সুন্নত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত - BANGLANEWSUS.COM
  • ২৮শে মে, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

 

সুন্নত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

newsup
প্রকাশিত মার্চ ১০, ২০২৩
সুন্নত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

ডেস্ক নিউজ: সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি একক, তার কোনো অংশীদার নেই। যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক। যার পরে আর কোনো নবি নেই। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশনা আছে, জুমার জন্য যেন আগে আগে যাওয়া হয়, মসজিদে পৌঁছে যদি দেখা যায়, ইমাম খুৎবার জন্য আসেননি তাহলে নামাজ পড়বে, ইমাম এসে গেলে চুপচাপ বসে খুৎবা শুনবে।

জুমার নামাজের আগে সুন্নত পড়া নিয়ে অনেক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি করা হয়। অথচ হাদিসের বর্ণনায় জুমার খুতবা ও নামাজ শুরু হওয়ার আগে সুন্নত পড়ার ব্যাপারে হাদিসের একাধিক বর্ণনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যতটুকু তাওফিক হয় যেন নামাজ পড়ে। পাশাপাশি জুমার দিনের করণীয় এ সুন্নত ও জুমার নামাজের ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। হাদিসের একাধিক বর্ণনা থেকে তা প্রমাণিত। তাহলো-

১. হজরত আতা খোরাসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি নুবাইশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস বর্ণনা করতেন যে,
মুসলিম যখন জুমার দিন গোসল করে মসজিদের দিকে রওনা হয়, কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকে, ইমাম (খুৎবার জন্য) বের হয়নি দেখলে যে পরিমাণ ইচ্ছা নামাজ পড়ে, ইমাম বের হয়ে থাকলে বসে যায় ও চুপচাপ শুনতে থাকে, একপর্যায়ে ইমামের নামাজ ও কালাম সমাপ্ত হয়, তাহলে এ ব্যক্তির এ সপ্তাহের সকল গুনাহ যদি মাফ না-ও হয় এ তো অবশ্যই হবে যে, পরবর্তী জুমার জন্য তা কাফফারা হয়ে যায়।’ (মুসনাদে আহমদ খন্ড ৫, পৃ. ৭৫, ২০৭২১)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।