২০২২ সালেও থাকতে পারে করোনা মহামারি: ডব্লিউএইচও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টো ২০২১ ০২:১০

২০২২ সালেও থাকতে পারে করোনা মহামারি: ডব্লিউএইচও

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে করোনা মহামারি ২০২২ সালেও থাকতে পারে। করোনা মহামারি দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কার পেছনে দরিদ্র দেশগুলোর প্রয়োজনীয়সংখ্যক টিকা না পাওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে ডব্লিউএইচও।

ডব্লিউএইচও’র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্রুস আইলওয়ার্ড বলেন, দরিদ্র দেশগুলোর প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা না পাওয়ার অর্থ হলো, করোনা সংকট অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘায়িত হবে। অর্থাৎ করোনা মহামারি ২০২২ সালেও গভীরভাবে বিদ্যমান থাকতে পারে।

আফ্রিকা মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কমসংখ্যক মানুষ এখন পর্যন্ত করোনার টিকা পেয়েছেন। সে তুলনায় অন্যান্য মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছেন।

এমন প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দরিদ্র দেশগুলোতে ধীর গতিতে টিকা সরবরাহের অর্থ করোনা মহামারি দীর্ঘস্থায়ী হওয়া।

ব্রুস আইলওয়ার্ড বলেন, জি-৭-এর মতো শীর্ষ সম্মেলনে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোতে টিকাদানের বিষয়ে অঙ্গীকার করেছিল। তাই এখন ধনী দেশগুলোর উচিত, নিজেদের টিকার মজুত পর্যালোচনা করে তা দরিদ্র দেশগুলোকে দান করা।

ধনী দেশগুলোকে উদ্দেশ করে ডব্লিউএইচওর এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে পারি যে টিকাদানের ক্ষেত্রে আমরা সঠিক গতি পথে নেই। আমাদের সত্যিই এই কার্যক্রমকে গতিশীল করা দরকার। বিষয়টি আপনারা সবাই জানেন।’

দরিদ্র দেশগুলোতে টিকাদানের গতি বাড়াতে না পারলে করোনা মহামারির স্থায়িত্বকাল দুর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘায়িত হয়ে ২০২২ সালেও চলতে পারে বলে সতর্ক করেন ব্রুস আইলওয়ার্ড।

করোনা টিকার সিংহভাগ উচ্চ আয়ের বা উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে চলে গেছে। বিশ্বব্যাপী করোনার যতসংখ্যক টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে, তার মাত্র ২ দশমিক ৬ শতাংশ পেয়েছে আফ্রিকা।

এই সংবাদটি 1,227 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •