বিএনপির রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে, নানা মত  - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৪:৫৭, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

বিএনপির রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে, নানা মত 

banglanewsus.com
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
বিএনপির রাজনীতি কোন দিকে যাচ্ছে, নানা মত 

বিশেষ প্রতিবেদন: দেড় দশক ধরে সরকার বিরোধী আন্দোলনে থাকা বিএনপি আবারও রাজপথে ফিরতে চায়। গত বছরের ২৮ অক্টোবর ক্ষমতাসীনদের দমন পীড়নে মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়া দলটি আবার নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরতে চায়। অব্যাহত রাখতে চায় আন্দোলন। ভবিষ্যত কর্মসূচি কেমন হবে এ বিষয়ে দলটির নেতাদের মতামত নিচ্ছেন বিএনপির হাইকমান্ড।

 

ভবিষ্যত আন্দোলন নিয়ে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরাও দেখার অপেক্ষায় এবার কী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে হাজির হচ্ছেন বিএনপি নেতারা। বিএনপির সমমনা দলগুলোও তাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঠিক করবে। 

 

বিএনপি নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি দিয়ে মাঠে ফিরতে চায়। তারা শান্তিপূর্ণ ধারায় রাজনীতি করতে চায়। এমটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। 

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান আজ জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে বলেছেন, এখানে মানুষের কথা বলার অধিকার নেই, মানুষের মৌলিক অধিকার নেই, মানুষের ভোটের অধিকার নেই এবং এখানে মানুষের গণতন্ত্রের অধিকার নেই।

 

তিনি বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো লগি-বৈঠার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আর আমাদের যে কর্মসূচি তা চলমান রয়েছে। এই চলমান কর্মসূচি আমরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে অব্যাহত রাখব। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। 

 

নির্বাচনপরবর্তী পরিকল্পনা কিংবা আন্দোলন কেমন হবে— এই প্রশ্নের জবাবে বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, মূলকথা— জিয়াউর রহমানের যে আদর্শ, তিনি দেশকে পুনর্গঠন করেছেন, দেশের অর্থনীতিকে উন্নত করেছেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সূচনা করেছেন- আজকে সেটি ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। সেখান থেকে দেশকে রক্ষা, তিনি যে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই গণতন্ত্রকে আবার মেরে ফেলা হয়েছে। সেটিকে পুনরুজ্জীবিত করার যে লড়াই, সেই লড়াই চলছে। আর সেই লড়াইয়ের যে বিভিন্ন কর্মসূচি তা আপনাদের (সাংবাদিক) জানানো হয়। 

 

গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আগামী আন্দোলন কর্মসূচি শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান এই নেতা।

 

এদিকে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের একদফা দাবিতে আন্দোলন আবারও চাঙা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন ৩০ জানুয়ারি অথবা এর আগে কর্মসূচি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। 

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।