গুণগত উন্নয়নে প্রাথমিক শিক্ষকদের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে: এমপি হেলাল

প্রকাশিত:রবিবার, ২৯ নভে ২০২০ ০৯:১১

তমাল ভৌমিক, নওগাঁ প্রতিনিধি
শ্রম ও কর্মসস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেছেন, শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। একটি শিশুর প্রথম লেখা শিখেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেই প্রাথমিকে আরো বেশি বেধাবী শিক্ষক প্রয়োজন। প্রাথমিক শিক্ষকদের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে হলে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবধিাও বৃদ্ধি করতে হবে। দীর্ঘদিন থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের অল্প বেতন, উন্নত স্কেল জটিলতা ও পদাউন্নয়ন না হওয়ায় অনেক শিক্ষক অন্য চাকুরীতে চলে যান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা নেতৃত্বে সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি সরকারি চাকুরী জীবিদের ব্যাপক সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছেন। তবে অন্য চাকুরী জীবিদের তুলনায় প্রাথমিক শিক্ষকগণ ভালো বেতনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।
শনিবার দুপুরে নওগাঁর রাণীনগরে ‘প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ক’ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের আরো আগ্রহী করতে প্রাথমিকে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। তা না হলে মেধাবী শিক্ষক প্রাথমিকে যোগদানের পারও অন্য চাকুরীতে বরাবরের মতো চলে যাবেন। মেধাবী শিক্ষক থাকলে ছাত্র-ছাত্রী গুণগত শিক্ষা আরো বেশি করে পাবে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানাই উন্নত স্কেল দ্রুত সমাধান ও সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য। রাণীনগর উপজেলা শিক্ষক পরিবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন। এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদা বেগম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার শামসুজ্জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সাহানা ফেরদৌস, সহ-সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক আফতাব হোসেনসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নব-নির্বাচিত সাংসদ আনোয়ার হোসেন হেলালকে সংবর্ধণা দেওয়া হয়। এ ছাড়াও সদ্য অবসরপ্রাপ্ত দুই প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সাবেক কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এই সংবাদটি 1,237 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •