গ্রামীণ মেলা থেকে ঢাকার মংগল শোভাযাত্রা নিউইয়রকের উলুধ্বনির বৈশাখ

লেখক:
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual5 Ad Code

আবিদুর রহীম : বাংলাদেশী বাঙালির সাংস্কৃতির একটা নিজস্ব ধাঁচ আছে, যাতে স্বকীয়তা আছে, আছে স্বাতন্ত্র মর্যাদা! যা পশ্চিম বঙের বাঙালীদের থেকে আলাদা! কিন্তু এখন স্বাধীনতায়, মর্যাদায়, পরিচয় ও প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব দরবারে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশী বাঙালীর সব অর্জন ছিনিয়ে নিয়ে, এদের গৌরব ম্লান করে দিয়ে, এদের মর্যাদাহানী করে এবং এদের স্বকীয়তা ধ্বংস করে দিয়ে, সেখানে তারা তাদের বর্ণ গন্ধ রং এদের গায়ে মাখিয়ে দিতে চায়! এজন্যই তারা দিল্লীর কাছে তাদের পরাধীন হয়ে থাকার গ্লানির সাথে আমাদের পিন্ডির পরাধীনতার শেকল ছেড়ার গৌরবকে এক চাদরে ঢেকে দেয়ার প্রয়াস চালায়!
আর এ লক্ষ্যেই তাদের যত প্রচেষ্টা! এজন্যই গ্রামবাংলায় অমঙ্গলের প্রতীক বিবেচিত পেঁচা ঢাকার “মঙ্গল শোভাযাত্রায়” হয়ে উঠে মঙ্গলের প্রতীক। যে “শোভাযাত্রায়” আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েল নয় মর্যাদা পায় তাদের ময়ূর, এবং এই ধারাবাহিকতায় সবশেষ নিউ ইয়র্কের সার্বজনীন বাংলা বর্ষ বরণে যুক্ত হলো ঊলুধ্বনিও!
তাদের এই প্রচেষ্টায় বাহির থেকে যেমন জ্বালানী সরবরাহ করে দিল্লীর চরম সাম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠি, তেমনি ভেতর থেকে সমর্থন যোগায় তারা- যারা বাংলাদেশী হয়েও পশ্চিম বঙ্গে নিজেদের ঠিকানা করে রাখে!
তাইতো হিজরী ৯৬৩ সনকে ভিত্তি ধরে শুরু হয়েছিল যে বাংলা সনের গণনা, তার নতুন ১৪৩০ সালকে বরণ করে নিতে এবার পবিত্র রমজান মাসে ঢাকায়, নিউ ইয়র্কে যে বৈশাখী আগ্রাসী আয়োজন, তাকে বাংলাদেশী-মুসলিম বাঙালীর সংস্কৃতি চেতনা বিশ্বাস আচরণ ও অনুভূতির বিপরীতে নিয়ে গিয়ে, দুই পাড়ের সেই তফাত ও তাদের লুক্কায়িত আগ্রাসী মানসিকতা আরো স্পষ্ট করেছে !

Manual3 Ad Code

লেখক : আবিদুর রহীম, সিনিয়র সাংবাদিক, নিউইয়রক ।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code