বাঙালি সংস্কৃতি জাগ্রত রাখার সংকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে একুশ পালন

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২২ ফেব্রু ২০১৯ ১১:০২

বাঙালি সংস্কৃতি জাগ্রত রাখার সংকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে একুশ পালন

বাঙালি সংস্কৃতি জাগ্রত রাখতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজের সংকল্প ব্যক্ত করার পাশাপাশি প্রবাসেও ঘাপটি মেরে থাকা সাম্প্রদায়িক দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত ও বর্জনের আহ্বানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পালিত হয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা এক মিনিটে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কুইন্স প্যালেসে, জেবিবিএ ও জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে পালকি পার্টি সেন্টার, বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে গুলশান টেরেস, ব্রুকলিনে নোয়াখালী সোসাইটি ও চট্টগ্রাম সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন, জ্যামাইকায় ফ্রেন্ডস সোসাইটি ও নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন শ্রদ্ধার সাথে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে।

 

নিউ জার্সির প্যাটারসন ও আটলান্টিক সিটি, পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া, ফ্লোরিডা, লসঅ্যাঞ্জেলেস, মিশিগান, শিকাগো, বস্টন, কানেকটিকাট, হাডসন, বাফেলো, হিউস্টন, ডালাস, আটলান্টায় শহীদ মিনার নির্মাণ করে একুশের প্রভাত ফেরীর পর শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়।

 

 

জেবিবিএ এর শহীদ মিনারে যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের শ্রদ্ধাঞ্জলী।

 

সকল অনুষ্ঠানেই প্রবাস প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। নিউ ইয়র্কে দিনভর তুষারপাত এবং রাতে বৃষ্টি সত্ত্বেও দমাতে পারেনি প্রবাসীদের একুশের চেতনাকে।

এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের জন্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা, বাংলায় বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বাংলা লিখন প্রতিযোগিতা এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতাও ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাইয়ের কর্মসূচিতে।

 

নিউ ইয়র্ক অঞ্চলের তিনশ-রও বেশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী-রাজনৈতিক সংগঠন সম্মিলিত কিংবা পৃথক উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করেছে।

 

প্রসঙ্গত বায়ান্ন এর একুশে ফেব্রুয়ারিতে মাতৃভাষার জন্যে বাঙালির রক্তদানের অবিস্মরণীয় অধ্যায়কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত করতে উদ্যোগ নেন কানাডার ভ্যাঙ্কুবার প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালামসহ চার বাংলাদেশি। তাদের এ প্রয়াস ফলপ্রসূ হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে।

 

 

বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্থাপিত শহীদ মিনারে কন্সাল জেনালে সাদিয়া ফয়জুননেসার নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলী।

 

২০১৩ সালের নভেম্বরে মারা যান করেছেন ‘আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস’ এর অন্যতম পুরোধা রফিকুল। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারিতে তার প্রতিও শ্রদ্ধা এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন বক্তারা।

প্রায় সবগুলো অনুষ্ঠানেই বায়ান্ন এর একুশে ফেব্রুয়ারির স্মৃতিচারণ এবং মায়ের ভাষার জন্যে বাঙালির সংগ্রাম নিয়ে আলোচনা হয়।

 

একুশের রক্তদানের পথ বেয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে একাত্তরে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

প্রবাসীরা তাদের আলোচনায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গোটা বাংলাদেশ আজ দীপ্ত প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছে এবং সীমিত সম্পদ নিয়ে উন্নয়ন-অগ্রগতির এ অভিযাত্রা বিবেকসম্পন্ন বিশ্ব বিস্ময়ের সাথে দেখছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে প্রশংসিত হচ্ছে বাঙালির এগিয়ে চলা। মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর এ শিক্ষা একুশে দিয়েছে বলেও আলোচকরা মন্তব্য করেন।

 

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকেই একুশের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে ভাষা দিবস এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে আবৃত্তি, নৃত্যে অংশ নেয় স্থানীয় শিল্পীরা।

 

আলোচনায় অংশ নেন জাতিসংঘে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এর বার্ষিক শুনানিতে যোগ দিতে আসা নিউ ইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের চার সংসদ সদস্য- এ এফ এম রুহুল হক, মো. আবু জহির, বেনজীর আহমেদ এবং আহসান আদেলুর রহমান।

 

এছাড়া রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

রাত বারটা এক মিনিটে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্থাপিত শহীদ মিনারে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে সকলে ফুল দেন। এরপর বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসার নেতৃত্বে কন্স্যুলেটের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন।

সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী জহুরুল ইসলামে নেতৃত্বে কর্মকর্তারা পুষ্পার্ঘ্য দেন শহীদ বেদিতে।

 

এ দুটি অফিসের যৌথ উদ্যোগে একুশে উদযাপিত হলো। সেখানে প্রবাসের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনও ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারাও ছিলেন সরব।

 

জেবিবিএ এবং জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগেও সন্ধ্যার পর পালকি পার্টি সেন্টারে একুশে স্মরণে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে এলাকার ব্যবসায়ী ছাড়াও আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি, নর্থবেঙ্গল ফাউন্ডেশন, শাপলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েটস, যশোর সোসাইটি, ঝিনাইদহ জেলা সমিতি, সুর-ছন্দ শিল্পীগোষ্ঠি, রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন, প্রবাসী সিরাজগঞ্জ ইউএসএ, প্রবাসী মতলব সমিতি, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন, তারার আলো, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অর্ধ শতাধিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

 

প্রবাসের শিল্পীরা একুশের গান পরিবেশন করেন। গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় ভাষা শহীদদের। এ কর্মসূচির সমন্বয় করেছেন আহ্বায়ক রাশেদ আহমেদ, সদস্য সচিব দেওয়ান মনির, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ চিশতী, মো. কামরুজ্জামান বাচ্চু, যুগ্ম সদস্য সচিব মিয়া মো. দুলাল, আবুল কাশেম, এম রহমান, মানিক বাবু, বিপ্লব সাহা।

 

 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নতুন প্রজন্মের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সাথে আয়োজক ও বিচারকরা।

 

সার্বিক সমন্বয়ে আরও ছিলেন মীর নিজামুল হক, হারুন ভুইয়া, সিরাজুল ইসলাম কামাল, মহসিন ননী, ফাহাদ সোলায়মান, আসেফ বারি টুটুল, জেবিবি এর সভাপতি আবুল ফজল দিদার, সেক্রেটারি কামরুজ্জামান কামরুল, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি শাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমী, প্রদীপ সাহা, ইকবাল রশীদ লিটন, কাজী শামসুজ্জামান, মনসুর চৌধুরী, পিয়ার আহমেদ, কামরুজ্জামান বকুল, সেলিম হারুন, মোল্লা মাসুদ, রুহুল আমিন সরকার, বিদ্যুৎ দাস, জে মোল্লাহ সানী, এলিন রহমান, শাহাদৎ হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন বাদশা, সাজ্জাদ হোসেন, সুবল দেবনাথ, শাহজাদা ইলিয়াস এবং নাজিরুল ইসলাম নাজু।

সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হোসেন সোহেল রানা, কবীর চৌধুরী, সাখাওয়াত বিশ্বাস এবং গোপাল সান্যাল।

 

নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী এবং সহ-সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজির নেতৃত্বে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দেন জ্যাকসন হাইটসের শহীদ মিনারে। সেখানে ফোবানার হোস্ট কমিটির পক্ষ থেকেও আবির আলমগীরের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলী দেওয়া হয়।

 

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি লাবলু আনসার এবং সহ-সভাপতি আকবর হায়দার কীরন, নির্বাচন কমিশনের প্রধান রাশেদ আহমেদ, কমিশনার মিশুক সেলিম, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কানু দত্ত, সদস্য নিহার সিদ্দিকী, ফারুক ও শহীদুল্লাহ কায়সারের নেতৃত্বে ফুল দেওয়া হয় এখানে।

 

সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদের নেতৃত্বে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সংগঠনের সদস্য-কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরীর নেতৃত্বে যুবদলের নেতা-কর্মীরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন শহীদ বেদিতে।

 

কুইন্স প্যালেসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ‘সম্মিলিত মহান একুশ উদযাপন’ কর্মসূচিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট এমসি কলেজ অ্যালামনাই, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাপা, বহ্নিশিখা সঙ্গীত নিকেতন, সুর-ছন্দ শিল্পী গোষ্ঠি, বিপা, উদীচী, সঙ্গীত পরিষদ, বাফা, রঙ্গালয়, বাংলাদেশী সিভিল সার্ভিস সোসাইটি, এএবিইএ, বামনা, প্রবাসী বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি, শরিয়তপুর সোসাইটি, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশন, নরসিংদী জেলা সমিতি, মিরসরাই সমিতি, বাংলাদেশি বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন, সবিতা মাদার অ্যান্ড চিল্ড্রেন ফাউন্ডেশন, কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোপালগঞ্জ ফাউন্ডেশন, ফেনী জেলা সমিতি, রায়পুর সোসাইটি, বেদান্ত সোসাইটি, প্রবাসী বেঙ্গলী খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, বগুড়া ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশন, মৈত্রি ফাউন্ডেশন, রংপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশন, নেত্রকোনা জেলা সমিতি, পঞ্চগড় জেলা কল্যাণ সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতিসহ শতাধিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠনের সম্মিলিত কর্মসূচিতেও বিপুল লোক-সমাগম ঘটে।

একুশের চেতনায় এগিয়ে চলা বাংলাদেশের সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ হবার সংকল্পও ব্যক্ত করা হয় এ অনুষ্ঠান থেকে। সমাজ থেকে অপ-সংস্কৃতি ঝেড়ে ফেলে প্রবাস প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক-বাঙালি চেতনায় বেড়ে উঠার পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

 

বরাবরের মতো এবারও গভীর শ্রদ্ধায় উদযাপিত একুশের এই কর্মসূচির সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন মোল্লা মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ হোসেন খান, এম এ আজিজ নঈমি, তাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, সুলতান শাহরিয়র, মনোয়ারুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ জাহিদ, গাজী সামসউদ্দিন, সাবিনা শারমিন নিহার, সাঈদা আকতার লিপি, এ্যানি ফেরদৌস, মেহের কবির, সবিতা দাস, ইমদাদুল হক, কাবেরী দাস, জীবন বিশ্বাস, ফরিদা ইয়াসমীন এবং সংগঠনের সভাপতি স্বপন বড়ুয়া ও সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা।

 

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদর্শনের আগে অনুষ্ঠিত হয় নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণে ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও একুশের চেতনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 

 

নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী।

 

ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগানিয়া কবিতা আবৃত্তিতে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-

ক গ্রুপে- প্রথম রুমাইয়া আনসারী, দ্বিতীয় লামিন মুহিত এবং তৃতীয় এলিনা রহমান, খ গ্রুপে- প্রথম মুন জাবিন হাই, দ্বিতীয় তাহিয়াতুল তাসবি এবং তৃতীয় তরুলতা দাসগুপ্ত। গ গ্রুপে- প্রথম সামিয়া ইসলাম, দ্বিতীয় আওসাফ আহমেদ আয়ুস্মান এবং তৃতীয় আশরাফ অসীম।

 

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে

 

ক গ্রুপে- যৌথভাবে প্রথম রায়না বড়ুয়া এবং জেবা সামারা, যৌথভাবে দ্বিতীয় এলিনা রহমান ও রাফিয়া এলমা, যৌথভাবে তৃতীয় রুমাইয়া আনসারী এবং মানহা মঞ্জুর।

 

খ গ্রুপে- যৌথভাবে প্রথম তরুলতা দাসগুপ্ত ও রাইফা ইয়াসমীন রুহা, যৌথভাবে দ্বিতীয় তাঞ্জিব পারভেজ ও মুনজাবিন হাই এবং যৌথবাবে তৃতীয় তাহিয়াতুল তাসবি ও রায়ানা সরকার।

 

গ গ্রুপে- যৌথভাবে প্রথম অবন্তি দাসগুপ্ত এবং অনুজা বড়ুয়া, দ্বিতীয় দুইজন নাবিলা হামিদ ও সামিয়া ইসলাম, যৌথভাবে তৃতীয় সুদীপ নন্দি ও রাফিয়া এলমা। ঘ গ্রুপের দুজন প্রতিযোগিকেই প্রথম পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এরা হচ্ছে রুশমিকা নাবিহা এবং সুমাইয়া আলম।

 

বাংলা লিখন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে :

 

ক গ্রুপে- প্রথম এলিনা রহমান, দ্বিতীয় লামিম মুহিত এবং তৃতীয় শ্রদ্ধা সাহা।

 

খ গ্রুপে- প্রথম মুনজাবিন হাই, দ্বিতীয় মুত্তাকী উল্লাহ এবং তৃতীয় রাইফা ইয়াসমীন রোহা।

 

গ গ্রুপে- প্রথম সুদীপ নন্দী, দ্বিতীয় আওসাফ আহমেদ আয়ুস্মান এবং তৃতীয় রাইফা ইয়াসমীন রোহা।

 

ঘ গ্রুপে- প্রথম নাহরীন ইসলাম, দ্বিতীয় দু’জন রুশমিকা নাবিহা ও নূহা হাওসার এবং তৃতীয় লিয়োনা মুহিত।

 

এছাড়া একুশের আলোকে প্রদত্ত বক্তৃতায় প্রথম মুনজাবিন হাই, দ্বিতীয় নূহা কাওসার এবং তৃতীয় হয়েছে অনুজা বড়ুয়া।

 

ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার অ্যাভিনিউতে গোল্ডেন প্যালেসে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মর্সূচির সমন্বয় ও নেতৃত্বে ছিলেন উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান প্রবাসী আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, মেম্বার সেক্রেটারী শাহেদ আহমেদ, উপদেষ্টা আব্দুস সহিদ, আব্দুল বাছির খান, মাহবুব আলম, আবদুল হাসিম হাসনু, হাসান আলী, আবদুল মুহিত, আহবাব চৌধুরী, আনোয়ারুল ভূইয়া,  চীফ কো-অর্ডিনেট এ ইসলাম মামুন, নজরুল হক, নুর উদ্দিন, বুরহান উদ্দিন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, মো. শামীম আহমদ, ফরিদা ইয়াসমিন, রেক্সনা মজুমদার, কবি নাসরিন চৌধুরী, কবি জুলি রহমান, মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, মুন্সী বশির উদ্দিন, তৌফিকুর রহমান ফারুক, মো. রফিকুল ইসলাম, মোজাফ্ফর হোসেন, আলাউদ্দিন পলাশ, মো. মাসুদ পারভেজ মুক্তা, বকতিয়ার রহমান খোকন, জসিম উদ্দিন, জহুরুল ইসলাম এবং তানিম চৌধুরী

 

 

কুইন্স প্যালেসে ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধাঞ্জলী।

 

বাংলাদেশের সাথে মিলিয়ে নিউ ইয়র্কে ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার বেলা একটা এক মিনিটে (বাংলাদেশে একুশের প্রথম প্রহর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে গত ২৭ বছরের মতো এবারও অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙালির চেতনামঞ্চ। তুষারপাত উপেক্ষা করেই জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসাসহ কূটনীতিকরা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরাও ছিলেন এ সময়।

 

এই সংবাদটি 1,234 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ