আমাদের দিক থেকে আমরা সফল: তপু বর্মণ - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, সকাল ১১:৩৫, ২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

আমাদের দিক থেকে আমরা সফল: তপু বর্মণ

editorbd
প্রকাশিত জুন ৭, ২০২৪
আমাদের দিক থেকে আমরা সফল: তপু বর্মণ

ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ সাধ্যমতো লড়াই করেছে। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৬০ ধাপ এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে রক্ষণ জমাট করে খেলার চেষ্টা করেও ২-০ গোলে হারতে হয়েছে। কিংস অ্যারেনার এই ম্যাচে স্বাগতিকদের অধিনায়ক তপু বর্মণ লেস্টার সিটিতে খেলা হ্যারি সটারের মার্কার ছিলেন। মাঠেই তাদের সঙ্গে বাক্যবিনিময় হয়েছে। কথার মাঝে হামজা চৌধুরীর প্রসঙ্গও এসেছিল। এ ছাড়া ম্যাচ শেষে তো সটারের জার্সি পেয়ে বেশ খুশি তপু। শুক্রবার বিকালে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তপু ঢাকার ম্যাচ নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে গিয়েবলেছেন, ‘দেখেন অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে খেলে। ওদের কেমন দল তা সবাই জানেন। সব দিক দিয়ে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তারপরও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোমতো শেষ করতে পেরেছি। প্রথমটা আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ি। পরেরটাতে তো ফাউল হয়েছে। তা রেফারি দেয়নি। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি ভালো খেলার। সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছি।’ অস্ট্রেলিয়া দল ম্যাচে অনেক সেটপিস পেলেও একটির বেশি কাজে লাগাতে পারেনি। তপুর ব্যাখ্যা, ‘সকারুরা সেটপিসে অনেক ভালো। এ নিয়ে আমরা আগেই অনেক কাজ করেছি। ওরা অনেক কর্নার পেয়েছে, তা থেকে গোল করতে পারেনি। আমরা সফল বলতে পারেন। ওদের মতো দীর্ঘদেহী ও টেকনিক্যালি ভালো খেলোয়াড়দের আটকে রাখা অনেক কষ্টকর ছিল।’ মাঠে খেলার সময় অস্ট্রেলিয়ার সটারের সঙ্গে তপুর বাক্যবিনিময় হয়েছে। ম্যাচ শেষে অবশ্য সকারু ফরোয়ার্ডের জার্সি পেয়ে তপু খুব খুশি। সেটা নিজের ফেসবুক পেজেও তুলে ধরেছেন, ‘হ্যারি সটারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমার মার্কিংয়ে সে ছিল, সেটপিসের সময়। ও কিন্তু বল টাচ করতে পারেনি। অধিনায়ক জ্যাকসন ও সটার মিলে একসময় আমাকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে। আমি ওদের বলেছি, হামজা কিন্তু তোমার বন্ধু। সুতরাং পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করো। তখনই একটু ঠান্ডা হয়েছে।’ পরবর্তীতে সটার একটা মজার কথাও বলেছেন। তপু জানালেন, ‘সটার আবার মজা করে বলেছে, তাহলে হামজাকে বলবো বাংলাদেশের হয়ে যেন না খেলে! আমি আবার বলেছি, তুমি বললেই তো হবে না। হামজার মায়ের দেশ এটা। ও খেলবেই। তখন সটার হেসে আমাকে জড়িয়ে ধরে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক করে ফেলে।’ ম্যাচশেষে সটার নিজের জার্সি নিয়ে ড্রেসিংরুমের বাইরে ৫ মিনিটের মতো অপেক্ষায় ছিলেন। তপু তা শুনে দৌড়ে গিয়ে জার্সি গ্রহণ করেন। তপুর কথা, ‘ওর কাছে আগেই জার্সি চেয়েছি। ও বলেছিল ম্যাচ শেষে দেবে। তবে এভাবে জার্সি নিয়ে যে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে, তা বুঝিনি। আসলে ওরা বড়মাপের খেলোয়াড়।’

সুত্র:এফএনএস ডটকম

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।