৫২০০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষায় ৬৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৫:০০, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

৫২০০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষায় ৬৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প

newsup
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
৫২০০ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষায় ৬৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প

বিশেষ প্রতিবেদন:বরিশাল জেলার বিঘাই, পায়রা ও কারখানা নদীর কূল ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ হাসিনা সেনানিবাস। সম্প্রতি ওই এলাকার এই তিন নদীতে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে শেখ হাসিনা সেনানিবাসের প্রায় চার হাজার ৯০০ কোটি ২০ লাখ টাকা সমমূল্যের স্থাপনাসহ আনুমানিক পাঁচ হাজার ২১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকার সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় ‘বরিশাল জেলার কারখানা, বিঘাই এবং পায়রা নদীর ভাঙন হতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস এলাকা রক্ষা (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এর প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপপাশা ইউনিয়ননে প্রকল্প এলাকার কারখানা, বিঘাই এবং পায়রা নদীর ডান তীরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই তিনটি নদীর আট দশমিক ৫০ কিলোমিটার তীর রক্ষায় প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। কারণ এ ভাঙন রোধ করা খুবই জরুরি। না হলে শেখ হাসিনা সেনানিবাসের প্রায় চার হাজার ৯০০ কোটি ২০ লাখ টাকা সমমূল্যের স্থাপনাসহ আনুমানিক ৫ হাজার ২১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করা যাবে না।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। চলতি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে গ্রহণ করা প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়িত হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে। প্রকল্পটি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকের সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পানি সম্পদ সেক্টরের অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে, নদী তীর সংরক্ষণের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙন রোধ করে দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করা। এর সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির কার্যক্রম সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া, এসডিজি’র নির্দেশক ‘৬.৫.১: সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার’ সঙ্গেও প্রকল্পটি সঙ্গতিপূর্ণ।

একনেকের সভায় উপস্থাপনের আগে পরিকল্পনা কমিশন তাদের মতামতে বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপপাশা ইউনিয়নে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস ও তৎসংলগ্ন এলাকার জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ স্থানীয় জনগণের বাড়িঘর, ফসলি জমি, পাকা রাস্তা, মসজিদ, পুকুর ইত্যাদি বিঘাই এবং পায়রা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।