রাজনগরে ১৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল উৎসবের আমেজ

প্রকাশিত:সোমবার, ১৩ সেপ্টে ২০২১ ১০:০৯

রাজনগরে ১৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল উৎসবের আমেজ
রাজনগর প্রতিনিধি :-
করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ  ছিল দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর নিয়মনীতির সর্তসাপেক্ষে খুলার অনুমতি দিয়েছেন সরকার। দেশের অন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেওয়া হলে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা আঙ্গিনা। উৎসবীয় আমেজ নিয়ে উপজেলার  ১৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল কলেজে ও মাদ্রাসায় প্রবেশ করেছে। প্রতিষ্ঠান গুলো পরদর্শনে তৎপর রয়েছিল উপজেলা  প্রসাশন। সরেজমিনে  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে নিজ নিজ শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন পর এক সহপাঠির সাথে আরেক সহপাঠির দেখা হচ্ছে আর সেই আনন্দের অনুভূতি অন্যরকম।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান খান বলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোললেও বাবা, মা বা অভিভাবকগণ অবশ্যই তাদের সন্তানদের মাস্ক, হ্যান্ড ওয়াশ, ও দূরত্বের ব্যাপারে অবগত করতে হবে এবং শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ছাত্রদেরকে হাত ধোয়া, বাহিরের খাবার না খাওয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ বজায় রাখা বিষয়ে এবং অসুস্থ অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না আসার জন্য  মটিবেট করা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল বলেন উপজেলা প্রশাসন থেকে শুক্রবারসহ গত কয়েকদিন যাবত আমরা সরকারি নির্দেশনা বহাল রাখতে নিয়মিত তদারকি করেছি। আজ প্রথমদিন হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে কোনরকম গাফলতি আপাতত পাইনি। তবে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেসের বিষয়ে অবগত করেছি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভাঃপ্রাঃ) সোমা ভট্টাচার্য বলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। লতাপাতা, ঝোপঝাড়, দীর্ঘদিনের আবর্জনা পরিষ্কার করে পাঠদানের উপযোগী করা হয়েছে। আগামীতে ইউনিফর্মের বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোর ৭-১০ দিন আগে থেকে পরিবেশ ভালো, নির্দেশনা অনুযায়ী হয়েছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ।
মশা, ভাইরাস প্রতিরোধক স্প্রে করা হয়েছে। আছে হ্যান্ড সেনিটাইজার, থার্মোমিটার, এবং
আইসোলেশনের রোম ব্যাবস্থা করা আছে। তিনি আরো বলেন বহুদিনপর টিচারদের সাথে দেখা করতে পেরে ভালো লাগছে। টেংরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু খান বলেন উপজেলার অন্যতম বিদ্যালয় শহীদ সুদর্শন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে মাস্ক, সেনিটাইজার বিতরন করেছি, মিষ্টি মুখ করিয়েছি, প্রায় দেড়বছর পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখে ভালোই লাগছে।

এই সংবাদটি 1,228 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ