শমশেরনগর হাসপাতাল: আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কাম্য

প্রকাশিত:শনিবার, ০৫ জুন ২০২১ ০৬:০৬

শমশেরনগর হাসপাতাল: আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কাম্য
মুজিবুর রহমান রঞ্জু :::  
শমশেরনগর হাসপাতাল স্থাপন এখন সময়ের ব্যাপার। আমরা ব্যক্তিগতভাবে, ওয়াটসআপ জুম মিটিং করে ও গণ সংযোগ করে দেশে বিদেশে যেভাবে শমশেরনগর হাসপাতালের পক্ষে সাড়া পেয়েছি তার জন্য শুকরিয়া আদায় করতে হয়। দেশ বিদেশে শুধু শমশেরনগরী নয় আশপাশের ইউনিয়ন, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগরের বিভিন্ন এমনকি সিলেট জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রবাসীরাও শমশেরনগর হাসপাতালের সাথে যুক্ত হয়েছেন।
আমাদের ভবন নির্মাণের একটি ডিজাইন করাও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমান ও সাবেক দুইজন সিভিল সার্জন ভবনের ডিজাইন দেখে খুশী তবে দুই একটি জায়গায় তারা সামান্য পরিবর্তন করে দিযেছেন। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শমশেরনগর হাসপাতাল নামে অন লাইনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। মাটি ভরাট শেষে সয়েল টেষ্ট করা হয়েছে। দাতাদের প্রতিশ্রোত টাকার চেক গ্রহন কার্যক্রম চলছে। চেক গ্রহন সম্পন্ন হলে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
প্রতি রাতেই আমরা ইংল্যান্ড থেকে ময়নুল ইসলাম খান ময়নুর সঞ্চালনায় ওয়াটসআপ জুম মিটিং করে নতুন নতুন দাতা ও অভিজ্ঞজনদের সাথে শমশেরনগর হাসপাতাল নিয়ে মতবিনিময় করি ও তাদের সহায়তা কামনা করি। এরই মাঝে আমাদরে শমশেরনগরের কয়েকজন মুরব্বীদের সাথে জুম মিটিং করে খুবই গর্ববোধ করছি।
শমশেরনগরের এক সময়ে কৃতি খেলোয়াড়, সমাজ সেবক, রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন অব: সাজ্জাদুর রহমান, এক সময়ের কৃতি খেলোয়াড় , সমাজ সেবক, জনপ্রতিনিধি ও মরহুম আজহম উল্যার ছেলে আব্দুল মন্নাফ। এসময় আরও যুক্ত ছিলেন আব্দুল মন্নাফ সাহেবের ভাতিজা মরহুম তজমুল আলীর ছেলে জুয়েল আহমদ। তাছাড়া আরও যুক্ত ছিলেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা (অব: এসপি) কায়ছার আহমদ হায়দরী, উনার বড় ভাই স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সিলেট বিভাগীয় অব: কর্মকর্তা কবির আহমদ হায়দরী, কানাডা থেকে বিশিষ্ট সমাজ সেবক, এক সময়ের খেলোয়াড় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ চৌধুরী, ঢাকা থেকে আমার বড় ভাই সাবেক খেলোয়াড় মুক্তিযোদ্ধা খালেকুর রহমান খালেক।
বরাবরের মত উপস্থিত ছিলেন শমশেরনগর হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক কন্ঠ শিল্পী সেলিম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব শামছুল হক মিন্টু, ও হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও পলিষি মেকার অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান কামরান।
স্থানীয় মুরব্বীদের অংশ গ্রহনে এ জুম মিটিং ছিল আনন্দঘন ও আবেগ আপ্লুত একটি মিটিং। অনেক বছর ও অনেক দিন পর এলাকার পরিচিতজনদের দেখে কেউ আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। ক্যাপ্টেন সাজ্জাদুর রহমান ও আব্দুল মন্নাফের কথায় এ হাসপাতাল আমাদের প্রাণের দাবি। যে কোনভাবে এটি বাস্তবায়ন হতে হবে। আর যারা হাসপাতাল বাস্তবায়নে কাজ করছো তাদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও দোয়া রয়েছে। বয়সের ভারে ও অসুস্থ্যতার কারণে হয়তো মাঠে এসে আমরা সহায়তা করতে পারছি না। তবে আমাদের মনপ্রাণ যুক্ত রয়েছে তোমাদরে সাথে। আমরাও মুরব্বী হিসেবে আপনাদের জন্য দোয়া কামনা করি। আল্লাহ যেন আপনাদের আয়ু আরও বাড়িয়ে দেন। আপনারা বটকৃক্ষের ছায়ার মত আমাদের ছায়া দিয়ে যাবেন।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক মৌলভীবাজার 

এই সংবাদটি 1,252 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •