সিকিমে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিবে তাজ গুরাস কুটির - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, সকাল ১০:৩৬, ২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

সিকিমে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিবে তাজ গুরাস কুটির

editorbd
প্রকাশিত মে ২৯, ২০২৪
সিকিমে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিবে তাজ গুরাস কুটির

ডেস্ক রিপোর্ট: দক্ষিণ এশিয়ার বিখ্যাত পর্যটন প্রতিষ্ঠান, ইন্ডিয়ান হোটেল কোম্পানি (আইএইচসিএল), সিকিমের গ্যাংটকে সম্প্রতি ‘তাজ গুরাস কুটির রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’ রিসোর্ট উদ্বোধন করেছে। আকাশপথে বাংলাদেশ থেকে সল্প দূরত্বে এটি অবস্থিত। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের মধ্যে যারা সিকিমের সৌন্দর্যে মুগ্ধ তাদের জন্য এই রিসোর্টটি একটি বিলাসপ্রিয় স্থান। সবুজে ঘেরা সিকিমের চূড়ায় এই রিসোর্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। অতিথিরা তাই এখান থেকেই উপভোগ করতে পারবে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম সৌন্দর্য। রিসোর্টটিতে রয়েছে আধুনিক নকশার সাথে সিকিমের ঐতিহ্যের মিশ্রন। ছবি: তাজ গুরাস কুটির রিসোর্টটি উদ্বোধন করেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী প্রেম সিং তামাং (গোলে)। আইএইচসিএল এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মিঃ পুনীত ছাটওয়াল বলেন, “গ্যাংটকে আমাদের সম্প্রসারণ সিকিমের ভ্রমণকারীদের আগ্রহেরই প্রমাণসরূপ। এই অঞ্চলের সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য এই পরিবেশের সাথে মিল রেখে একটি বিলাসবহুল গন্তব্য তৈরি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে আম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।” রিসোর্টের রুম থেকেই দেখা যাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা। ছবি: তাজ গুরাস কুটির রিসোর্টটি নির্মাণ করা হয়েছে ১৪ একর জায়গা জুড়ে। নির্মল পরিবেশের এই রিসোর্টটিতে রয়েছে ৬৯টি কক্ষ।এর স্থাপনাশৈলীতে রয়েছে আধুনিক নকশার সাথে সিকিমের ঐতিহ্যের মিশ্রন।রিসোর্টটির প্রতিটি কক্ষে রয়েছে স্থানীয় বৌদ্ধ চিত্রকর্ম, থাংকা শিল্পের ছোঁয়া যা অতিথিদের কাছে সিকিমের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। রিসোর্টের খাবারের মধ্যে রয়েছে ফরেস্ট-থিমের মাচান, এবং প্যান-এশীয় সোই অ্যান্ড সেক। এটি বাংলাদেশি অতিথিদের জন্য রন্ধনসম্পর্কীয় নতুন অভিজ্ঞতা দিবে অনেকাংশে। এছাড়া, রিসোর্টটিতে রয়েছে ব্যানকুয়েট, একটি ওয়েলনেস সেন্টার এবং একটি গেম রুমের সুবিধা। রিসোর্টের রুম থেকেই দেখা যাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা। রিসোর্টটি নির্মাণ করা হয়েছে ১৪ একর জায়গা জুড়ে। নির্মল পরিবেশের এই রিসোর্টটিতে রয়েছে ৬৯টি কক্ষ।এর স্থাপনাশৈলীতে রয়েছে আধুনিক নকশার সাথে সিকিমের ঐতিহ্যের মিশ্রন।রিসোর্টটির প্রতিটি কক্ষে রয়েছে স্থানীয় বৌদ্ধ চিত্রকর্ম, থাংকা শিল্পের ছোঁয়া যা অতিথিদের কাছে সিকিমের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। রিসোর্টের খাবারের মধ্যে রয়েছে ফরেস্ট-থিমের মাচান, এবং প্যান-এশীয় সোই অ্যান্ড সেক। এটি বাংলাদেশি অতিথিদের জন্য রন্ধনসম্পর্কীয় নতুন অভিজ্ঞতা দিবে অনেকাংশে। এছাড়া, রিসোর্টটিতে রয়েছে ব্যানকুয়েট, একটি ওয়েলনেস সেন্টার এবং একটি গেম রুমের সুবিধা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।