মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংঙ্কা

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual8 Ad Code

সাউথ এশিয়া ডেস্ক: গত কয়েকবছর ধরে গৃহযুদ্ধের জালে আক্রান্ত মিয়ানমার। জান্তা সরকারের সঙ্গে সশস্ত্রযুদ্ধে জড়িয়েছে বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলো। বর্তমানে এই যুদ্ধের ব্যপ্তি বেড়েছে আগের যে কোনো সময়ের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে মিয়ারমার ইস্যুতে পরাশক্তিগুলোর দ্বন্দ্ব সামনে আসছে।

Manual8 Ad Code

মিয়ানমারে বরাবরই চীনের প্রভাব রয়েছে। তবে সেখানে বাগড়া দিতে চায় মার্কিন প্রশাসন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে চীনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র মরিয়া। সম্প্রতি মিয়ানমারে অভ্যন্তরীন পরিস্থিতিতে বাইরের হস্তক্ষেপ হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে চীন। এতে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের মাঝখানে পড়ে গেছে বেইজিং ও ওয়াশিংটন। মিয়ানমারের রাজনীতিতে গণতন্ত্রপন্থিরা কোনঠাসা। আর গৃহযুদ্ধের ডামাডোলে মার্কিনিরা গণতন্ত্রপন্থিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততরা বৃদ্ধি করছে। ফলে বেইজিং শিবিরে মার্কিন উপস্থিতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

Manual5 Ad Code

গত ১৬ আগস্ট, একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের বসেন লাওস, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। যেখানে চীন জোর দিয়ে বলে আসছে মিয়ানমারে ‘বহির্দেশীয় হস্তক্ষপের’ অর্থ হচ্ছে সীমালঙ্ঘন করা। যদিও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি। তবে তার মন্তব্য ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে জবাব বলেই মনে হয়েছে।

Manual2 Ad Code

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু কর্মকর্তা ও মিয়ানমারের বিরোধীদলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। যেখানে ওয়াশিংটন অসামরিক সরকারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে তাদের সমর্থন পূনর্ব্যক্ত করে। এতে পরিষ্কার এই ধারনা প্রকাশ পাচ্ছে, সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের একত্রিত লড়াইকে সমর্থন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code