গো-খাদ্য ও দুধে ক্ষতিকর কেমিক্যাল!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রু ২০১৯ ১২:০২

গো-খাদ্য ও দুধে ক্ষতিকর কেমিক্যাল!

দেশে গো-খাদ্যের শতকরা ৬৯ থেকে ১০০ ভাগে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব কেমিক্যালের মধ্যে আছে পেস্টিসাইড, ক্রোমিয়াম, টেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লেক্সাসিন, সিপ্রোসিন ও আলফাটক্সিন। সেই সঙ্গে গাভীর দুধ, প্যাকেট দুধ ও দইয়ে বিভিন্ন পরিমাণে পেস্টিসাইড, টেট্রাসাইক্লিন, সীসা ও বিভিন্ন অনুজীব পাওয়া যায়।

 

রোববার রাজধানীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ন্যাশনাল ফুড সেইফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) আইএসও সনদ অর্জন এবং দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাবারের মানসম্পর্কিত গবেষণা কাজের ফলাফল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সভাপতি প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জনস্বাস্থ্য) হাবিবুর রহমান, জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক নির্মল সেন প্রমুখ।

 

 

 

সম্প্রতি এনএফএসএল জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহযোগিতায় গাভীর খাবার, দুধ, দই, প্যাকেট দুধ নিয়ে এক জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

 

এনএফএসএল জানিয়েছে, এ জন্য ঢাকাসহ তিন জেলার ছয় উপজেলার ১৮ স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে গাভীর খাবার ও দুধ সরাসরি খামার থেকে সংগ্রহ করা হয়। আর দই রাজধানীর বিভিন্ন নামকরা দোকান ও আশপাশের উপজেলার দোকান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

এছাড়া বাজারে প্রচলিত প্রায় সব ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত তরল দুধ এবং আমদানি করা প্যাকেট দুধ বিভিন্ন সুপার স্টোর থেকে সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট নিয়মে ল্যাবরেটরিতে পৌঁছানোর পর পরীক্ষা করা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন বছরের পরিক্রমায় এনএফএসএল গত ২৫ অক্টোবর আইএসও সনদ অর্জন করে। যা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাদ্য পরীক্ষাগার হিসেবে প্রথম। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্যের পরীক্ষা সংক্রান্ত রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং রফতানি পণ্যের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

 

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •