ফার্মেসিগুলোতে নিবন্ধনহীনের আত্ততায় আনা হোক

প্রকাশিত:শনিবার, ২৬ ডিসে ২০২০ ০১:১২

ফার্মেসিগুলোতে নিবন্ধনহীনের আত্ততায় আনা হোক

সম্পাদকীয়: ভেজাল, মানহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জামের প্রধান জোগানদাতা দেশের বিপুলসংখ্যক নিবন্ধনহীন ফার্মেসি, এ অভিযোগ বেশ পুরনো। কাজেই মানুষ আশা করেছিল, এসব ফার্মেসি বন্ধ করা হবে এবং নতুন করে এ ধরনের দোকান গজিয়ে উঠতে দেবে না। কিন্তু বাস্তবতা হল, শহরের অলিগলিতে নিবন্ধনহীন ফার্মেসি জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। গতকাল যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সারা দেশে প্রায় দেড় লাখ ওষুধের দোকান চলছে লাইসেন্স ছাড়াই। দেশে হাজার হাজার ওষুধের দোকান নিবন্ধনহীন। করোনা মহামারীর সময় স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন ওষুধের চাহিদা বাড়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে নিবন্ধনহীন ওষুধের দোকানের সংখা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি আরও বেশি উদ্বেগজনক। বস্তুত যথাযথ তদারকি না থাকায় দেশব্যাপী নকল, ভেজাল, মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির ঘটনা বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি হয়ে পড়েছে।বর্তমানে সারা দেশে নিবন্ধিত ওষুধের দোকানের সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। এর মধ্যে গত দুই বছরে নতুন নিবন্ধন পেয়েছে ৩২ হাজারেরও বেশি ওষুধের দোকান। এ সময়ে আরও চার শতাধিক মডেল ফার্মেসির অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে নিবন্ধন ছাড়া ওষুধের দোকানের সংখ্যা কত, এর সঠিক কোনো হিসাব নেই কর্তৃপক্ষের কাছে। সাধারণ মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে নিকটস্থ ফার্মেসি থেকে ওষুধ ক্রয় করে থাকেন। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে ফার্মেসির লোকদের পরামর্শে ওষুধ ক্রয় করেন।

এই সংবাদটি 1,237 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •