শ্রীনগরে হাঁসাড়ায় তাজা মাছের মেলা!

প্রকাশিত:শুক্রবার, ১১ ডিসে ২০২০ ০৮:১২

শ্রীনগরে হাঁসাড়ায় তাজা মাছের মেলা!

নিউজ ডেস্ক, নিউইয়র্ক: বিলের তাজা ও ভেজালমুক্ত মিঠা পানির মাছ বিকিকিনি করা হচ্ছে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া এলাকার ভাই ভাই মৎস্য আড়তে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন হাঁসাড়া আর্দশ সমবায় সমিতি মার্কেটের সামনে এই মৎস্যর আড়টিতে বসে দেশী সব মাছের বিকিকিনির মেলা। প্রতিদিন ফজরের আজানের পর পরই আড়তটিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে জেলেরা বিল ও পুকুরের মাছে নিয়ে আসতে শুরু করে। বিকিকিনি শেষ হয় সূর্য উঠার আগেই। জানা যায়, ১৯৮৫ সনের দিকে মাত্র ২ জন মৎস্য ব্যবসায়ী দিয়ে আড়তের যাত্রা শুরু হয়। এখন ৮/১০ জন আড়ৎদার আছেন এখানে। ভোর সকালে আড়তে মাত্র দেড় ঘন্টার বিকিকিনির কাজে জেলেসহ প্রায় শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। শোল, গজার, রুই, কাতল, কৈ, শিং, বোয়ালসহ বিভিন্ন জাতের দেশী মাছ ক্রয় করতে হাজারো লোকের সমাগম ঘটে এখানে। গড়ে প্রতিদিন ৫/৬ লাখ টাকার মাছ কেনা বেচা হয় এই আড়তে। দিনদিন হাঁসাড়ার ভাই ভাই মৎস্য আড়তটি দেশী মাছের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।স্থানীয়রা জানায়, আড়িয়াল বিলসহ বিভিন্ন পুকুর ও ডাঙা থেকে প্রায় শতাধিক পেশাদার জেলে দেশী জাতের ছোট বড় সব ধরনের মাছ নিয়ে আসেন এই আড়তে। ভোর সকালে শতশত মাছের পাইকার ও এলাকাবাসী মিলে হাজার লোকের ডাক চিৎকারে জমে উঠে আড়ত। ভেজালমুক্ত ও তাজা এসব দেশী মাছ পাওয়ার আসায় ভিড় জমান সাধারণ ক্রেতারাও। তুলনামূলকভাবে কমদামে পছন্দের মাছ কিনতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা।
ভাই ভাই মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ী মো. কমরউদ্দিন মোড়ল ও মো. খোরশেদ বলেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে মাত্র ২ জন মৎস্য ব্যবসায়ী এখানে আড়তদারী শুরু করেন। এখানে আড়তদারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একজন আড়তদারের কাজকর্মে সহযোগিতায় প্রায় ১০/১৫ লোক কাজ করেন। দেড়-দুই ঘন্টা কাজের বিনিময়ে তারা বাড়তি আয়ও করতে পারছেন।

মৎস্য আড়ত কর্তৃপক্ষ জানায়, সমিতির জায়গা ব্যবহার করার কারণে মৎস্য আড়ত পক্ষ দৈনিক ২’শত করে টাকা জমা দিচ্ছেন সমিতির ফান্ডে। মাছ বিকিকিনির ক্ষেত্রে দাদন নেওয়া জেলের কাছ থেকে শতকরা ৫ টাকা করে আড়তদারী নেওয়া হয়। এছাড়া অন্যান্য জেলেদের কাছ থেকে আড়তদারী হিসেবে নেওয়া হয় শতকরা ৩ টাকা করে।

এই সংবাদটি 1,233 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •