০, ২০২৩
কুষ্টিয়ায় পেঁয়াজের ঝাঁঝ বাড়লেও কমেছে মরিচের

জাতীয় ডেস্ক:

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের অজুহাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। পাইকারি হাটে প্রতি কেজি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। আর পচা-আধাপচা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। যার দাম গত সপ্তাহে ছিল প্রায় অর্ধেক। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা।

তবে একদিনের ব্যবধানে ঝাঁঝ কমেছে কাঁচা মরিচের। আজ রোববার খুচরা প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। যা গত শনিবার ছিল ১০০ টাকা।
জানা গেছে, প্রতি রোববার উপজেলার চৌরঙ্গী মহাবিদ্যালয়ের মাঠে বসে সাপ্তাহিক পেঁয়াজের হাট। সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিন দেখা যায়, কৃষক বা বিক্রেতা নেই। ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বস্তায় ভরার কাজ করছেন। অনেকটা সুনসান নীরবতা পরিবেশ।

এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আল মামুন বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সকল পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। আজ প্রতি কেজি পুরোনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। আর পচা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

তাঁর ভাষ্য, মানুষের ঘরে পেঁয়াজ মজুত না থাকায় এবং ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় হঠাৎ দাম বেড়ে গেছে।

ওই হাট থেকে পচা-আধাপচা পেঁয়াজ কুড়িয়ে বিক্রি করেন অসহায় মহিলা জামিলা খাতুন। তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে তিন কেজি পচা পেঁয়াজ পেয়েছিলাম। তা ৩০০ টাকা বিক্রি করিছি। পচা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বকুল হোসেন বলেন, ‘৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে ১৩ কেজি পেঁয়াজ কিনেছি। বাজারে আমদানি একেবারেই কম।’

হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘পেঁয়াজের মৌসুমে আট থেকে দশ হাজার মণ পেঁয়াজ আমদানি হতো। সেখানে আজ মাত্র ১৫০ মণ পেঁয়াজ এসেছে হাটে। গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ চার হাজার টাকা মণ বিক্রি হলেও আজ হয়েছে সাত হাজার ৮০০ টাকায়।’

কুমারখালী তহবাজারের কাঁচামাল বিক্রেতা মজনু শেখ বলেন, ‘কারও কাছে পুরোনো পেঁয়াজ নেই। নতুন পেঁয়াজ ১৫০-১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কমেছে ৪০ টাকা। আজ ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।’

কুমারখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো কারসাজি পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

bnusbd/আরএন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।