বন্ধ থাকবে সব শিল্পকারখানা : ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন

প্রকাশিত:রবিবার, ১৮ জুলা ২০২১ ০২:০৭

বন্ধ থাকবে সব শিল্পকারখানা : ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন

নিউজ ডেস্কঃ

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পর আগামী ২৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে গার্মেন্টসসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তিনি বলেছেন, ঈদের পর ১৪ দিন যে লকডাউন আসছে তা কঠোর থেকে কঠোরতম হবে। শনিবার (১৭ জুলাই) চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এদিকে ঈদের পর বিধিনিষেধে অফিস বন্ধ থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে মাঠ পর্যায়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে সব সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে আগামী ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণাসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা করেছে। চিঠিতে বিধিনিষেধ আরোপকালীন সচিবদের অধীনস্থ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দপ্তরের সরকারি কর্মচারীকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন শুরু হবে। কয়েক দিন আগে লকডাউনসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোরবানি ঘিরে আমাদের বিশাল অর্থনীতি রয়েছে। সবকিছু বিবেচনা করে চলাফেরার ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতদিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় ততদিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ারদার, বিজিবির যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউর রহমান, ৬ বিজিবির পরিচালক মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান প্রমুখ। ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের ২৭৮ জন সৈনিক চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে এই সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক এলাকা। এ অঞ্চলটা এতদিন অবহেলিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ এলাকাসহ প্রত্যেকটা অঞ্চলকে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলছেন। আগামীতে আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্য মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের মাঝামাঝি জায়গায় অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

এই সংবাদটি 1,228 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •