চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৪ জন নিহত - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, ভোর ৫:৪১, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৪ জন নিহত

editorbd
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৪ জন নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট: চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রের গুলিতে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

প্রাগের পুলিশ প্রধান মার্টিন ভন্ড্রাসেক জানিয়েছেন, চার্লস ইউনিভার্সিটির দর্শন বিভাগের ভবনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ভন্ড্রাসেক গতকাল সন্ধ্যায় বলেছেন ১৪ জন মারা গেছেন এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। এর আগে বলেছিলেন ১৫ জন মারা গেছেন এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। কিন্তু, নিহতের সংখ্যা পরিবর্তনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেননি তিনি। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ নিহতদের সম্পর্কে বা জান পালাচ স্কোয়ারের ভ্লতাভা নদীর কাছের ভবনে গুলি চালানোর সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে কোনও বিবরণ দেয়নি।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভিট রাকুসান বলেছেন, তদন্তকারীরা কোনও চরমপন্থী মতাদর্শ বা গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করছেন না।

ভন্ড্রাসেক বলেন, পুলিশ বিশ্বাস করে যে বন্দুকধারী বৃহস্পতিবার সকালে প্রাগের পশ্চিমে তার শহর হোস্তৌনে তার বাবাকে হত্যা করেছিল এবং তিনি আত্মহত্যার পরিকল্পনাও করেছিলেন। তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

পরে বৃহস্পতিবার ভন্ড্রাসেক বলেন, তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বন্দুকধারীকে ১৫ ডিসেম্বর প্রাগে আরেক ব্যক্তি ও তার দুই মাস বয়সী মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছে।
পুলিশ প্রধান বন্দুকধারীকে একজন চমৎকার ছাত্র হিসাবে বর্ণনা করেছেন যার কোনও অপরাধের রেকর্ড নেই, তবে অন্য কোনও তথ্য সরবরাহ করেননি।

ভন্ড্রাসেক বলেন, বন্দুকধারী ‘মারাত্মক আঘাত’ পেয়েছেন। তবে তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন তা পরিষ্কার নয়।’ ‘তার কোনও সহযোগী ছিল বলে মনে করার মতো কিছুই নেই।’

ভন্ড্রাসেক বলেন, বন্দুকধারীর কাছে আইনত বেশ কয়েকটি বন্দুক ছিল। পুলিশ বলেছে, বৃহস্পতিবার তিনি ভারী সশস্ত্র ছিলেন এবং প্রচুর গোলাবারুদ বহন করছিলেন। তিনি যা করেছিলেন তা ‘সুচিন্তিত একটি ভয়ঙ্কর কাজ’।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

চার্লস ইউনিভার্সিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিটির সদস্যদের প্রাণহানির ঘটনায় আমরা শোক প্রকাশ করছি, শোকসন্তপ্ত দের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং যারা এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
সুত্র: ইউএনবিডটকমবিডি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।