ছুটির দিনের শরীরচর্চা   

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual4 Ad Code

লাইফ ষ্টাইল ডেস্কঃ 

নাগরিক জীবনে সপ্তাহে ছয় দিন কাজ আর একদিন বিশ্রামে অভ্যস্ত কমবেশি সবাই। সাধারণত ছুটির দিনটাতে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, আরাম করে বালিশে মুখ গুঁজে থাকতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু চাইলেই ছুটির দিনটাকে খানিকটা ভিন্ন করাই যায়। সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতে ব্যস্ততার জন্য স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়ার সময় পাননি তো কি হয়েছে, ছুটির দিনটাকে সদ্ব্যবহার করুন। তাতে শরীর ও মন দুটিই ভালো থাকবে।

Manual1 Ad Code

ছুটির দিনের শরীরচর্চা   

বাগান করতে পারেন

Manual1 Ad Code

ছুটির দিন মানেই টিভি দেখে, শুয়ে-বসে সময় না কাটিয়ে শখের কোনো কাজে মনোযোগ দিতে পারেন। আজকাল অনেকে বারান্দায় বা ছাদে বাগান করছেন। এতে শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম যেমন হয়, তেমনি মনেও আসে প্রশান্তি। টবে বা বাগানে আগাছা পরিষ্কার করা, শুকনো পাতা কুড়ানো, চারা লাগানো, মাটি খোঁড়াখুঁড়ি, গাছে পানি দেওয়া ইত্যাদি কাজে ঘণ্টায় ২০০ থেকে ৫০০ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব। বাগানে কাজ করলে ওজন হ্রাসের পাশাপাশি মাংসপেশি ও হাড়ের ফিটনেস বৃদ্ধি পায়, হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের ব্যায়াম হয়, এমনকি মানসিক চাপও কমে।

ছুটির দিনের শরীরচর্চা   

 

সাইকেল চালাতে পারেন

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বিকালে বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ির আশপাশে কয়েকটি চক্কর দিতে পারেন। ১৫ মাইল বেগে এক ঘণ্টা সাইক্লিং করলে ৫৯০ থেকে ৯০০ ক্যালরি খরচ করা সম্ভব। এতে হাড়ের জোড়ার ব্যথা বা সমস্যা কমে, ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ে। অনভ্যস্তরা প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে সময় ও গতি বাড়ান। সাইক্লিংয়ের সময় মাথায় অবশ্যই হেলমেট পরে নিবেন এবং ব্যস্ত গাড়ির রাস্তা এড়িয়ে চলবেন।

Manual2 Ad Code

ছুটির দিনের শরীরচর্চা   

যোগব্যায়াম করতে পারেন

Manual3 Ad Code

ছুটির দিনে যোগব্যায়াম করতে পারেন। যোগব্যায়াম শুধু যে ওজন কমায় তা কিন্তু নয়, মনের চাপ কমানো, শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথা নিরাময়, বিষণ্নতা ও উদ্বেগ সামলানো, আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো উপকারও মেলে এতে। সাধারণভাবে আধঘণ্টা যোগব্যায়াম করে ১২০ থেকে ১৫০ ক্যালরি খরচ করা যায়। অনেক জায়গায় আজকাল যোগব্যায়াম বা ইয়োগার ক্লাস হয়। সেগুলোতে ব্যস্ততার জন্য না যেতে পারলে ইউটিউব দেখেও ব্যায়াম করা সম্ভব।

ছুটির দিনের শরীরচর্চা   
সাঁতার

সবাই কমবেশি জানেন যে, সাঁতার ভালো ব্যায়াম। ছুটির দিনে সাঁতার কাটতে পারেন। সাঁতার শুধু শারীরিক ব্যায়ামই নয়, এটি মনকেও সতেজ রাখে। সাঁতারে দেহের ওজন বহন করতে হয় না বলে কোমর বা হাঁটুর সমস্যার রোগীদের জন্য এটি চমৎকার ব্যায়াম। মাংসপেশির ব্যায়ামের পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও বাড়ায় সাঁতার।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code