জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি: ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১২ ফেব্রুয়ারি - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ১১:৩৩, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি: ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১২ ফেব্রুয়ারি

newsup
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি: ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১২ ফেব্রুয়ারি

জাতীয় ডেস্ক :

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী বছর ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ এই তারিখ ধার্য করেন।

অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাবরিনা পক্ষে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গত বছর ডিসেম্বরে সাবিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান জোনের পরিদর্শক রিপন উদ্দিন। অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় ডা. সাবরিনা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে দ্বিতীয় এনআইডি কার্ড সৃষ্টি করেন। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। পরে গত বছর ২২ ডিসেম্বর আদালত সাবরিনার অপরাধ আমলে নেন।

২০২০ সালের ৩১ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া বাদী হয়ে রাজধানীর বাড্ডা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বৈত ভোটার হয়ে এবং একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছেন সাবরিনা। তার দুটি এনআইডির তথ্য তুলে ধরে বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) জন্ম তারিখ দেওয়া হয় ১৯৭৬ সাল। দ্বিতীয় এনআইডিতে জন্ম তারিখ দেওয়া হয় ১৯৮৩ সাল। ১৯৯১ সালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০০০ সালে স্যার সলিমুল্লাহ (মিটফোর্ড) মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৩ সালে জন্ম তারিখ ধরলে তিনি মাত্র আট বছর বয়সে এসএসসি ও ১৭ বছরে এমবিবিএস পাস করেন।
ডা. সাবরিনা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রথম এনআইডির তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি তৈরি করেন, যা আইনগত অপরাধ।
চার্জশিটে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালের ২ ডিসেম্বর ডা. সাবরিনার সঠিক জন্ম তারিখ। তিনি ২০১৬ সালে দ্বিতীয় এনআইডিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম তারিখ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন জাল করোনা সনদ দেওয়ার মামলায় সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফুলসহ ছয়জনকে ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন সাবরিনা। সম্প্রতি ওই মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

সম্পাদনা : রুমি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।