খুশিতে মাতোয়ারা পাটকল শ্রমিকরা

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual6 Ad Code

সংবাদদাতা খুলনা :: দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর কাঙ্ক্ষিত মজুরি পেয়েছেন খুলনার পাটকল শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন পর বকেয়া মজুরি পেয়ে আনন্দে ভাসছে খালিশপুর শিল্পাঞ্চল।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শ্রমিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা আসা শুরু করে। মিলগুলোতে সর্বনিম্ন ৭ সপ্তাহ থেকে ১০ সপ্তাহের মজুরি ও একটি ঈদ বোনাস দেয়া হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

খুলনা অঞ্চলের নয়টি পাটকলের জন্য ৩৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার মজুরি ও ৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকার বোনাস দেয়া হয়েছে। বিজেএমসি থেকে সরাসরি এই টাকা শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে। খুলনার খালিশপুর, দৌলতপুর ও কাপেটিং জুট মিলে ৭ সপ্তাহের মজুরি ও ক্রিসেন্ট, প্লাটিনাম, স্টার, জেজেআই, ইস্টার্ন, আলিমে ১০ সপ্তাহে মজুরি দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সব মিলেই শ্রমিকদের এক সপ্তাহের ঈদ বোনাস দেয়া হচ্ছে।

প্লাটিনাম জুট মিলের স্থায়ী শ্রমিক হাবিবুর রহমান বলেন, ১০ সপ্তাহের মজুরি ও একটি ঈদ বোনাসসহ ২৫ হাজারের কিছু বেশি টাকা তার অ্যাকাউন্টে এসেছে। এটিএম কার্ড দিয়ে ২০ হাজার টাকা তুলেছি। টাকা নিয়ে আগে পাওনাদারদের ১২ হাজার টাকা পরিশোধ করব। এরপর পরিবারের জন্য কেনাকাটা ও ঈদের বাজার করব। দীর্ঘদিন পর বকেয়া মজুরির টাকা পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন তিনি।

মিল এলাকার একাধিক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে একই ধরনের অনুভূতি দেখা গেছে।

Manual5 Ad Code

ক্রিসেন্ট জুট মিল সিবিএ সভাপতি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, বিকেল থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা আসা শুরু হয়েছে। ৩০ হাজার শ্রমিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে। এজন্য সব শ্রমিক এখনো টাকা তুলতে পারেনি। তবে সব শ্রমিকই এখন খুশি। সোমবার আরো দুই সপ্তাহের মজুরি দেয়া হতে পারে।

Manual6 Ad Code

প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমীন বলেন, এক ঘণ্টা আগেও শ্রমিকরা মুখভার করে বসেছিলেন। এখন সবাই আনন্দিত। দ্রুত মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন করা হলে শ্রমিকদের মাঝে আর কোনো ক্ষোভ থাকবে না।

বিজেএমসির আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, খুলনা-যশোর অঞ্চলের নয়টি পাটকলের জন্য ৪৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পুরো টাকাই শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code