ডলারের দামে অস্থিরতার নেপথ্য বের করতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

সম্পাদকীয়: দেশে অব্যাহত ডলারের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি উদ্বেগজনক। করোনা পরিস্থিতি উন্নতির প্রেক্ষাপটে সারা দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে।

Manual4 Ad Code

সম্প্রতি বিভিন্ন পণ্য আমদানির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। সেই তুলনায় রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। করোনা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর চিকিৎসা, পড়াশোনা ও ভ্রমণের জন্য অনেকেই বিদেশে যাচ্ছেন। এসব কারণে নগদ ডলারের চাহিদা যেমন বেড়েছে, তেমনি দামও বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে। সব মিলে বাজারে ডলারের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

Manual2 Ad Code

একদিনের ব্যবধানে গত মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম আরও ১০ পয়সা বেড়ে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। মানিচেঞ্জারগুলো প্রতি ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০২ টাকায়।

কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১০২ থেকে ১০৩ টাকায়। জানা গেছে, নগদ ডলার বিভিন্ন ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন দরে বিক্রি করছে। সরকারি ব্যাংকগুলোতে এর দাম কিছুটা কম হলেও বেসরকারি ব্যাংকে বেশি। ডলারের পাশাপাশি অন্যান্য মুদ্রার দামও বেড়েছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আমদানি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে আমদানি ব্যয় কমানোর কাজটি কঠিন হলেও বিলাস পণ্যের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে আমদানি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। এ সময়ে আমদানিনির্ভর নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। কারণ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে যেতে পারে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code