প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন ন্যুয়ার্ট

প্রকাশিত February 17, 2019
প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন ন্যুয়ার্ট

 স্টাফ রিপোটার :: জাতিসংঘে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রার্থীতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার ন্যুয়ার্ট। জাতিসংঘে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের শীর্ষে ছিলেন তিনি।

শনিবার নিজের নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন সংবাদ চ্যানেল ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপিকা ও কূটনীতিক হিদার ন্যুয়ার্ট বলেন, আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বিবেচনা করায় আমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও’র কাছে কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, তবে গেল দুমাস আমার পরিবারের জন্য কঠিন একটি সময় গেছে এবং এটিই আমার পরিবারের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে যদি আমি এ প্রার্থীতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করি। প্রশাসনের সঙ্গে গেল দুবছর ধরে কাজ করতে পারা আমার জীবনের সবচেয়ে সম্মানজনক একটি ব্যাপার ছিল। পাশাপাশি এ কাজে আমাকে সহায়তা করার জন্য আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও আমার সহকর্মীদের কাছে সব সময়ে কৃতজ্ঞ থাকবো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘে পূর্ববর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ন্যুয়ার্ট’কে বাঁছাই করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তবে তার এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেটে উপস্থাপন করা হয়নি। ন্যুয়ার্ট প্রার্থীতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করায় ট্রাম্পকে নতুন করে আবার রাষ্ট্রদূত নির্বাচন করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শিগগিরই নতুন কাউকে বাঁছাই করে তার নাম ঘোষণা করবেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ন্যুয়ার্টে’র প্রার্থীতা প্রত্যাহার বিষয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ন্যুয়ার্ট তার দক্ষতা দিয়ে আমার দলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন এবং দেশের প্রতিনিধি হিসেবে সে তার কাজ চালিয়ে যাবেন।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে যোগদানের আগে ন্যুয়ার্ট তার সন্তানের দেখভালের জন্য এক অভিবাসী নারীকে ন্যানি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে প্রবেশ করলেও তার কাজ নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না। ফলে এ নিয়ে পরবর্তীতে কিছুটা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল।

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।