প্রতিকূলতার মধ্যেও ইমরান খানের পিটিআইয়ের জনসমর্থন প্রমাণিত - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, সকাল ৬:০৮, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

প্রতিকূলতার মধ্যেও ইমরান খানের পিটিআইয়ের জনসমর্থন প্রমাণিত

editorbd
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
প্রতিকূলতার মধ্যেও ইমরান খানের পিটিআইয়ের জনসমর্থন প্রমাণিত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল পরিষ্কার। তবে
জটিল। কারাবন্দি ইমরান খানের দল-পিটিআইয়ের ব্যানারে যারা নির্বাচন করতেন,
তাদেরকে শেষ পর্যন্ত তা করতে দেওয়া হয়নি। তাই তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। আর নির্বাচনি ফলে দেখা গেছে, সেই স্বতন্ত্র
প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি আসন জিতে নিয়েছেন। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ
সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন জিতে নিয়ে নিজেদের ‘একক বৃহত্তম দল’ হিসেবে দাবি
করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-
এন)। সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা যায়, জাতীয় পরিষদের ২৬৫ আসনে এখন পর্যন্ত
১০০টি আসন পেয়েছে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৭৪ আসন নিয়ে দ্বিতীয়
অবস্থানে আছে পিএমএল-এন। আর ৫৪ আসন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঘাতকের
হাতে নিহত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী
জারদারির সন্তান বিলওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)।

তবে নির্বাচনী ফলাফলের মাধ্যমে পিটিআই প্রমাণ করেছে, তার জনপ্রিয়তা শুধু
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফাঁপানো বিষয় নয়। বরং দলটির প্রতি জনগণের যে
সমর্থন রয়েছে,তা বেশ শক্ত।

কারণ পিটিআই যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে তার ছক আগে থেকেই তৈরি করা
হয়েছিল। যার ফলে পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতাকেই (ইমরান খান) নির্বাচনে অযোগ্য
ঘোষণা করা হয়। একের পর এক মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ব্যালট পেপার
থেকে দলের প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট সরিয়ে ফেলা হয়। যদিও এরই মধ্যে দুর্নীতির দায়ে
তিন বছরের সাজা ভোগ করেছেন ইমরান খান।

২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। তিনি অবশ্য শুরু
থেকেই বলে আসছিলেন,তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এমন পরিস্থিতিতে পিটিআইয়ের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য
হন। এমনকি তারা নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সুযোগও পায়নি। তাদেরকে সমাবেশ
করতে দেয়া হয়নি। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই হয় জেলে, নয়তো পালিয়ে
আছেন।

দলটি বারবারই অভিযোগ করে বলেছে, তার সমর্থকদের ভয় দেখানো হচ্ছে। অথবা
প্রচারণার সময় পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও এমন অভিযোগ বরাবরই
অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।