নিজেদের সৈন্য সংখ্যা প্রকাশ করেছে। হিজবুল্লাহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ১৯ অক্টো ২০২১ ০৯:১০

নিজেদের সৈন্য সংখ্যা প্রকাশ করেছে। হিজবুল্লাহ

নিউজ ডেস্কঃ 

লেবানের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নসরুল্লাহ এই প্রথম নিজেদের সৈন্য সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এর আগে জনসম্মুখে তারা এইভাবে নিজেদের সৈন্যসংখ্যা ও সামরিক শক্তি নিয়ে মুখ খোলেনি।

আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি লেবাননের একটি বিক্ষোভে অতর্কিতে গুলি করলে ৭ জন নিহতের ঘটনা ঘটে।  নিহত সবাই শিয়া মতাবলম্বী।  এই হত্যাকাণ্ডের মাধমে লেবাননের সেনাবাহিনী গৃহযুদ্ধের পায়তারা করছে উল্লেখ করেই নিজেদের শক্তি জানান দিল হাসান নসরুল্লাহ।

ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর এই প্রধান তাদের প্রশিক্ষিত এবং অস্ত্রধারী ১ লাখ সেনা আছে উল্লেখ করে বলেন, আমি লেবানন সেনাবাহিনী দলকে গৃহযুদ্ধের চিন্তা করার মানসিকতা পরিহারের আহ্বান জানাব। আপনারা শতভাগ ভুল এবং আপনাদের হিসেব-নিকেশও ভুল। এই অঞ্চলে হিজবুল্লাহ যেকোনো সময়ের থেকে শক্তিশালী বলে প্রছন্ন হুমকিও প্রদান করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক বিক্ষোভ মিছিলে অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারীর হামলায় ৭ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়। গত বছর বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় চলমান তদন্ত কার্যক্রমে নেতৃত্বদানকারী বিচারকের অপসারণের দাবিতে হিজবুল্লাহ ও এর প্রধান মিত্র আমাল মুভমেন্ট এ বিক্ষোভের আয়োজন করে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, ইরান সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ ও আমাল মুভমেন্টের শত শত সমর্থক বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বৈরুতের প্যালেস অব জাস্টিসের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় একজন মুখোশধারী ব্যক্তি অস্ত্র নিয়ে সড়ক বিভাজকের পেছন থেকে গুলি শুরু করেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে হিজবুল্লাহ লেবাননের সেনাবাহিনী কর্তৃক অতর্কিতে আক্রমণ বলে অভিহিত করে।

বৃহস্পতিবারের ঘটনার তদন্ত দাবি করে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নসরুল্লাহ দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান। কর্তৃপক্ষ বিচারে ব্যর্থ হলে হিজবুল্লাহ ব্যবস্থা নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তবে লেবাননের সেনা বাহিনী এই অভিযোগ অস্বীকার করে উলটো হিজবুল্লাহর দিকে অভিযোগের তীর নিক্ষেপ করেছে।

হিজবুল্লাহকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিলেও সংগঠনটি লেবাননের রাজনীতিতে বেশ প্রভাবশালী। একটি আধা সামরিক বাহিনী পরিচালনার পাশাপাশি নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ’ সংগ্রামে মধ্যপ্রাচ্যে হিজবুল্লাহকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হিসেবে দেখা হয়। সিরিয়ায় সংঘাতে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পক্ষে লড়তেও যোদ্ধাদের পাঠিয়েছে হিজবুল্লাহ।

এই সংবাদটি 1,227 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •