সুন্দরবন কুরিয়ারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি ! - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, দুপুর ১২:৫৯, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

সুন্দরবন কুরিয়ারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি !

ADMIN, USA
প্রকাশিত জুন ৮, ২০২০
সুন্দরবন কুরিয়ারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি !

 

তাবারক হোসেন আজাদ, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর):-
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ওষুধসহ দুই লাখ টাকার হারানো মাল এক মাসেও ফিরে না পাওয়ায়-সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন মোঃ খালেক নামের এক প্রবাসী গ্রাহক। কর্তপক্ষ সেবার নামে কুরিয়ার সার্ভিসের গ্রাহকদের সাথে প্রতারনা করছেন বলেও অভিযোগ করেন ওই গ্রাহক। আগে যে প্যাকেট/ডকুমেন্টটি দ্রুত পৌছানো হতো গ্রাহকের নিকট কিন্তু এখন আর তা পাওয়া যায় না। এছাড়াও বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে একাধিক গ্রাহকের।

চলতি বছরের গত ২০ মার্চ সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শাখা অফিস থেকে ওষুধসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মাল একটি হলুদ পলির মাধ্যমে মোঃ খালেক নামের গ্রাহক ভ্রাম্যনবাড়িয়ার শাখা অফিসে পাঠান। যার মোবাইল নং- ০১৩১৭৬৩৭১৯৪। ডকুমেন্ট পাঠানোর দুই মাস হলেও তা না পেয়ে গত ১৮ মে মালামাল ফেরত পেতে প্রধান কার্যালয়ে দুইবার দুটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। কিন্তুু আজও (এরিপোট লেখা পর্যন্ত) অভিযোগটির কোন উত্তর দেয়া বা ডকুমেন্টটি পৌছানো হয়নি। এভাবে যদি তারা গ্রাহকদের সেবার নামে প্রতারনা করেন তবে কি সরকার এদের লাইসেন্স/কাজের অনুমোদন বাতিল করে দেওয়া উচিৎ বলে দেশের সচেতন অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। কারন যেখানে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে কোন ব্যক্তির নামে কোন ডকুমেন্ট দিলে ইসুর পরের দিন সেই গ্রাহককে ফোন দিয়ে তার ডকুমেন্ট দ্রুত গ্রাহকের নিকট পৌছানোর ব্যবস্থা করার কথা রয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ভুল করে কোন ডকুমেন্ট কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রেরন করেন তবে সেই ডকুমেন্ট আর গ্রাহকের হাতে পৌছবে না। কারন বর্তমানে কুরিয়ার সার্ভিসের গ্রাহক সার্ভিস,ডকুমেন্ট ডেলিভারী সার্ভিস গুলো আর আগের মতো ভালো সার্ভিস দিচ্ছে না ।

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে প্রেরন করা ডকুমেন্টটি গ্রাহক ১ মাস ১৮ দিনেও পায়নি। তাহলে এখন দেশবাসী ও দেশের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষ একটু ভেবে দেখবেন কি এদের এরকম সার্ভিসে কি গ্রাহক প্রতারনার স্বীকার হচ্ছে না।

সোমবার দুপুরে (০৮ জুন/২০) ক্ষতিগ্রস্থ্য প্রবাসী মোঃ খালেক বলেন, সচিবালয়ে আমার এক বন্ধুর ভাইয়ের জন্য জরুরি ও গুরুত্বপুর্ণ ওষুধ পাঠিয়েছিলাম। লিখিত অভিযোগের ১ মাস ১৮ দিনও আমার গুরুত্বপুর্ণ বিদেশী ওষুধসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল এখনো পায়নি। সুন্দরবন কর্তৃপক্ষ এখন আমার ফোনও রিসিভ করে না। আমি থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি।

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের রায়পুরের এজেন্ট আবু তাহের জানান, ১৫ বছর ধরে মানুষের সেবা দিচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় ৫০ গ্রাহককে সেবা দেয়া হয়। গ্রাহক খালেকের ওষুধসহ মালামাল হারানোর বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। মালগুলো উদ্ধারে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

সুুদরবন কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান কার্যালয়ের অভিযোগ গ্রহনকারি কর্মকর্তা অনিকা চক্রবর্তী মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তা রিসিভ করেনি। (যার মোবাইল নং-০১৭৫৩৯০৮৯০৭)।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।