দ্বিতীয়বার লকডাউনের প্রশ্নে ‘মানুষ মরুক’ বলেছিলেন ঋষি সুনাক - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৪:৪৮, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

দ্বিতীয়বার লকডাউনের প্রশ্নে ‘মানুষ মরুক’ বলেছিলেন ঋষি সুনাক

newsup
প্রকাশিত নভেম্বর ২১, ২০২৩
দ্বিতীয়বার লকডাউনের প্রশ্নে ‘মানুষ মরুক’ বলেছিলেন ঋষি সুনাক

অনলাইন ডেস্ক :

কোভিড মহামারির সময় দ্বিতীয়বার ব্রিটেনজুড়ে লকডাউন না জারি করে মানুষকে মরতে দেওয়ার পক্ষে উকালতি করেছিলেন বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। গত সোমবার ব্রিটেন কীভাবে কোভিড মহামারি সংকট মোকাবিলা করেছে সে বিষয়ক একটি শুনানির সময় বিষয়টি উঠে আসে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কোভিড মহামারির সময় ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্রশাসনের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ছিলেন প্যাট্রিক ভ্যালেন্স। তাঁর ডায়েরি থেকেই এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যাট্রিক ভ্যালেন্স ডায়েরিতে ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর ঋষি সুনাকের সেই মন্তব্যটি লিখে রেখেছিলেন।

মূলত বরিস জনসন, ঋষি সুনাক ও জনসনের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ডমিনিক কামিংসের মধ্যকার এক বৈঠকে এই কথা বলেছিলেন ঋষি সুনাক। পরে কামিংস বিষয়টি জানান ভ্যালেন্সকে। কামিংসকে উদ্ধৃত করে ভ্যালেন্স তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন, ‘ঋষি মনে করেন, মানুষকে মরতে দেওয়ার বিষয়টি ঠিকই আছে। তবে সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, এটি আসলে নেতৃত্বগুণের অভাব।’

বিষয়টি নিয়ে ঋষি সুনাক এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাঁর এক মুখপাত্র বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করে জবাব দেওয়ার চেয়ে একেবারে তদন্ত কমিটির সামনে তাঁর বক্তব্য পেশ করবেন।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনে করোনাভাইরাস মহামারির সময় অন্তত ২ লাখ ২০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সে সময় তৎকালীন সরকার কীভাবে এই মহামারিকে সামলেছিল সে বিষয়েই তদন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই তদন্ত চলবে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত। তবে একাধিক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বারবার বলেছেন, সরকার সেই সময়ে একটি মহামারি মোকাবিলার জন্য কোনোভাবেই প্রস্তুত ছিল না এবং সরকারের ‘বিষাক্ত’ ও ‘গায়ের জোরে’ সবকিছু করে ফেলার প্রবণতা বিষয়টিকে আরও গভীর করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।