যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকা না নেওয়াদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি

প্রকাশিত:রবিবার, ১৮ জুলা ২০২১ ০৪:০৭

যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকা না নেওয়াদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি

নিউজ ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের ‘ডেল্টা’ ধরনটির সংক্রমণ বাড়ছে। বিশেষ করে যারা এখনও টিকা গ্রহণ করেনি তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত্যু বেড়ে গেছে। যারা এখনও টিকা নেননি তারাই বেশি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্য অনুযায়ী, সাতদিনের গড় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা এখন ২৬ হাজারের বেশি, যা জুনের চেয়ে দ্বিগুণ। জুনে এই সংখ্যাটি ১১ হাজারে নেমেছিল। খবর রয়টার্সের

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক জায়গায় উদ্বেগজনক মাত্রায় করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লস অ্যাঞ্জেলেসে বুধবারের আগের ছয়দিনে এক হাজারের বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যেখানে আগে এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪শ’ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। গত বুধবারেই সেখানে করোনায় মারা গেছেন নয়জন।

লস অ্যাঞ্জেলেসসহ ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য শহরগুলোতেও করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। করোনার ডেল্টা ধরনটিই বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এখনও যারা যারা টিকা নেননি তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি।

লস অ্যাঞ্জেলেসে ফের মাস্ক করা ও করোনার বিধিনেষেধ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের জনস্বাস্থ্য বিভাগ বৃহস্পতিবার টুইটারে জানিয়েছে, টিকা দেওয়ার হারের ওপর দিকটা দেখে সবাইকে ইনডোর মিটিংয়েও মাস্ক পরার অনুরোধ করছি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শনিবার মধ্যরাত থেকে সেখানে মাস্ক করার বাধ্যবাধকতা কার্যকর করা হবে।

বৃহস্পতিবার ক্যালিফোর্নিয়ায় স্যাক্রামেন্টো এবং ফ্রেসনো কাউন্টি সুপারিশ করেছে, টিকা দেওয়া ব্যক্তিদেরও ইনডোরে মাস্ক পরা উচিৎ।

দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নাগরিকদের টিকা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লস অ্যাঞ্জেলেসে যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মাত্র ০.০৯% করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি যারা আক্রান্ত হয়েছেন তারা টিকা নেননি।

ফ্রেসনো কাউন্টি পাবলিক হেলথ চিকিৎসক জন জুইফ্লার বলেন, যারা টিকা নিয়েছেন তাদেরও জনসমাগম এড়িয়ে চলা উচিৎ। তাদেরও মাস্ক পরা উচিৎ।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •