পাকিস্তানে ১৫ বছর পর নওয়াজ-সুজাত বৈঠক, আসন ভাগাভাগির পরিকল্পনা - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৫:০২, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

পাকিস্তানে ১৫ বছর পর নওয়াজ-সুজাত বৈঠক, আসন ভাগাভাগির পরিকল্পনা

newsup
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৮, ২০২৩
পাকিস্তানে ১৫ বছর পর নওয়াজ-সুজাত বৈঠক, আসন ভাগাভাগির পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট গঠনের জন্য প্রস্তাব তৈরির ব্যাপারে সম্মত হয়েছে দেশটির দুই রাজনৈতিক দল পিএমএল-এন ও পিএমএল-কিউ। গতকাল বুধবার পিএমএল-এনের (পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ) প্রধান নওয়াজ শরিফ এবং পিএমএল-কিউয়ের (পাকিস্তান মুসলিম লিগ-কয়েদ) প্রধান চৌধুরী সুজাত হুসেন এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।

১৫ বছর আগে পিএমএল-এন থেকে আলাদা হয়ে সাবেক সেনাপ্রধান ও স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফের নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেন সুজাত। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৫ বছর পর প্রথমবারের মতো নওয়াজের সঙ্গে গতকাল বৈঠক হয় তাঁর।

সুজাতের সঙ্গে বৈঠক করতে লাহোরে তাঁর বাড়িতে যান নওয়াজ শরিফ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাই পিএমএল-এন প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ, দলের প্রধান সংগঠক মরিয়ম নওয়াজ শরিফসহ দলের আরও কয়েক জ্যেষ্ঠ নেতা।

আর সুজাতের সঙ্গে ছিলেন পিএমএল-কিউয়ের নেতা চৌধুরী ওয়াজাহাত হুসেন, চৌধুরী সালিক হুসেন ও শাফায় হুসেন।

বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ৪০ মিনিটের বৈঠকটি আন্তরিক পরিবেশে হয়েছে। দুই দলই একমত হয়েছে, নিজ নিজ দলের সংশ্লিষ্ট কমিটিতে আলোচনার পর বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে দুই দল।
পিএমএল-কিউয়ের একটি সূত্রমতে, দুই দলই জাতীয় পরিষদের চারটি ও পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের আটটি আসন ভাগাভাগি করে নেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।
দলীয় নেতাদের সঙ্গে আরেক বৈঠকে পিএমএল-কিউয়ের প্রধান চৌধুরী সুজাত হুসেন বলেছেন, অতীতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা ভুলে যাওয়ার সময় হয়েছে। নওয়াজ শরিফকে নিয়ে জনগণ অনেক বড় আশা জিইয়ে রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পিএমএল-কিউ নেতা চৌধুরী শাফায় হুসেন বলেন, নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বে পিএমএল-এনের প্রতিনিধিদল সুজাত হুসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেছেন।

শাফায় হুসেন আরও বলেন, জাতীয় পরিষদের চারটি ও প্রাদেশিক পরিষদের আটটি আসনের বিষয়টি এরই মধ্যে পিএমএল-কিউ মিটমাট করে ফেলেছে। পিএমএল-কিউয়ের প্রার্থীরা ‘ট্রাক্টর’ প্রতীকে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।