সুযোগ পেলেই বাংলাদেশে যাব — ডুডল বিজয়ী অড্রে ঝাং

প্রকাশিত:বুধবার, ০৬ অক্টো ২০২১ ১০:১০

সুযোগ পেলেই বাংলাদেশে যাব — ডুডল বিজয়ী অড্রে ঝাং

অড্রের বিশেষ এ পুরস্কার প্রাপ্তি, বাংলাদেশের জন্য অর্থ খরচ—এসব নিয়ে কিশোর আলোর পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বাংলাদেশের নাম শুনে দারুণ খুশি হয় অড্রে। টেলিফোনে যখন বলি কিশোর আলোর কথা, শুনে আরও খুশি হয় সে। গড়গড় করে বলে যায় নিজের কথা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণ করা অড্রে আঁকাআঁকিতে হাতেখড়ি হয় দুই বছর বয়সেই। শুধু যে আঁকাআঁকিই তার পছন্দ তা কিন্তু নয়। পাশাপাশি সে বই পড়তে এবং লিখতে খুব পছন্দ করে। সাত বছর থেকে নিয়মিত ফুটবল খেলে অড্রে। পিয়ানো আর বাঁশিও খুব পছন্দ তার। জিজ্ঞেস করি আর কী কী ভালো লাগে? উত্তরে সে জানায়, ড্রাগন! ড্রাগন দেখতে প্রয়োজনে সে বনে-জঙ্গলেও থাকতে চায়। তার প্রিয় সিনেমা হাউ টু ট্রেইন ইয়োর ড্রাগন ২। প্রিয় বই সম্পর্কে জানতে চাই অড্রের কাছে। একটু ভেবে সে বলল, দ্য হোস্ট। আইসক্রিম তার খুব প্রিয় খাবার।

বাবা আর মাকে অনেক ভালোবাসে অড্রে ঝাং

বাবা আর মাকে অনেক ভালোবাসে অড্রে ঝাং

গুগল ডুডলে এবার সেরা হলেও অড্রে এর আগেও দুবার চূড়ান্ত পর্যায়ে নির্বাচিত হয়েছিল। কেন গুগলে ডুডল পাঠালে? এমন প্রশ্নে অড্রে জানায়, এটা একটা বড় প্রতিযোগিতা এবং খুবই চ্যালেঞ্জিং। যদি কেউ এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চায় তার জন্য কী পরামর্শ দেবে বলতেই অড্রে বলে উঠল, যদি নিজের ইচ্ছা থাকে দারুণ কিছু করার, যেকোনো কাজেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

মনোবিদ বাবা ইউয়ানজিয়া ঝাং ও ফ্যাশন ডিজাইনার মা হোংমেইল ওয়েংকে খুব ভালোবাসে অড্রে। আগামী বছর আইল্যান্ড ট্রিস মেমোরিয়াল মিডল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠবে সে। বাংলাদেশে বন্ধু আছে? জানতে চাইলে অড্রে জানায় এখনো নেই। তবে বাংলাদেশি স্কুল শিক্ষার্থী বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানায় অড্রে। বলে, ‘তারা যাতে সুখী থাকে। আমি আশা করি যাদের সাহায্য প্রয়োজন তারা যেন নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে অবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে।’

পিয়ানো আর বাঁশি বাজানো খুব প্রিয় অড্রের

পিয়ানো আর বাঁশি বাজানো খুব প্রিয় অড্রের

বাংলাদেশের নামটা তার কীভাবে মাথায় এল জানতে চাইলে অড্রে জানায়, ‘আমি যে আইডিয়া নিয়ে কাজ করেছি সেটি হচ্ছে পানিকে বিশুদ্ধ করার এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে নদী, হ্রদ কিংবা সমুদ্রের নোংরা পানি সংগ্রহ করে সেটি নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানিতে রূপান্তরিত করা যায়। আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি বাংলাদেশে অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পানি পায় না। তাই আমি বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছি।’

বাংলাদেশে আসতে চাও বলতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে অড্রে বলল, ‘অবশ্যই, যদি কোনো দিন সুযোগ পাই অবশ্যই বাংলাদেশে যাব।’

এই সংবাদটি 1,227 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •