লকডাউন শিথিল: লন্ডনে দোকান-শপিংমলে লম্বা লাইন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

ব্রিটেনে দীর্ঘ তিন মাস পর খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট ও ব্যবসা-বাণিজ্য। খুলতেই দোকানগুলোতে লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়েছে।

করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেই লাইনে দাঁড়াচ্ছেন ক্রেতারা। কিনছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রী।

Manual8 Ad Code

 

তিন মাস লকডাউনের পর সোমবার থেকে ব্রিটেনের সব দোকানপাপাট খোলার অনুমতি দেয়া হয়। তবে করোনা প্রতিরোধে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

দেশবাসীকে স্বাভাবিক জীবন শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কেনাকানার আহ্বানও জানান তিনি। বিবিসি, ডেইলি মেইল। খবরে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে দোকানপাট খুলতে শুরু করে। লন্ডন ও বার্মিংহাম শহরের বেশ কয়েকটি দোকানের বাইরে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

কোনো এলাকায় দোকান খোলার আগে থেকেই লাইনে দাঁড়ায় শত শত মানুষ। করোনা মহামারীর কারণে গত ২৩ মার্চ থেকেই বন্ধ ছিল এসব দোকান।

Manual8 Ad Code

ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ও স্টকে থাকা অবিক্রীত মাল দ্রুত বিক্রির জন্য পণ্য-সামগ্রীতে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে পোশাকের দোকানগুলো।

ডেইলি মেইল জানিয়েছে, লকডাউনের কারণে প্রায় দেড় হাজার কোটি ইউরোর পোশাক ও ফ্যাশন পণ্য অবিক্রীত রয়ে গেছে।

ইউরোপের ভয়াবহ করোনাপীড়িত দেশগুলোর একটা ব্রিটেন। সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমে আসায় অর্থনীতি বাঁচানোর স্বার্থে গত মাসের শেষ দিকেই ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দেয় বরিস জনসনের সরকার। সেই ঘোষণা মোতাবেক সোমবার থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান খুলতে শুরু করেছে।

তবে সংক্রমণ রুখতে দোকান মালিকদের সঙ্গে ক্রেতাদের বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিকিকিনি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দোকানে ক্রেতাদের জন্য একাকী কেনাকাটা করা, অন্যদের থেকে অন্তত ২ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা, এক দরজা দিয়ে ঢুকে আরেক দরজা দিয়ে বের হওয়ার মতো নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া দোকানে প্রবেশের আগে অবশ্যই সাবান কিংবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া ও দরকারি জিনিস ছাড়া অন্য কোনো জিনিস না ধরাসহ আরও কিছু নির্দেশনা রয়েছে।

ওয়ারউইকশায়ার থেকে বার্মিংহামে কেনাকাটা করতে আসেন জায়দি দারোক নামের এক তরুণী। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কেনার জন্য খুব সকালে দোকানে চলে আসেন।

৭টায় লাইনে দাঁড়ান তিনি। চারপাশের পরিস্থিতিকে ‘সুনসান নীরব’ বলে বিবিসিকে জানান তিনি। বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম, খুবই বিশৃঙ্খলা হবে। তবে এখন দেখছি, পরিবেশ ও পরিস্থিতি বেশ শান্ত।’

 

Manual6 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code