মুন্নাকে যেভাবে শনাক্ত করে সিআইডি

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২০ নভে ২০২০ ০৯:১১

মুন্নাকে যেভাবে শনাক্ত করে সিআইডি

ডেস্ক নিউজ, ঢাকা: সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের ডোম সহকারী হিসেবে প্রায় ৪ বছর ধরে কাজ করছে মুন্না ভগত। শুরু থেকে মর্গে আসা মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো। ময়নাতদন্তের আগে লাশ রাতে পাহারা দেয়ার সময় এ কাজে লিপ্ত হতো। গত এক বছরে অন্তত ৬ জন মৃত নারীকে ধর্ষণ করেছে। ছয় নারীর এইচভিএসে (হাই ভ্যাজাইনাল সোয়াব) মুন্নার ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। লাশগুলো আত্মহত্যাজনিত কারণে মৃত ছিল। ১২ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে তুলনামূলক ভালো লাশ এলেই মুন্না ধর্ষণ করতো। আজ দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে, গতকাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে মুন্না। প্রেস ব্রিফিংয়ে সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ রেজাউল হায়দার জানান, ৬ মৃত নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের ডোম সহকারী মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুন্নার ডিএনএ প্রোফাইল মিলে যাওয়ায় মৃতদেহের ওপর সে যে বিকৃত যৌনাচারের করেছে সেটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, মুন্না গত দুই-তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। এদিকে, গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই সংবাদটি 1,232 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ