পদ্মা অয়েলের তেল নিতে চায় না দেশি এয়ারলাইনগুলো

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন:এয়ারলাইন পরিচালনা ব্যয়ের ৪০ থেকে ৪৬ ভাগই জ্বালানি খরচের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশে বর্তমান জেট ফুয়েল এককভাবে বিক্রি করছে পদ্মা অয়েল। দেশি এয়ারলাইন ও হেলিকপ্টার অপারেটরদের দাবি, দেশে পদ্মা অয়েল জেট ফুয়েলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে অনেক বেশি রাখছে এবং এ কারণে এভিয়েশন খাত অস্তিত্বের সংকটে। এই যুক্তি দেখিয়ে পদ্মা অয়েলের মনোপলি ব্যবসার বিকল্প হিসেবে তিনটি প্রস্তাব বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়কে দিয়েছে এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)।

Manual5 Ad Code

আজ (৬ নভেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বরাবর এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন এওএবি মহাসচিব এম মফিজুর রহমান ও সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ্ আল মামুন। তাদের প্রস্তাব তিনটি হলো–

Manual3 Ad Code

১) দেশীয় প্রাইভেট সেক্টর এয়ারলাইন্সের এবং হেলিকপ্টার অপারেটরদের জন্য সরাসরি পারটেক্স পেট্রোলিয়াম থেকে জ্বালানি কেনার অনুমোদন, ২) প্রয়োজনে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বিদেশ থেকে জেট ফুয়েল আমদানির অনুমোদন প্রদান, ৩) অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জ্বালানির মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা।

Manual3 Ad Code

এওএবি মহাসচিব ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম মফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধি এভিয়েশন খাতকে আঘাত করেছে। পদ্মা অয়েল এককভাবে উচ্চ মূল্যে জালানি তেল বিক্রি করছে। এজন্য বিকল্প প্রস্তাব আমরা দিয়েছি। বর্তমানে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিজেরাই তেল আমদানি করতে পারে। পার্শ্ববর্তী দেশে এয়ারলাইনগুলো তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরাসরি আমদানি করতে পারে। আমরাও এই সুবিধা পেলে সব এয়ারলাইন মিলে আমদানি করে বিতরণ ব্যবস্থা করে নিতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, অন্য প্রতিষ্ঠানকে জেট ফুয়েল বিক্রির অনুমতি দিলে প্রতিযোগিতামূলক দামে জেট ফুয়েল ক্রয়ের সুযোগ হবে। এই প্রস্তাবও আমরা দিয়েছি। তেলের দাম না কমলে এয়ারলাইনগুলো দেউলিয়া ঘোষণা শুধু সময়ের ব্যাপার।

Manual1 Ad Code

মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এওএবি’র চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু বাংলাদেশে অতি মূল্যের জেট ফুয়েলের কারণে এভিয়েশন খাত অস্তিত্বের সংকটে। কেননা, এয়ারলাইন পরিচালনা ব্যয়ের ৪০ থেকে ৪৬ ভাগই জ্বালানি খরচের ওপর নির্ভরশীল। এভিয়েশন খাত দীর্ঘ করোনাকালীন সময়ের অভিঘাতে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধি এই খাতে উপর্যুপরি আঘাত করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code