টরন্টো-মন্ট্রিয়লে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

টরন্টো এবং মন্ট্রিয়লে বেশ ক’জন বাংলাদেশির করোনায় আক্রান্তের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবার কেউ কেউ তা ‘করোনা’ বলে মনে করছেন না। তবে যাদের নাম জানা গেছে, তারা হচ্ছেন টরেন্টোর বাঙালি কমিউনিটির পরিচিত মুখ হাজী তুতিউর রহমান। স্থানীয় হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। অপরদিকে শরিফ আলী হাসপাতালে শয্যাশায়ী।

জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ছাদ চৌধুরী সস্ত্রীক অসুস্থ অবস্থায় বাসায় আছেন। ডাক্তার বলেছেন, তিনি আশংকা মুক্ত এবং আরোগ্যের পথে। আর মন্ট্রিয়লে আক্রান্ত নবী ভারডোন হাসপাতালে আর এবং তার স্ত্রী হাজেরা আইসিইউতে আছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে।

Manual4 Ad Code

সারা বিশ্বের মতো কানাডাস্থ বাঙালি কমিউনিটিতেও করোনা ভাইরাসের আতংক বিদ্যমান। তবে সংগঠন, সংস্থা, সামজসেবী, সাংস্কৃতিককর্মী, সাংবাদিকেরা নানাভাবে ভূমিকা নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল সোয়া এগারোটায় ট্রুডোর তাঁর বাসভবন রিডো হাউসের সামনে ‘ডেইলি আপডেটে’ দেন; তেমনি সাংবাদিক মাহবুব ওসমানীও প্রতি রাত এগারোটার দিকে সারাদিনের করোনার চিত্র তুলে ধরে ফেসবুকে লাইভ দিচ্ছেন।

ওন্টারিও প্রভিন্সের বিরোধী দলের বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত সাংসদ ডলি বেগম করোনা মোকাবিলার জন্য খোলা চিঠি দিয়েছেন। ‘করোনাভাইরাস কমিউনিটি সাপোর্ট এন্ড সার্ভিস অর্থাৎ সিসিএসএস কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষদের গ্রোসারী এবং ওষুধপত্র পৌঁছে দিচ্ছিলো। ডেলিভারি এই মুহূর্তে নিরাপদ নয় বলে তা আপাতত অনলাইনে সহযোগিতা দিচ্ছে।

Manual5 Ad Code

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসে কানাডায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিলো ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় এবং সর্বাধিক সংখ্যক ১৭ মৃত্যু ঘটেছে সেখানেই। এখন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০% হ্রাস পেয়েছে। এ পর্যন্ত আরো ৫৭৩ জন সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কানাডায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬,৩২০ আর মৃত্যু বরণ করেছে ৬৫ জন।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code