BengaliEnglishFrenchSpanish
প্রথমবার মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় কোলনের মুসল্লিরা - BANGLANEWSUS.COM
  • ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ


 

প্রথমবার মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় কোলনের মুসল্লিরা

banglanewsus.com
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২২
প্রথমবার মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় কোলনের মুসল্লিরা

জার্মানির কোলন প্রদেশে প্রথমবারের মতো মসজিদে নামাজের ডাক পেতে যাচ্ছেন মুসল্লিরা। দীর্ঘ দুই বছর পর অনুমতি পেলেন তারা। আগামী ১৪ অক্টোবর সেই কাক্সিক্ষত সময়, সেদিন জুম্মার নামাজ পড়তে মসজিদে যাবেন মুসলিমরা। তুর্কি ইসলামিক ইউনিয়ন ফর রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্সের (ডিআইটিআইবি) সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আতোসি বলেন, জুম্মার নামাজের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কোলন পৌরসভায় বিপুল সংখ্যক তুর্কি ও মুসলমানেরা বসবাস করে। শহর কর্তৃপক্ষ দু’বছর নামাজ আদায়ের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। পরে ডিআইটিআইবি নামাজের অনুমতির জন্য কোলনের কেন্দ্রীয় মসজিদে আবেদন করেছিল। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে আতোসি বলেন, ‘সামান্য কিছু সমস্যা রয়েছে। এগুলো নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং সমস্যাগুলো সাংবিধানিক কাঠামো দিয়ে নয় পৌরসভার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। এরপর ১৪ অক্টোবর প্রথম আজান দিতে পারব বলে আশা করছি।’ তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজনকে জানানো হয়েছে যে, মুসলমানরাও এ কমিউনিটির অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। আতোসি বলেন, ‘আমরা এখানে জন্মগ্রহণ করেছি, বেড়ে উঠেছি এবং ধর্ম চর্চা করেছি। এ অঞ্চলের বাসিন্দা হিসেবে আমরা নামাজের জন্য ডাক দিতে পারি।’ এ সময় তিনি শহরের মেয়র হেনরিটি রেকারের এ সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি পারস্পারিক সহমর্মিতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি উল্লেখযোগ্য বন্ধন। মসজিদ ফোরামের পরিচালক মুরাত শাহিন আরসালান বলেন, ডিআইটিআইবি ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে অনুমতি চেয়ে আবেদন করে এবং পৌরকর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। অপর এক খবরে বলা হয়, ফ্রান্সের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতিবিদ মেরিন লে পেন দেশটিতে আরো মসজিদ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিনের নির্দেশে গত দু’বছরে ২৪টি মসজিদ বন্ধ করে দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই দাবি জানান। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ খবর জানিয়েছে। ফ্রান্সের বিএফএম টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লে পেন বলেন, তিনি (ডারমানিন) কয়েকটি জায়গায় মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি একজন ধর্ম প্রচারককেও বরখাস্ত করেছেন। তবে তাকে অবশ্যই দেশের সব মসজিদ বন্ধ করতে হবে। কেন মসজিদ বন্ধ করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সকল মুসলিমরা ‘উগ্রবাদী শক্তি’ এবং তাদের নির্বাসিত করা উচিত। গত বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাংবিধানিক উচ্চ কমিটি ‘উগ্রবাদবিরোধী’ একটি বিতর্কিত আইনের অনুমোদন দেয়। মুসলমানদের বাদ দেয়া দেয়ায় এই আইন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ডানপন্থী এবং বামপন্থী আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতা সত্তে¡ও গত গ্রীষ্মে বিলটি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বেলিতে পাস হয়। ডেইলি সাবাহ, আনাদোলু, মিডল ইস্ট মনিটর।

এই সংবাদটি 1,229 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।