• ২১ জানুয়ারি, ২০২২ , ৭ মাঘ, ১৪২৮ , ১৭ জমাদিউস সানি, ১৪৪৩

যে কোনো সময় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে রাশিয়া-ন্যাটোর মধ্যে

newsup
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৪, ২০২২
যে কোনো সময় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে রাশিয়া-ন্যাটোর মধ্যে

নিউজ ডেস্কঃ রাশিয়া ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটোর মধ্যে যে কোনো সময় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিগনিও রাও। তার মতে গত ৩০ বছরের মধ্যে যুদ্ধ বাধার সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করা নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যে কয়েকদিন ধরে অস্থিরতা চলছে। চলমান অস্থিরতা দূর করতে বৃহস্পতিবার ভিয়েনায় বৈঠকে বসে দুই পক্ষ। তবে আলোচনা শেষে রাশিয়ার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন,আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।

এরপরই পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কা করেন। তিনি জানিয়েছেন তারা আশা করছেন পুরো বিষয়টি শান্তি বজায় রেখে সমাধান করা হবে।

পোল্যান্ডের পররাষ্টমন্ত্রী জিগনিও রাও বলেন,যা মনে হচ্ছে ৩০ বছরের মধ্যে ওএসসিই অঞ্চলে যুদ্ধ বাধার সবচেয়ে বড় ঝুকিতে আছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পূর্ব ইউরোপে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় আছি আমরা। আমাদের ইউক্রেন সমস্যাটি শান্তি বজায় রেখে সমাধান করার দিকে নজর দেয়া উচিত।

ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার পরই বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ে রাশিয়া। তারা ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় এক লাখ সৈন্য মোতায়েন করে। এরপর ন্যাটোর কাছে দাবি করে বলে, রাশিয়াকে নিশ্চয়তা দিতে হবে ইউক্রেনকে কখনো ন্যাটোর সদস্য করা হবে না। সঙ্গে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের যে দেশগুলোতে ন্যাটোর সৈন্যরা আছে সেখান থেকে তাদের প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

উত্তেজনা নিরসনে ব্রাসেলস ও ভিয়েনায় দুই দফা আলোচনা হয়। রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেছেন, কিছু ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তারা চান বাস্তবসম্মত ফলাফল।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে এমন আশঙ্কা করা হলেও রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন আক্রমণ করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।

তবে তারা সঙ্গে এও জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করে রাখবে। তাছাড়া কোন ফলপ্রসু সমাধান না পেলে ও রাশিয়া যদি মনে করে বিষয়গুলো তাদের জন্য হুমকিস্বরূপ তাহলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •