মাদকে ভাসছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টে ২০২০ ১২:০৯

মাদকে ভাসছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা

এম, এ কুদ্দুস, বিরল (দিনাজপুর) :
মাদকে ভাসছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা। সীঁমান্তের কাটা তারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে বানের পানিরমত অবৈধ ভাবে আসছে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেন্সিডিল,গাঁজা, হেরোইন,ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন আদিবাসী পল্লীতে গড়ে উঠেছে চোলাই মদের শতাধিক কারখানা। আর এসব মাদকদ্রব্যের ব্যবসায় প্রত্যক্ষ ও পরক্ষোভাবে সহযোগীতা করার জন্য অভিযোগ রয়েছে, কথিত অসাধুব্যক্তি, কতিপয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যের বিরুদ্ধে। গোটা উপজেলা জুড়ে একদিকে যেমন মাদকের করাল গ্রাসে উঠতি বয়সের কিশোর, যুবক-যুবতি ধ্বংসের দিকে ধাপতি হচ্ছে। অন্যদিকে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ ও বিজিবি’কে অনেকটা দায়ী করে আঙ্গুল তুলছে অভিভাবক ও সচেতন মহল। করোনা কালীন সময়েও সীঁমান্ত এলাকার হাট-বাজার, বিভিন্ন মোড় ও পাড়ায় পাড়ায় দিন-রাত বহিরাগতদের আনাগোনাসহ চলছে মাদকের অবাধ কেনা-বেচা। এ মাদক কেনা-বেচার সাথে জড়িত রয়েছে পুলিশের তথাকথিত সোর্সরাও। পুলিশ সোর্স মানি না দিয়ে মাদকদ্রব্য কমিশন দেয়ার করাণে কথিত সোর্সরা কমিশনে পাওয়া মাদকদ্রব্য অবাধে বিক্রি করছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র হতে জানা গেছে। বিজিবি’র প্রতি রয়েছে একটু আলাদা অভিযোগ। সূত্রটি জানায়, মাদক ব্যবসায়ী অনেকের সাথে বিজিবি’র সখ্যতা রয়েছে। বিজিবি’র উপরে মাদক ও চোরাচালান বিষয়ে উপরের চাপ আসলে কথামত মাদক ব্যবসায়ীরা বিজিবি কে পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ দেখানোর জন্য বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য দিয়ে থাকে। পরবর্ত্তীতে ওই মাদকদ্রব্য আসামীছাড়া উদ্ধার পূর্বক জব্দ দেখিয়ে বিজিবি থানায় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে আসছে। তবে পুলিশ ও বিজিবি পৃথক পৃথক ভাবে এ অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
বিরল থানার একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে আগস্টের ২৩ তারিখ পর্যন্ত বিরল থানায় মাদক সংক্রান্ত ১৬৩ জনকে আসামী করে ৬৭টি মামলা রুজু করা হয়েছে। এসব মামলায় ২৫৩৫ বোতল ফেন্সিডিল, ১১২০ গ্রাম গাঁজা, ৪০ লিটার চোলাইমদ. ৭৭১ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭ পুরিয়া হেরোইন এবং ৪ বোতল এম কে ডাইল উদ্ধার দেখানো হয়েছে। এসময়ের মধ্যে মাদক সংক্রান্ত ১০৭ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১০৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাসহ ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গোটা উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। তালিকার বাইরে রয়েছে প্রায় ৩ শতাধিক আরোও মাদক ব্যবসায়ী। অজ্ঞাত কারণে এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না।
এসব মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকার অসাধু ব্যক্তি, কতিপয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যেকে টু-পাইসের মাধ্যমে ম্যানেজ করে মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তালিকাভ’ক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, উপজেলার রাজুরিয়া বিহারীপাড়া গ্রামের মৃত: সুধীর চন্দ্র ওরফে বাংগুরুর পুত্র বিনয় চন্দ্র রায় (৩০), ভাবকী গ্রামের মোজাম্মেলের পুত্র আব্দুল আজিজ (৩৬), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত: খতিব উদ্দীনের পুত্র দুলাল (৪০), তেঘরা নারায়নপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন ওরফে জোলামিয়ার পুত্র মাদকদ্রব্য আইনে ৫টি মামলার আসামী জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), একই গ্রামের গফফার আলীর পুত্র মদিকদ্রব্য আইনে ৫ মামলার আসামী জুয়েল রানা (৩৫), আব্দুল গফফারের পুত্র আনারুল আলী (৩৫), মৃত: আফাজ উদ্দীনের পুত্র মোসলেম উদ্দীন (৪৫), কাঞ্চন নতুন পাড়া গ্রামের মৃত: কালু মোহাম্মদের পুত্র মাদকদ্রব্য আইনে ৯টি মামলার আসামী হামিদুল ইসলাম (৫০), তেঘরা নারায়নপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত: এজো মোহাম্মদের পুত্র মাদকদ্রব্য আইনে ৫টি মামলার আসামী আফসার আলী (৪৫), তেঘরা মহেশপুর গ্রামের মৃত: ধন্দু মোহাম্মদের পুত্র শহিদ (৩২), একই গ্রামের সিংপাড়ার মোস্তাকিনের পুত্র পায়েল (২৬), কাশিডাঙ্গা কান্দরপাড়া গ্রামের মৃত: আজিজার রহমানের পুত্র তাইফুর রহমান (৩০ নেহাল গ্রামের মৃত: গগনা ঋষির পুত্র শংকর ঋষি (৪৫), বটতলীর বাবু লালের পুত্র সন্তোষ (২৫), দারইল হাজিপাড়া গ্রামের মৃত: নাজির মোহাম্মদের পুত্র রমজান আলীর (৫০), রতনৈর নাড়াবাড়ী গ্রামের মৃত: জামাল উদ্দীনের পুত্র খালেদুর রহমান (৪৫), আকটি গ্রামের মনির উদ্দীনের পুত্র মসলেম (৩৫), গগনপুর গ্রামের গফফার আলী ফাগুর পুত্র মোক্তার হোসেন (৪০), একই গ্রামের তসলিমের পুত্র রব্বানী (৩২), রতনৈর গ্রামের মৃত: আমজাদ হোসেনের পুত্র মোজাহার আলী (৩৮), নোনাগ্রামের মোজাহারুল ইসলাম মোজার পুত্র মাদকদ্রব্য আইনে ২ টি মালার আসামী মহচেন (৪০) মৃত: তসিমুদ্দিন মিঠির পুত্র মমিনুল (৩২), একই গ্রামের মৃত: আব্দুল জব্বারের পুত্র নুর ইসলাম (২৭) ও সাহাজত আলীর পুত্র আব্দুস সালাম (৩২), আকর গ্রামের মৃত: আশরাফ আলীর পুত্র মমিনুল ইসলাম (৪৫), চকবালা গ্রামের সামিজ উদ্দীনের পুত্র আজাহার আলী (৩৫), ওকড়া গ্রামের আফসার আলীর পুত্র আব্দুস সাত্তার (৪৮), বিরল বাজার সুইপার পট্টির মৃত: কৃষ্ণার পুত্র পান্না (২১), মৃত: কৃষ্ণার স্ত্রী ১১টি মাদকদ্রব্য আইনে মামলার আসামী ফুলমতি বালা (৪৪) এবং একই এলাকার সাবুর স্ত্রী তারা মনি বালা বাসফোড়, পাইকপাড়া রেল স্টেশন এলাকার মৃত: ছমির উদ্দীনের পুত্র তছলিম উদ্দীন (৫০), বিরল ধজিরপাড়া এলাকার মৃত: আব্দুল গফুরের পুত্র আল্লাম ওরফে আলম (৪০), শংকরপুর গ্রামের মৃত: মফিজ উদ্দীনের পুত্র ফারুক (৪২), একই গ্রামের মৃত: আমিনুল ইসলামের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৩০), টেংরা হাজারী দুলোহরী গ্রামের মৃত: আলী সুরত ওরফে গগিস্থায়ীর পুত্র ফারুক (৪২), রামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সামেদ আলীর পুত্র নুর জামান (৪৫), বৈরাগীপাড়া গ্রামের মৃত: নকিম উদ্দীনের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) একই গ্রামের মৃত: আজিজুর রহমানের পুত্র নয়ন আলম (৩৪), ঠনঠনিয়া গ্রামের রাজা মেম্বারের পুত্র নাজমুল ইসলাম (৩৬), দক্ষিণ রঘুনাথপুর বুড়ীর হাট গ্রামের আব্দুল জলিলের পুত্র ৫টি মাদক মামলার আসামী শিমুল মিয়া (২৮), মৌচুষা ঠাকুরপাড়া গ্রামের শংকর চন্দ্র রায়ের পুত্র তপন কুমার রায় (৩২), খোপড়া গ্রামের দলিল উদ্দীনের পুত্র মহিদুল ইসলাম (৪০),পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের হোসেন আলীর পুত্র ৫টি মাদক মামলার আসামী আইজুল ইসলাম (৫০), বালান্দোর শাহাপাড়া গ্রামের মৃত: আব্দুল মালেকের পুত্র ৫টি মাদক মামলার পলাশ (৪৫), বালান্দোর ক্যাম্পপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র ২টি মাদক মামলার আসামী নুরে আলম ওরফে হুরে আলম (৪০), ৫টি মাদক মামলার আসামী জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) এবং ১ টি মাদক মামলার আসামী রায়হান (২৪), বালান্দোর মৌচুষা গ্রামের মৃত: আব্দুর রহমান চৌধুরীর পুত্র হেলাল চৌধুরী (৫৩), বান্দইল গ্রামের ঘেরুর পুত্র ৬টি মাদক মালার আসামী মোজাম্মেল (৩৫), একই গ্রামের মৃত: সইফুর রহমানের পুত্র ৪টি মাদক মামলার আসামী সাদ্দাম (২৮),বেতুড়া বাচ্চাপাড়া গ্রামের আফসার আলীর পুত্র জামিল হোসেন (৩৫), দৈকতবাড়ী গ্রামের আব্দুস সোবহানের পুত্র মোশারফ হোসেন মোশা (৪০), দক্ষিণ রঘুনাথপুর গ্রামের সেরাজ উদ্দীনের পুত্র আব্দুল হামিদ আলাল (৪৫), একই গ্রামের আনিসুর রহমানের পুত্র আসিফ ইকবাল (২২), ভারাডাঙ্গী ভাটপাড়া গ্রামের কছিম উদ্দীনের পুত্র ৭টি মাদক মামলার আসামী আনোয়ার হোসেন সাগর (৪১), আমুলিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম বটুর পুত্র আরমান আলী (২৭), লক্ষীজল গ্রামের সাইফুল ইসলামের পুত্র জহিরুল ইসলাম (৩৫), একই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম (৩৫), উত্তর বহলা সাতাহার গ্রামের তমিজ উদ্দীনের পুত্র আইয়ুব আলী (৪৫), বিস্তইড় দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত: মকছেদ আলীর পুত্র ১টি মাদক মামলার আসামী মামুনুর রশিদ ওরফে সাদ্দাম (৩৮), বিজোড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের হবিবুর রহমানের পুত্র ফয়জার হোসেন (৩৫), কাওছার আলী (৩৬), একই গ্রামের মৃত এছাহাক আলীর পুত্র ৩টি মাদক মামলার আসামী মোকারম হোসেন লাউ (৪৩), মৃত: নাসের মোহাম্মদের পুত্র আফছার আলী (৪৫) ও আনছার আলী (৪০), বিজোড়া মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত: মঞ্জুরুল ইসলামের পুত্র মোরসেদুল ইসলাম সেল্টু (৪৬) বনগাঁও গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজের পুত্র সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নূর ইসলাম (৫০) ও আলমগীর হোসেন (৪০), আলিম মোহাম্মদের পুত্র কেতাব আলী (২৪) এবং স্ত্রী মেহেনুর বেগম (৪২), জুম্মা পাড়ার মৃত: আব্দুল লতিফের পুত্র হাবিবুর রহমান হব্বু (২৮), ধর্মপুর টিকরি পাড়া গ্রামের আজিজুর রহমান আইজুর এর পুত্র মাদকসহ বিভিন্ন ১৫টি মামলার আসামী আলম ওরফে বৈরাগী আলম ওরফে ছাদ আলম (৪৩), কৈকুড়ি গ্রামের তছলিমের পুত্র ফারুক (৩৮), ধর্মজইন গ্রামের জিল্লুর রহমানের পুত্র ৭টি চোরাচালান ও মাদক মামলার আসামী মোকারম হোসেন (২৯), একই গ্রামের আলম হোসেনের পুত্র শহিদুল ইসলাম (২২), ধর্মজইন কাড়োলিয়া পাড়ার মোজাহার আলীর পুত্র মাদক চোরাচালানসহ ৪টি মামলার আসামী সালা উদ্দীন (২৭), একই গ্রামের আবুল কালাম ওরফে লাল মিয়ার পুত্র আইয়ুব আলী (৩৬), কাঠালিয়া পাড়ার মৃত মজিবর রহমান বঙ্গার পুত্র ৫টি মাদক মামলার আসামী দুলাল হোসেন ওরফে দাতুয়া দুলাল (৪৮), হাজ্বীপাড়ার আলম সাপুড়িয়ার পুত্র কবির হোসেন (৩০), মোস্তফার পুত্র আফজাল হোসেন (৩০), ধর্মজইন ভুটিয়াবন গ্রামের একরামুল হোসেনের পুত্র আব্দুর রহমান (৩৪), ধর্মপুর জামকুড়ি গ্রামের মৃত: মমতাজ আলীর পুত্র কাউয়া দুলাল (৩৬), ডাউয়া কুড়ির মৃত: মোজাহার আলীর পুত্র মাদক চোরাচালানসহ ৬টি মামলার আসামী শামিম (৩০), ইসলামপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের পুত্র ২টি মাদক মামলার আসামী মমিনুল ইসলাম (৩২), কমলপুর গ্রামের জামাল উদ্দীনের পুত্র আমিনুল ইসলাম (৩২), কামদেপুর গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র জহিরুল হক (৩০), একই গ্রামের এসহাক আলীর পুত্র বাবুল (৩০), বামনগাঁও গ্রামের সাহেদ আলীর পুত্র ১টি মাদক মামলার আসামী আব্দুল আলিম (৩২), বিল্লা গ্রামের মৃত: আফিজ উদ্দীনের পুত্র ২টি মাদক মামলার আসামী আলীম আলী (৩৫), একই গ্রামের অফিজের পুত্র ৫টি মাদক ও চোরাচালান মামলার আসামী মিজান (৩২), দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত: পয়গাম আলীর পুত্র ইয়াকুব আলী (৩২) ও হাচেন আলী (৩৬), একই গ্রামের মৃত: জগদীশ চৌহানের পুত্র গনেশ চৌহান (৩৬), মঙ্গলপুর বাজার এলাকার আহাম্মেদ আলীর পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান রয়েল (৩২), শিকারপুর রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র মামুন (২৬), শিজগ্রামের ধীরেন চন্দ্রের পুত্র কৃষ্ণ চন্দ্র (৫০), উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের পুত্র এনামুল হক (৩৬), একই গ্রামের মহির উদ্দীনের পুত্র আবেদ আলী (৩৫), শিকারপুর গ্রামের মৃত: আব্দুল্লাহ এর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (৩০),মৃত: মোজাফফরের পুত্র আহসান আলী (৩৪), মৃত: শশী ডাক্তারের পুত্র অশনি ওরফে ঈশানী (৫৫), বোর্ডহাট মোড় এলাকার আব্দুল জলিলের পুত্র বাবু (৩৫), খোদ শীবপুর গ্রামের বছির উদ্দীনের পুত্র আনিছুর রহমান (৩৪), ২টি মাদক মামলার আসামী রঘুদেবপুর কাঁঠালডাঙ্গী গ্রামের মৃত: আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র হুমায়ুন কবীর বাবু (৩২), একই গ্রামের মৃত: রইচ উদ্দীনের পুত্র মোজাফফর হোসেন (৩৪), রাঙ্গণ গ্রামের থপাল চন্দ্রের পুত্র বাংলা চন্দ্র (৩০), একই গ্রামের সুবল চন্দ্রের পুত্র ১টি মাদক মামলার আসামী ফুর্তি রায়, বহবলদিঘী গ্রামের প্রভাসু মাছুয়ার পুত্র রঞ্জিত (৩০), জগতপুর গ্রামের মমতাজ আলীর পুত্র নাসিম (৩০), ফাইমুদ্দিনের পুত্র রশিদ (২৮), শিবপুর গ্রামের মৃত: জানাই চন্দ্রের পুত্র টংক চন্দ্র (৩৫), পশ্চিম কাজিপাড়া গ্রামের মৃত: এরফান আলীর পুত্র বেলাল হোসেন (৪০), বিলাইমারী গ্রামের সমির আলীর পুত্র রফিুকুল ইসলাম (৩৭), একই গ্রামের আজিমুদ্দিনের জামাই সাগর (৩৮), বরাহ নগর গ্রামের জিন্নাত আলীর পুত্র জয়নাল (৩৪), মির্জাপুর গ্রামের মৃত: বদিও উদ্দীনের পুত্র এমাজ উদ্দীন (৪৫), একই গ্রামের মৃত: হাফিজ উদ্দীনের পুত্র জিয়াউর রহমান (৩৮), দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের মৃত: রইচ উদ্দীনের পুত্র মাদক চোরাচালানসহ ৪টি মামলার আসামী মোয়াজ্জেম হোসেন (৩১), সারাঙ্গাই ক্যাম্পপাড়া গ্রামের সোলেমান আলীর পুত্র রবিউল ইসলাম, একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র গোলাপ (২৭), অহেদ আলীর পুত্র ৩টি মাদক মামলার আসামী শাহাজালাল (৩৫), সারাঙ্গাই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র মাদকসহ ৫টি মামলার আসামী মিজান ওরফে নাড়িয়া মিজান (৩৫), সোলেমান আলীর পুত্র সাদেকুর রহমান (৩৬), লুৎফর রহমানের পুত্র রবিউল ইসলাম (৩৬), সারাঙ্গাই পলাশবাড়ী গ্রামের মৃত: সামশুদ্দিনের পুত্র ২টি মাদক মামলার আসামী দুলাল হোসেন (৩৭), পলাশবাড়ী গ্রামের মৃত: আলী হোসেনের পুত্র ৫টি মাদক মামলার আসামী শফিকুল ইসলাম (৩৫), সারাঙ্গাই নুনিয়াপাড়া গ্রামের মৃত: রইচ উদ্দীনের পুত্র সোরওয়ার হোসেন (৪০), দক্ষিণবাড়ী গ্রামের মৃত: আকবর আলীর পুত্র মিজানুর রহমান (৩৮), ধুলাতৈড় গ্রামের ওহেদ আলীর পুত্র মাদক চোরাচালানসহ ৮টি মামলার আসামী আবু তাহের (২৭) এবং একই গ্রামের মর্তুজার পুত্র আব্দুর রউফ মুরগী (৪০)।
এব্যাপারে বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাসিম হাবিব জানান, আমরা কোন সোর্সকে সোর্স মানি হিসাবে মাদকদ্রব্য দেইনা। পুলিশের সোর্স দাবী করে কেউ মাদক ব্যবস্যা করলে খবর পাওয়া মাত্র তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদকের ব্যপারে আমাদের কোন ছাড় নেই। পুলিশ এব্যপারে ব্যবস্থা নিতে সব সময় সোজাগ এবং তৎপর রয়েছে।
বিরল উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার আগে থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে তৎপর রয়েছি এবং বিভিন্ন সভা সমাবেশে মাদকের কুফল সম্পর্কে জনসন্মুখে বক্তব্য দিয়ে আসছি। দায়িত্ব নেয়ারপর আমি উপজেলার প্রতিটি সেক্টরের দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধি, আইন শৃংখলা বাহিনী ও জনগণকে সাথে নিয়ে মাদক প্রতিরোধে কাজ করে আসছি। বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্তিতিতে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন কারীরা বিভিন্ন এলাকায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে শুনেছি। আমি মনে করি করোনার থেকেও মাদক ভয়াবহ। তাই দ্রুত প্রতিটি পয়েন্টে পয়েন্টে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হবে এবং কোন জনপ্রতিনিধি বা অসাধুব্যাক্তি মাদকের সাথে জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসন দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহন করবে। বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিনাত রহমানের কাছে এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমি বিরলে যোগদানের পর থেকেই দেখছি এখানে মাদকের প্রবণতা একটু বেশি। এটা হচ্ছে সীঁমান্ত এলাকা হবার কারণে। করোনা পরিস্তিতির কারণে আমরা বর্তমানে স্বাস্থ্য বিধির উপর অভিযান ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছি। তবে খুব শীঘ্রই ট্রাক্সফোর্স গঠন করে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •