Sun. Feb 23rd, 2020

BANGLANEWSUS.COM

-ONLINE PORTAL

বেনাপোলে অবকাঠামাগত সমস্যায় রেলপথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে বাধা

1 min read

বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোল স্থল বন্দরের পাশাপাশি রেল পথেও আমদানি, রফতানি বাণিজ্য প্রসারের যথেষ্ট সম্ভবনা থাকলেও অবকাঠামাগত উন্নয়ন প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসানের কবলে পড়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন আর সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। ব্যবসায়ীদের দাবি প্রয়োজনীয় ভূমী অধিগ্রহণ করে কন্টিনিয়ার টার্মিনাল, রেলপথ ও বগি-ইঞ্জিন বৃদ্ধি করলে রাজস্ব বাড়বে।
বেনাপোল থেকে ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক শহর কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার কারণেই মূলত এ পথে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের প্রথম থেকে বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। কিন্তু অবকাঠামো গত সমস্যা বাণিজ্য বিস্তারে প্রধান বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। ১৯৯৯ সালে বেনাপোল রেল পথে ভারতের সাথে আমদানি বাণিজ্য শুরু হয়। সড়কে যানজটসহ বিভিন্ন ভোগান্তির কারণে দিন দিন রেল পথে বাণিজ্যে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বাড়তে থাকে। কিন্তু বাণিজ্য বৃদ্ধির সাথে সাথে এখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়ায় নানান সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে সংকীর্ণ রেলপথ, ইয়ার্ড ও পর্যাপ্ত বগি-ইঞ্জিন না থাকায় পণ্য নিয়ে রেল কার্গো দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকে । ফলে কমছে রেল বাণিজ্য।
ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল স্টেশনে কন্টিনিয়ার টার্মিনাল চালু হলে এ পথে আমদানি বাণিজ্য যেমন বাড়বে তেমনি বাণিজ্য হবে সহজিকরণ । এছাড়া পদ্মা সেতু চালু হলে তখন রেল পথ আরো প্রসস্থ হবে। এছাড়া বেনাপোল স্টেশনে পণ্য খালাসের কোন ব্যবস্থা নেই। বেনাপোল থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে নওয়াপাড়ায় নিয়ে পণ্য খালাস করতে হয়। এতে যেমন দ্রুত পণ্য সরবরাহ মারাত্মক ভাবে বিঘœ ঘটছে তেমনি বাড়তি অর্থ গুনতে হয় ব্যবসায়িদের। এতে ক্ষতিগস্থ হচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান বলেন, প্রতি মাসে এ পথে ভারত থেকে প্রায় ১৩ হাজার মে.টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হয়ে থাকে। এ খাত থেকে রাজস্ব আদায় হয় প্রায় এক কোটি টাকা। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন হলে এ পথে বাণিজ্য আরো বাড়বে তিনি জানান।

Copyright © Banglanewsus.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.