সৌন্দর্যের লীলাভূমি দ্বীপের দেশ নোয়াখালী

প্রকাশিত:বুধবার, ০৯ ডিসে ২০২০ ০৭:১২

সৌন্দর্যের লীলাভূমি দ্বীপের দেশ নোয়াখালী

নিউজ ডেস্ক, নিউইয়র্ক: নিঝুম দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়, সমুদ্র পাড়ে ১২ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত দ্বীপটা আসলেই নিঝুম।

প্রকৃতি তার নিজ হাতে অপরূপ সাজে সাজিয়েছে দ্বীপটিকে। জোয়ার-ভাটার এই দ্বীপের এক পাশ ঢেকে আছে সাদা বালুতে, অন্য পাশে সৈকত। দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়।

সাগর কন্যা ৯২ বর্গ কিলোমিটারের এই দ্বীপে নেই বড় বড় দালান কোঠা, নেই গাড়ির হর্ন, হকারের হাকডাক, কিংবা কল কারখানার বিকট আওয়াজ। দিনের আলোয় যতটা সুন্দর রাতের নিস্তব্ধতায় ততটাই আকর্ষণীয়। চন্দ্রালোকে জোয়ার-ভাটায় এর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এক স্বর্গীয় অনুভূতি সৃষ্টি করে।

এখানে সকালে ঘুম ভাঙ্গে পাখির কলতানে, দুপুরে শ্রমজীবি মানুষের হাকডাকে মুখর থাকে চারিদিক, সন্ধ্যায় শৃগাল কিংবা হরিণের মায়াবী ডাকে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়।

চোখ জুড়ানো নকশি কাঁথার মতো বিছিয়ে থাকা সবুজ ঘাসের ওপর হরিণের ছোটাছুটি দৃষ্টি কেড়ে নেয়। যা পর্যটকের মনকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তখন অনেক পর্যটককে দেখা যায় হরিণের পিছু ছুটতে। কিংবা একটা ছবি তুলতে কারো পক্ষে সম্ভব হয় কারো পক্ষে না।

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকেই আপনি চাইলে নিঝুম দ্বীপে যেতে পারেন। আর উপভোগ করতে পারেন অপার সৌন্দর্যে ঘেরা নিঝুম দ্বীপকে।

বাংলাদেশের যে প্রান্ত থেকে নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন করতে হলে ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করলে প্রথমে তাকে সড়ক পথে নোয়াখালী হেড কোয়ার্টার মাইজদী সোনাপুর আসতে হবে। এখানে কিছু আবাসিক হোটেলও রয়েছে। সোনাপুর থেকে প্রতি আধা ঘন্টা পর পর বাস এবং বেবী টেক্সী পাওয়া যায়।

সোনাপুর থেকে চরবাটা ৪নং স্টীমার ঘাট বয়ারচর চেয়ারম্যান ঘাট থেকে প্রতি দিন সী-ট্রাক/ইঞ্জিল চালিত ট্রলার নলচির ঘাট, অথবা তমরুদ্দি ঘাট বা চরচেঙ্গোর ঘাটে পর্যন্ত চলাচল করে। সী ট্রাকে নদীপথে সময় লাগে দেড় থেকে দুই ঘন্টা।

এই সংবাদটি 1,239 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •