প্রবাসীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস ঘোষণা বাংলাদেশ সরকারের : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মো - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ৮:৫৭, ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

প্রবাসীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস ঘোষণা বাংলাদেশ সরকারের : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মো

newsup
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩
প্রবাসীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস ঘোষণা বাংলাদেশ সরকারের : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মো

পজিটিভ নেটওয়ার্ক ইউএস :

বাংলাদেশের আর্ত সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের দাবি অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করার বিষয়টি অনুমোদন করেছেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রবাসীরা এমন একটা দিবস ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

প্রবাসী দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মত বিদেশে অবস্থিত প্রবাসীদের স্বদেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরকে প্রবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছর ধরে প্রবাসীরা ৩০ ডিসেম্বর প্রবাসী দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন, এইবারই প্রথম যা সরকারিভাবে পালিত হতে যাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য একান্তভাবে কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি। এ উপলক্ষ্যে দেয়া বার্তায় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রবাসীদের বন্ধু। বঙ্গবন্ধু তৎকালীন প্রবাসী বাঙালিদের যারা পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন, তাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে বর্তমান সরকার প্রবাসীদের উন্নয়ন এবং প্রবাসী নাগরিকদের স্বার্থ নিরাপত্তা ও অনেক অধিকার সুরক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসীদের প্রত্যাবাসন, পাসপোর্ট ও ট্র্যাভেল পারমিট প্রদান, বিভিন্ন ডকুমেন্ট সত্যায়ন, প্রবাসীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা, NID প্রদান, দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ, অনিয়মিত বাংলাদেশিদের নিয়মিত নাগরিক করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, ২৪ ঘণ্টা হট লাইন সেবা, নারী কর্মীদের জন্য সেফ হুম, বিভিন্ন মতবিনিময় সভা, একাধিক অ্যাপসের মাধ্যমে কনস্যুলার সেবা চালু সহ নানাবিধ কার্যক্রম আমাদের দূতাবাস ও মিশনে চালু রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. মোমেন বলেন, বিদেশে কেউ কোন বিপদের সম্মুখীন হলে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো আপনাদের সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসী ভাই বোনদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, আপনাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ উপায়ে দেশে প্রেরণ এবং বিনিয়োগ করুন। সেইসাথে অবৈধ প্রন্থা পরিহার করুন।
ড. এ কে আব্দুল মোমেন তার সকল সহকর্মী এবং নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেন স্বদেশে প্রবাসীদের জমা জমি, ঘরবাড়ি যাতে বেহাত না হয় সেই বিষয়ে তৎপর থাকার জন্য এবং প্রবাসীদের প্রতি যাতে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ হয়। প্রবাসীদের গুণগত সেবাদানে আন্তরিকভাবে মনোযোগী হওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

সবশেষে তিনি জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবস্থানরত প্রবাসীদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তার পক্ষে থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।