মাটির গান নিয়ে কাজ করতে চান সেজুল হোসেন

ADMIN, USA প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২০

‘না জানি কোন অপরাধে দিলা এমন জীবন।আমারে পোড়াইতে তোমার এত আয়োজন, আমারে ডুবাইতে তোমার এত আয়োজন /আমি নষ্ট মানুষ নষ্ট আমার প্রাণ ও সজনী, আমার সুখের ঘরে দুখের তালা খুলতাম যে নাই ছুরানি।

এরকম অসংখ্য গান মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে খুব অল্প সময়ে। বলছি ২০১৭ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ গীতিকার সেজুল হোসেনের কথা । তিনি একাধারে সাংবাদিক, গীতিকার, লেখক ও নির্মাতা।

সেজুল হোসেনের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নুরপুরে। তিনি ২০০৪ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। আমাদের সময় ও একুশে টেলিভিশনের মত গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি এটিএন নিউজে কাজ করছেন। সেই সাথে স্বপ্নসিঁড়ি অডিও ভিজুয়ালের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন।

ভাটি এলাকায় বড় হবার কারণে চারপাশে থাকা অনেক বাউলের সঙ্গে মেশার সুযোগ পান তিনি। রাধা রমন দত্ত শিতালংশাহ, হাসন রাজা, কিংবা বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মতো মরমি কবির জন্ম হয়েছে এই সুনামগঞ্জে আর সেই প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠা সেজুল হোসেন।

লেখালেখি শুরুর গল্প জানতে চাইলে সেজুল বললেন, ‘আমার লেখালেখির শুরু চিঠি লেখার মাধ্যমে। তখন আমি ৭ম শ্রেণীতে পড়তাম। আমার বড় বোনকে দেখতাম পাশের গ্রামে তার বান্ধবীকে মনের মাধুরী মিশিয়ে চিঠি লিখছেন। সেই চিঠি ও চিঠির উত্তর লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তাম। একটা সময় নিজেও লিখেছি। এরপর পড়াশুনার পাশাপাশি দৈনিক সবুজ সিলেট, দৈনিক আমাদের সময়, সকালের খবর ও একুশে টিভিতে মফস্বল সাংবাদিকতায় জড়িত ছিলাম।’ ছোটবেলা থেকে বাউলদের গান শুনতাম। আর নিজে যেহেতু কবিতা লিখতাম, পড়তাম, ভিতরে কথা বলার, যথেষ্ট শব্দ ছিলো, সেই সব শব্দই একটা সময় গান কবিতার আঙ্গিকে প্রকাশিত হয়েছিলো সেটা ২০০৬ এর দিকে ।

প্রথম লেখা গান সম্পর্কে জানতে চাইলে,তিনি বলেন প্রথম লেখা গান ছিলো, ‘দিন কাটেনা’। শিল্পী ছিলেন শাহীন, অলক বাপ্পার সুর ,সুমন কল্যানের সঙ্গীতে ‘গানচিল’ থেকে প্রকাশিত এ অ্যালবামের নাম ছিল ‘ধূসর বিকেল’। সেই গান লিখেছিলাম ছাতক থেকে সিলেটে যাবার পথে সিএনজিতে বসে। সেই থেকে গানের নেশা আজ অব্দি ঘুরে বেড়াচ্ছে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।